আজঃ শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

রূপগঞ্জে হত্যাসহ বহু মামলার আসামী ফিরোজ ভুঁইয়া কক্সবাজারে গ্রেফতার

মাহাবুবুর রহমান রনি,রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীকের পিএস ফিরোজ ভুঁইয়াকে(৫০) গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল ১৯নভেম্বর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজার হোটেল কক্স টুডে’র ৫১৭নং কক্ষ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার মডেল থানার ওসি হিমেল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ফিরোজ ভুঁইয়াকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা রাজধানীর যাত্রবাড়ী এলাকার মোর্শেদা আক্তার(১৯) নামের এক নারীকে পুলিশ আটক করে।
রূপগঞ্জ থানা ওসি লিয়াকত আলী জানান, গ্রেফতারকৃত ফিরোজ ভুঁইয়ার বিরুদ্ধে রূপগঞ্জের চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের নব কিশোলয় উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র রোমান মিয়া(১৭) হত্যা ও তারাবো পৌরসভা যুবদলের সভাপতি আফজাল কবিরের বাড়িতে হামলা, ভাংচুর, লুটপাটসহ রূপগঞ্জ ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় বেশ কিছু মামলা রয়েছে। ফিরোজ ভুঁইয়া রূপগঞ্জের তারাবো পৌরসভার রূপসী গ্রামের নুর মোহাম্মদ ওরফে মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
উল্লেখ্য গত ৫আগষ্ট চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে রোমান মিয়া নিহত হয়। এ মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক ও কায়েতপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ জায়েদ আলী গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে রয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ২৫ বছর আগের হত্যাকাণ্ডে একজনের মৃত্যুদণ্ড, আটজনের যাবজ্জীবন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে একটি হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন একটি আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটার দিকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হক এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম মনিরুল হক। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আট আসামি হলেন ছাইফুল হক, বদরুল হক, আজিজুল হক, আবদুল রাজ্জাক, মো. রফিক, ছৈয়দুল হক, বাবুল হক ও মো. হাছান।এর আগে দুই আসামি মৃত্যু হওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০০ সালের ৭ জুলাই চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারায় জমির ঘাস পরিষ্কারকে কেন্দ্র করে নুরুল আবছার ও নুর আহম্মদের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে হামলা চালান আসামিরা। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক নুর আহম্মদকে মৃত ঘোষণা করেন।এ ঘটনায় করা মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০০৪ সালের ২২ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এই রায় দেন।

তথ্য জানিয়ে ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী মো. আবু ছায়েদ বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামি মো. রফিক, বাবুল হক ও আবদুর রাজ্জাক আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস ইউ এম নুরুল ইসলাম জানান, আদালত যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। মামলায় মোট ১১ জন আসামি ছিলেন। তবে বিচার চলাকালে আলী আহম্মদ ও মো. গফুর নামের দুই আসামি মারা যাওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

বোয়ালখালীতে ডাকাতি কুপিয়ে বৃদ্ধকে আহত দুই জন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে ঘর ডাকাতি করতে গিয়ে এলাকাবাসীর প্রতিরোধে ডাকাতরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। তবে ডাকাতি করতে না পেরে দুইজনকে কুপিয়ে আহত করেছে তারা।বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ২:৪৭ মিনিটে দিকে উপজেলার পোপাদিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড মুছা মেম্বারের বাড়ি সংলগ্ন রাস্তার পাশে নতুন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আব্দুল হাশেম (৬০) ও সিরাজ খাতুন( ৫৪) তারা আহত করেন।

আব্দুল হাশেম বলেন, রাত ২:৪৭ মিনিটের দিকে রাম দা নিয়ে আমার ঘরে ৩/৪ জন ঢুকে আমাদেরকে প্রথমে মারধর করে আহত করেন। পরে আমার স্ত্রী চিৎকার শুনে তারা পালিয়ে যায়। তিনি আরো জানান মই ও পানির পাইপ দিয়ে ছাদ বেয়ে ডাকাত দল ঘরে ঢুকে। যাওয়া সময় ডাকাতরা মইটা ফেরে রেখে যায়। আমার ছেলের বউ আমাদের পুরাতন বাড়িতে সবাইকে ফোন করে বললে তারা তাৎক্ষণিক বাড়িতে আসলে ডাকাতের দল পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন,খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সিসি ফুটেজ দেখে ডাকাতদের শনাক্ত করা হবে।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ