আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

দেবহাটার সখিপুরে আবাসিক এলাকায় কারখানা, মানছে না কোন বাঁধা!

দেবহাটা উপজেলা প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেবহাটার সখিপুরে আবাসিক এলাকায় নির্মাণকৃত কারখানার মেশিনের শব্দ আর ধূলাবালিতে অতিষ্ট এলাকাবাসী। দিনে রাতে বিকট শব্দ ঘুম হারাম হয়ে যাওয়া পাশাপাশি কারখানার ধুলা ময়লাতে ভরে যাচ্ছে বাসতবাড়ি। এবিষয়ে একাধিক বার অভিযোগ করেও মিলছে না কোন সমাধান। সাম্প্রতিক বিষয়টি নিয়ে কয়েক দফায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বরাবর এলাকাবাসী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগে স্থানীয়রা জানান, উপজেলার উত্তর সখিপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত নুরআলী বিশ্বাসের ছেলে মুনসুর আলী বিশ্বাস আবাসিক এলাকায় একটি কাঠের আসববপত্র তৈরী ও কাঠের ডিজাইনের কারখানা স্থাপন করেছেন। আরও জানা যায়, সে আবাসিক এলাকায় ১১ শতক জমি বসতঘর নির্মান করার জন্য খরিদ করেন। সেখানে বাড়ী নির্মান না করে সৌখিন ফার্নিচার ও ডিজিটাল নকশা ঘর নামে ফার্নিচার তৈরির কারখানা নির্মান করেছেন। ওই কারখানায় ধীরে ধীরে ফার্নিচার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করেন। সম্প্রতি সময়ে একটি ভারী মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। যা সকাল হতে মধ্যরাত, কখনো সারারাত বিকট শব্দে চলতে থাকে। এছাড়া ফার্নিচারে ব্যবহৃত রং, বিভিন্ন কেমিক্যাল এবং কাঠের গুড়ার কারনে বায়ু দূষণ সহ মেশিনের বিকট শব্দে স্থানীয় বাড়ির লোকজনের স্বাস্থ্যের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটছে।

তীব্র চলমান শব্দের ফলে শিশুদের পড়ালেখা, ঘুম, শ্রবণ শক্তি, মানসিক ও শারিরীক স্বাস্থ্যের ব্যাপক ভাবে অবনতি ঘটছে। বর্তমানে আশেপাশের পরিবার গুলোর কয়েকজন শ্বাসকষ্ট, মাথা ব্যথা ও কানের অসুখে ভুগছেন।

বিষয়টি নিয়ে ইতোপূর্বে রাত্র ১২ টার দিকে সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে ঘটনাস্থালে আসার আহবান জানান স্থানীয়রা। তিনি ঘটনাস্থলে এসে গভীর রাতে মেশিন চালু অবস্থায় দেখে তা বন্ধ করার নির্দেশ দেন। চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে মেশিন বন্ধ রাখা হয়। চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল ত্যাগের কিছু পরেই আবারও মেশিন চালু করেন তারা। এমনকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দায়ের পর তিনি সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর জরুরী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে ইউনিয়ন ভ‚মি সহকারী কমকর্তা প্রশান্ত কুমার সরকার উভয় পক্ষকে একটি নোটিশ প্রদান করে গত ১৪ নভেম্বর সরেজমিনে তদন্ত করা হয়েছে। রবিবার ১৭ নভেম্বর তদন্তকারী কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহীকে তদন্ত প্রতিবেদন প্রদান করবেন বলে জানা গেছে।

Ibrahim Hosen
01704719948

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ