কালেরগর্ভে হারিয়ে যেতে বসেছে খেজুর রস

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট এলাকার ডিসি পার্কের খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করছেন গাছ থেকে আহমদ সলিম।গ্রামবাংলার শাশ্বত রূপের অংশ শীতকালীন ঐতিহ্য খেজুর রস বর্তমানে অনেকটা দুষ্প্রাপ্য। কদর থাকলেও সারা দেশের মতো চট্টগ্রামেও এই রসের সন্ধানে গলদঘর্ম হয় ক্রেতারা। তবে জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় এখনও রসের চিরচেনা স্বাদে মাতোয়ারা হয় চারপাশ। উপকূলীয় এই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা মেলে সারি সারি খেজুরগাছ।গত বছর উদ্বোধন হওয়া ডিসি পার্কের অন্দরমহলেও রয়েছে সারিবদ্ধ খেজুরগাছ। সেই সঙ্গে দেখা মিলছে রস সংগ্রহকারী গাছির। প্রতিদিন দুই দফা খেজুর রস বিক্রি করে কনকনে শীতে পকেট গরম করছেন গাছি আহমদ সলিম। রাত ৮ টা এবং ভোর ৫ টা দুই দফা রস বিক্রি করছেন মোশাররফ। ডিসি পার্কের ভেতরেই আছে শতাধিক গাছ। এসব গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে বিক্রির জন্য আহমদ সলিমকে অপেক্ষা করতে হয় না। বাজারে নেওয়ার প্রয়োজনও পড়ে না। উল্টো মোবাইল ফোনে রসের জন্য অর্ডার দিয়ে সরবরাহ পেতে ভোক্তারা হিমশিম খাচ্ছেন। ক্রেতারা ফৌজদারহাটের ডিসি পার্ক এলাকা থেকেই রস সংগ্রহ করে নিয়ে যান। আহমদ সলিম রস সরবরাহ দিলেই ভোক্তাদের অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়। কথা হয় আহমদ সলিমের সঙ্গে। খেজুরগাছের রস সংগ্রহের আয়োজন করতে তিনি বাটালি হাতুড়ি নিয়ে তখন গাছের ওপর। রশি দিয়ে কোমর বেঁধেছেন যেন পা পিছলে পড়ে না যান। দুই দিন আগে রস নামিয়েছিলেন। এখন নতুন করে গাছের অংশবিশেষ (ছাল) বাটালি দিয়ে কেটে দিচ্ছেন। তারপর গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে দিচ্ছেন প্লাস্টিকের জার। রস সংগ্রহের শুরুতেই দেখা গেল, টুপ টুপ করে ফোঁটা ফোঁটা রস পড়ছে জারে। আগে মাটির কলসি ঝুলিয়ে দেওয়া হতো। এখন মাটির হাঁড়ি বা কলসির স্থান দখল করেছে প্লাস্টিকের জার। জানতে চাইলে রসের দাম কত? রাত ১০টায় নিলে প্রতি লিটার ১০০ টাকা। ভোরে নিলে ৮০ টাকা। দামের হেরফের কেন? প্রশ্ন শুনেই বললেন রাতের রস বেশি পরিষ্কার হয়। তাই দাম বেশি। সে বেশি ব্যস্ত্য তার দম পেলাবার যেন সময নেই, দ্রুততার সঙ্গে সব গাছে জার বসাতে হবে। রাতেই রস ডেলিভারির সময় নির্ধারিত আছে। ৫ লিটার রস দিতে পারবেন? প্রশ্ন শুনতে শুনতে তিনি অন্য গাছের দিকে হাঁটা শুরু করলেন। তার হাতে সময় নষ্ট করার মত সময় নেই। তার সাথে হেটে হেটে জানতে চাইলে। আহমদ সলিম বললেন, ‘আগামী ৩ দিন কোন অর্ডার নিতে পারবো না । তিন দিন পর ফোন করে আসুন। দিতে পারব। ফোন করার কথা শুনে নম্বর চাইতেই দ্রুততার সঙ্গে নম্বর বলে গেলেন। শেষে যোগ করলেন, ‘আগে ফোন করে সিরিয়াল নেবেন। না হলে দিতে পারব না।

ডিসি পার্ক এলাকায় যখন শীতের খেজুর রস সংগ্রহ ও বিক্রিতে মোশাররফের এমন ব্যস্ততা, তখন চট্টগ্রাম মহানগরীসহ অন্য উপজেলাগুলোতে রসের দেখা কার্যত নেই। চট্টগ্রামের ১৬টি উপজেলায় একসময় দেশের অন্য জেলার মতো বিপুলসংখ্যক খেুজরগাছ ছিল। কিন্তু কালের বিবর্তন এবং গাছখেকোদের কবলে পড়ে এখন প্রায় খেজুরগাছশূন্য হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম। তবে উপকূলীয় উপজেলা সীতাকুণ্ডে এখনও কয়েক হাজার খেজুরগাছ টিকে আছে। এখন হাড় কাঁপানো শীতে সীতাকুণ্ডের রস ব্যবসায়ীরা সীতাকুণ্ড ছাড়াও চট্টগ্রাম মহানগরীতে এনে খেজুর রস বিক্রি করছেন। অবশ্য, সীতাকুণ্ডের মতো না হলেও মিরসরাই এলাকায় কিছু খেজুরগাছ আছে। কিন্তু অন্য উপজেলাগুলোতে খেজুরগাছ হাতো গোনা সংখ্যায় নেমেছে। এ কারণে সেসব উপজেলায় খেজুর রস সংগ্রহ কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। পুষ্টি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ভাষ্য অনুযায়ী, খেজুর রস প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। এতে ১৮/২০ শতাংশ দ্রবীভূত শর্করা থাকে। এই রস দিয়ে গুড় উৎপাদিত হয়। এই গুড় সুমিষ্ট, পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু। খেজুর গুড়ে প্রোটিন, ফ্যাট ও মিনারেল থাকে। খেজুর রসের স্বাস্থ্যগুণ থাকলেও সেই রস চট্টগ্রামের সব ভোক্তা পান না সরবরাহের অভাবে। গ্রামাঞ্চলে এখন আর আগের মতো খেজুরগাছ নেই। সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় কিছু গাছ থাকলেও সেই গাছ থেকে সংগৃহীত রস দিয়ে চট্টগ্রামের ভোক্তাদের চাহিদা মেটে না। আবার বিলুপ্ত গাছ হিসেবে খেজুর রসের স্বাদই পায়নি অনেক উপজেলার শিশুরা। তাদের কাছে খেজুরগাছ এবং রসের স্বাদ এমন শুধুই গল্প। খেজুরগাছ প্রায় বিলুপ্ত হয়েছে এমন উপজেলার একটি বোয়ালখালী । উপজেলার বাসিন্দার মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘ছোটবেলায় আমাদের খেজুরগাছ ছিল ১০টি। এখন একটিও নেই। পুরো পাড়ায় কারও নেই। তাই সর্বশেষ খেজুর রস দিয়ে ভাপা পিঠা কবে খেয়েছি মনে করতে পারছি না। খেজুরগাছ কমে যাওয়ার বিষয়ে বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. জয়নাল আবেদীন বললেন, ‘খেজুরগাছ বনের গাছ নয়। গ্রামীণ জনপদের বাসিন্দারা রাস্তার ধারে কিংবা নিজস্ব উঁচু জমিতে পরিচর্যার মাধ্যমে খেজুরগাছ লালন করেন। এখন সময়ের বিবর্তনে খেজুরগাছ কমে গেছে এটা সঠিক। কিন্তু খেজুরগাছ রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষার জন্য বন বিভাগের সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে নতুন করে খেজুরগাছ লাগানো যেতে পারে। তাহলে বিলুপ্তির হাত থেকে খেজুরগাছ রক্ষা করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া যাবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মার্গের সামনে নিহত ছাত্রী মাইশার মায়ের আহাজারি : ‘আমার মাইশা’ কই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মার্গের সামনে মাইশার মা সালমা বেগম কেবল চিৎকার করে বারবার ডাকছিলেন মেয়েকে। ‘আমার মাইশা, আমার ঝি। কখনো আহাজারি, কেন এমন হলো!’ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে চমেক হাসপাতালে শুধু সালমা বেগম নয়, মাইশার সহপাঠী শিক্ষার্থীরাও কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা কোনোভাবেই মাইশার এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছিলেন না।

মাইশা আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্য বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্রী। বাড়ি মিরসরাইয়ের বড়তাকিয়া এলাকায়। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া আসা করতেন। সকালে সীতাকুণ্ডের কুমিরায় ক্যাম্পাসের সামনে বাসচাপায় মারা যান। মাইশার সঙ্গে কিছুক্ষণ আগেও সহপাঠীদের কথা হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ কো-অর্ডিনেটর জাহেদ হোসেন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, ক্লাস বাতিল হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ফিরে যাচ্ছিলেন মাইশা ও তার এক বান্ধবী। বাসের জন্য দাঁড়িয়েছিলেন তারা। তাদের তোলার জন্য একটি বাস দাঁড়ায়। ওই মুহূর্তে পাশ থেকে একটি লরি বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি উল্টে দুই শিক্ষার্থীর গায়ের ওপর পড়ে। হাসপাতালে মাইশাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

মাইশার বান্ধবী রাজিয়া বেগম সামান্য চোট পেয়েছেন। তার বাড়িও মিরসরাইয়ে। কিন্তু এমন ঘটনায় রাজিয়া হতভম্ব। তাকে ফেনীর বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মিরসরাই থেকে হাসপাতালে ছুটে আসেন মা সালমা বেগম। তিনি এসে দেখেন সব শেষ। এরপর আহাজারি করতে থাকেন সালমা বেগম।

কয়েক বছর আগে মাইশার বাবা মারা যান। দুই ভাইবোনের মধ্যে মাইশা বড়। নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। পড়ালেখা শেষ করে মা ও একমাত্র ভাইয়ের দায়িত্ব নেওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে গেল একটি সড়ক দুর্ঘটনায়। মাইশার মা কীভাবে নিজেকে সান্ত্বনা দেবেন।

এদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের অবরোধ চলছে। দুপুর দেড়টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অবরোধ চলছিল। শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়য়ের ছাত্রী দূর্ঘটনায় মৃত্যু, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সড়ক দুর্ঘটনায় আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিরা এলাকা অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা।আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাস্তা পারাপারের সময় বিশ্ববিদ্যালয় ফটকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় মাইশা মুশফিরাত (২১) নামে এক শিক্ষার্থী মারা যান। আহত হন তার দুই সহপাঠী।নিহত মাইশা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। আহত দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
স্থানীয়দের বরাতে বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট শফিউল আলম জানান, সকালে দুটি লরি পরস্পরকে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায়। একটি লরি ৮ নম্বর রুটের একটি লোকাল বাসকে ধাক্কা দিলে বাসটি উল্টে গিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তিন শিক্ষার্থীকে চাপা দেয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। তাদেরকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে মাইশাকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান ইভা জানান, দুর্ঘটনার শিকার তিন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য সকালে ক্যাম্পাসে আসছিলেন।সার্জেন্ট শফিউল জানিয়েছেন, এ ঘটনায় জড়িত দুটি লরি এবং বাস জব্দ করা হয়েছে।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক ওই শিক্ষার্থীকে মৃত ঘোষণা করেন।এদিকে দুর্ঘটনার খবর জানার পর প্রতিবাদে মহাসড়কের দুই পাশ অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। ফলে দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অবরোধের কারণে উভয়পাশে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে।

এ সময় পাঁচদফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সেগুলো হলো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চালককে গ্রেপ্তার, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া, ডিপোর অবৈধ পার্কিং বন্ধ করা, ক্যাম্পাস ফটকে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ