আজঃ বুধবার ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যারা প্রকৃত আহত তাদরে নাম তালিকায় থাকবে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জলো প্রশাসক (ডসি)ি ও জলো ম্যাজস্ট্রিটে ফরদিা খানম বলছেনে, বষৈম্যবরিোধী ছাত্র আন্দোলনে চট্টগ্রামে প্রকৃতভাবে যারা আহত হয়ছেে তারা যনে প্রকৃত নামরে তালকিায় র্অন্তভূক্ত হয় সে বষিয়টি নশ্চিতি করা হব।ে প্রকৃত আহত ছাড়া তালকিায় কারও নাম কোনভাবে যাতে এলোমলেোভাবে তালকিায় আসতে না পারে সে বষিয়টি নরিপক্ষেভাবে দখেতে হব।ে আন্দোলনে যারা নহিত হয়ছেনে তাদরে স্মরণ সভা করার ব্যাপারে সদ্ধিান্ত রয়ছে।ে
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম র্সাকটি হাউজরে সম্মলেন কক্ষে অনুষ্ঠতি জলো উন্নয়ন সমন্বয় কমটিরি মাসকি উন্নয়ন সমন্বয় সভায় সভাপতরি বক্তব্যে তনিি এসব কথা বলনে। তনিি বলনে, চট্টগ্রামরে মত গুরুত্বর্পূণ জলোয় জন্ম-মৃত্যুর হার মাত্র ৫১-৫৩ শতাংশ। এ ব্যাপারে মন্ত্রী পরষিদ বভিাগ থকেে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়ছে।ে পারফরমন্সে খারাপ হলে র্উধ্বতন র্কমর্কতাদরে কাছে জবাবদহিি করতে হয়। সভিলি র্সাজন ও স্থানীয় সরকাররে উপ-পরচিালকরে নতেৃত্বে স্বাস্থ্য বভিাগরে র্কমর্কতা-র্কমচারীরা সংশ্লষ্টি উপজলো নর্বিাহী অফসিারগণরে সাথে সমন্বয়রে মাধ্যমে গুরুত্বরে সাথে কাজ করলে প্রকৃত জন্ম-মৃত্যুর হার নর্ধিারণ করা যাব।ে আমরা মৃত্যুহারে কছিুটা এগয়িে থাকলওে জন্মহারে পছিয়িে আছ।ি এলাকায় সন্তানরে জন্মগ্রহণ ও লোক মারা যাওয়ার সাথে সাথে তা রজেস্ট্রিশেন করে রাখলে প্রকৃত জন্ম-মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাব।ে
জলো প্রশাসক বলনে, কন্দ্রেীয় সরকাররে সরাসরি প্রতনিধিি জলো প্রশাসন। সমম্বয় সভার সদ্ধিান্তগুলো মন্ত্রী পরষিদে পাঠানোর পর সখোন থকেে সন্ধিান্তরে পর বাস্তবায়ন হয়। আমরা অনুরোধ করবো-সরকাররে সে সকল উন্নয়নমূলক র্কাযক্রমগুলো আছে সগেুলো সঠকিভাবে বাস্তবায়নে তদারকি বৃদ্ধি করতে হব।ে সকল কাজে যনে সংস্কার থাকে সটো র্অন্তর্বতীকালীন সরকাররে নর্দিশেনা। র্বতমান র্অন্তর্বতীকালীন সরকাররে নর্দিশেনা অনুযায়ী আমরা সকলে মলিে জলোর র্সাবকি উন্নয়নে সমন্বতিভাবে কাজ করবো। সরকারী প্রত্যকে দপ্তরকে সংস্কাররে আওতায় এনে মধো, দক্ষতা ও সততা দয়িে আমাদরে র্কাযক্রমগুলো সুনশ্চিতি করবো। এ জন্য আপনাদরে সকলরে সহযোগতিা চাই।
সভায় জলো সভিলি র্সাজন ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলনে, র্বতমান সময়ে ডঙ্গেু পরস্থিতিি উদ্বগেজনক হারে বৃদ্ধি পয়েছে।ে গত অক্টোবর মাসে ডঙ্গেু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৪৩০ জন ও মৃত্যুবরণ করছেে ৯ জন এবং চলতি ১৮ নভম্বের র্পযন্ত ডঙ্গেু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭০৯ জন ও মৃত্যুবরণ করছেে ১৪ জন এবং হাসপাতালে চকিৎিসাধীন রয়ছেে ১২২ জন। ডঙ্গেু প্রতরিোধে সচতেনতায় র্সবত্র প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রয়ছে।ে
সভায় অতরিক্তি জলো প্রশাসক (র্সাবকি) মোঃ কামরুজ্জামান বলনে, টাস্কর্ফোস কমটিি গঠনরে পর নত্যিপণ্যরে বাজার মনটিরংি জোরদার করা হয়ছে।ে মোবাইল র্কোটরে অভযিানে অসাধু ব্যবসায়ীদরেকে রর্কেডসংখ্যক জরমিানা করা হয়ছে।ে এর পরওে সয়াবনি তলে, পয়িাঁজ ও আলুর দামে র্উধ্বগত।ি আসন্ন রমজানকে কন্দ্রে করে নত্যিপণ্য যাতে ক্রয়-ক্ষমতার মধ্যে থাকে সে লক্ষ্যে বাজার মনটিরংি আরও জোরদার করতে হব।ে নকল ও ভজোল ওষুধ রোধে সমন্বতি উদ্যোগ নতিে হব।ে
চট্টগ্রাম জলো প্রশাসক ফরদিা খানমরে সভাপতত্বিে ও অতরিক্তি জলো প্রশাসক (র্সাবকি) মোঃ কামরুজ্জামানরে সঞ্চালনায় অনুষ্ঠতি সভায় অন্যান্যরে মধ্যে বক্তব্য রাখনে জলো পরষিদরে নর্বিাহী র্কমর্কতা মোঃ দদিারুল আলম, জলো প্রশাসক র্কাযালয়রে উপ-পরচিালক (স্থানীয় সরকার) মোহাম্মদ নোমান হোসনে, অতরিক্তি পুলশি সুপারমোঃ রাসলে, জলো সভিলি র্সাজন ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, পরবিার পরকিল্পনা চট্টগ্রাম জলোর উপপরচিালক মোহাম্মদ আবুল কালাম, উপজলো নর্বিাহী র্কমর্কতা মোজাম্মলে হক চৌধুরী (ফটকিছড়)ি, মোঃ রাজীব হোসনে (চন্দনাইশ), ইনামুল হাছান (লোহাগাড়া), মাসুমা জান্নাত (র্কণফুল)ি, ইশতয়িাক ইমন (আনোয়ারা), জসেমনি আক্তার (বাঁশখালী), অংগ্যজাই মারমা (রাউজান), রগ্যিান চাকমা (সন্ধীপ), এবএিম মশউিজ্জামান (হাটহাজারী), হমিাদ্রী খীসা (বোয়ালখালী), বোয়ালখালী পৌর প্রশাসক কানজি ফাতমো, মহানগর র্কোট ইন্সপক্টের মোঃ রফকি উল্লাহ, গণর্পূত বভিাগরে নর্বিাহী প্রকৌশলী জহরি রায়হান, জলো সমাজসবো র্কাযালয়রে উপ-পরচিালক মোঃ ফরদিুল আলম, বসিকি’র ডজিএিম মোঃ নজিাম উদ্দনি, বএিডসি’ির উপ-পরচিালক (বীজ বপিনন) মোহাম্মদ নাঈমুল আরফি, বএিডসি’ির যুগ্মপরচিালক (সার) মোঃ কামরুজ্জামান সরকার, সনিয়ির কৃষি বপিনন র্কমর্কতা মোঃ শাহরয়িার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধদিপ্তররে নর্বিাহী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র দাস, কৃষি সম্প্রসারণ অধদিপ্তররে প্রতনিধিি নাসরি উদ্দনি চৌধুরী, জলো র্কমসংস্থান ও জনশক্তি অফসিরে সহকারী পরচিালক মহন্দ্রে কুমার চাকমা, ওষুধ প্রশাসনরে সহকারী পরচিালকএস.এম সুলতান আরফেনি, হন্দিু র্ধমীয় কল্যাণ ট্রাস্টরে সহকারী পরচিালক রংিকু কুমার র্শমা, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধদিপ্তররে প্রতনিধিি মনি কুমার র্শমা ও ইসলামকি ফাউন্ডশেনরে সহকারী পরচিালক ইউসুফ ময়িা প্রমূখ। বভিন্নি উপজলো নর্বিাহী র্কমর্কতা, পৌর প্রশাসক ও জলোর সরকারী বভিন্নি দপ্তররে র্কমর্কতাবৃন্দ সভায় উপস্থতি ছলিনে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের দুই আসনে বিএনপির প্রার্থী নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুই দফায় চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে ১৪টিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। দুই আসনে প্রার্থী ঘোষণা দেয়নি দলটি। এ দুই আসনের প্রার্থী নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। আসন দুটি হচ্ছে- চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর, পতেঙ্গা, ডবলমুরিং, ইপিজেড ও সদরঘাট) এবং চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া-আংশিক)।শেষ মুহূর্তে চট্টগ্রামের এই দুই আসনে বিএনপির প্রার্থিতা নিয়ে কী চমক অপেক্ষা করছে- এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই রাজনৈতিক অঙ্গনে। এদিকে আগামী সপ্তাহখানেকের মধ্যে যেকোন সময় বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা হতে পারে এ দুই নির্বাচনী আসনে। এ নিয়ে চুলচেড়া বিশ্লেষণ চলছে। হিসাব মেলাতে ব্যস্তসময় পার করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধারাও।

জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে গত ৩ নভেম্বর ২৩৬টি এবং ৪ ডিসেম্বর ৩৬টিসহ দুই ধাপে ২৭২ আসনে সম্ভাব্য একক প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে প্রথম দফায় ১০টি এবং দ্বিতীয় দফায় ৪টি মিলে মোট ১৪ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি।ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন- চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সরোয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) কাজী সালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও বায়েজিদ) ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও, বোয়ালখালী ও পাঁচলাইশ-আংশিক) এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-হালিশহর-খুলশী) আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) এনামুল হক এনাম, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) সরওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৫

(সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) নাজমুল মোস্তাফা আমিন এবং চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা।
বিএনপির একাধিক নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর, পতেঙ্গা, ডবলমুরিং, ইপিজেড ও সদরঘাট) আসনটি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নিজের আসন। তবে তিনি এবার মনোনয়ন পান চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-হালিশহর-খুলশী) আসনে। তাই এবার এ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী হলেন- বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু ও নগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান। তাছাড়া চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া-আংশিক) আসনটি বিএনপির শরিক এলডিপিকে ছেড়ে দিতে পারে বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রে এলডিপির প্রার্থী হতে পারেন এলডিপির সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম অথবা তার ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক। তিনি এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য। তবে এ আসন থেকে বিএনপির

মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন বেশ কয়েকজন। তারা হলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ডা. মহসিন জিল্লুর করিম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল আনোয়ার চৌধুরী, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট নাজিম উদ্দিন চৌধুরী এবং বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম রাহী।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে আইএইচআরসিজি’র আলোচনা সভা ————

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এস.এম. নসরুল কদির বলেছেন-বাংলাদেশ মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভ করেছে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর এখনও পর্যন্ত মানুষ গণতান্ত্রিক অধিকার, বাক স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার রক্ষায় সংগ্রাম করে যাচ্ছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যে সরকার আসুক না কেন, তাদেরকে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের দিকে অধিক মনোযোগী হতে হবে। এবং এ কাজে মানববাধিকার সংগঠনগুলোকে মানবাধিকার রক্ষায় দেশী-বিদেশী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে গণমূখী কর্মকাণ্ড বাড়াতে হবে। তিনি বুধবার ৭৭তম আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আইএইচআরসিজি বাংলাদেশ’র উদ্যোগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইএইচআরসিজি বাংলাদেশ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো: আমির হোসেন খাঁন। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্যে আইএইচআরসিজি বাংলাদেশ’র জেনারেল সেক্রেটারী সৈয়দ মোস্তফা আলম বলেন, মানবাধিকার সংগঠনের নামে বাংলাদেশের কোন জায়গায় চাঁদাবাজী দখলবাজী, মামলা বাজী করে জনগণকে হয়রানী করা যাবে না। যারা এ কাজে জড়িত থাকবেন তাদেরকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিতে হবে। এবং আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য জনমুখী এবং স্বাধীনতা রক্ষায় যে দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে তাদেরকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আইএইচআরসিজি’র নির্বাহী পরিচালক নুরুল আবসার তৌহিদ বলেন, মানবাধিকার সংগঠনকে বাংলাদেশে প্রান্তিক জনগণের কাছে পৌছে দেওয়ার জন্য সকল জেলায় সৎ ও যোগ্য মানুষকে সংগঠনের নেতৃত্বে আসার আহ্বান জানান। আইএইচআরসিজি চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়কারী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব খান সম্রাট, নেত্রী নাহিদা আক্তার নাজু ও চম্পা রানী নন্দীর যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক মাঈন উদ্দীন আহমদ, সংঠনের নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদিকা তাহেরা শারমীন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার আবু তৈয়ব, সংগঠনের বিভাগীয় নেতা মোঃ আব্দুর রহিম, পটিয়া উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নারী নেত্রী আফরোজা বেগম জলি, অপকার নির্বাহী পরিচালক মোঃ আলমগীর, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউনুচ তালুকদার, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ওহাব, চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী ডা. জামাল উদ্দিন, আর্ন্তাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ মোশারফ হোসেন, সীতাকুন্ড উপজেলার সভাপতি মোঃ মুসলিম উদ্দিন ভূইয়া, মহানগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী জাবেদ চৌধুরী, সংগঠনের নারী নেত্রী জান্নাতুল মাওয়া মারুফা, শারমীন সরকার, জোহরা সেলিম, সীতাকুন্ড পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মাসুদা বেগম, নারী উদ্যোক্তা মনিরা দিলশাদ তানসি, সংগঠনের নেতা যথাক্রমে-হাজী নুরুল ইসলাম, তাহেরা মহরম, ফাহমিনা আলম, ইঞ্জি: কাজী মিজান, এনাম হোসেন, মোঃ আলাউদ্দিন, আব্দুল কাদের চৌধুরী, মোঃ ইয়াছিন, মোঃ রাজু চৌধুরী, তৌহিদুল আলম তালুদার, মোঃ ইকরাম, ইব্রাহিম লালন, সঙ্গীত শিল্পী এস.বি সুমি, মোঃ ইমাম উদ্দিন, মোঃ আজহারুল ইসলাম তামিম, শান্ত দে, ফয়জুল হক, আসিফ রোহান, মোঃ ইয়াছিন প্রিন্স, তাহমিনা আক্তার প্রমুখ। ৭৭তম আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে কেক কেটে এবং অনুষ্ঠান শেষে বিগত কর্মকাণ্ডের উপর সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের কাছে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

আলোচিত খবর

আরব আমিরাতে ভিসা সংকটে বড় হুমকির মুখে বাংলাদেশি শ্রমবাজার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের  অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা জটিলতায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকা এবং অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও কবে ভিসা উন্মুক্ত হবে— সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানাতে পারছে না বাংলাদেশ মিশন। বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আমিরাত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

ভিসা জটিলতা শ্রমবাজারের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রভাব পড়ছে প্রবাসীদের কর্মসংস্থান, আয়-রোজগার এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষে অবৈধভাবে বসবাস, লিঙ্গ পরিবর্তন, সনদ জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ ওঠায় ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি করেছে আমিরাত সরকার। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশিরা।

এদিকে দুবাইয়ে স্কিল ভিসা চালু থাকলেও সেখানেও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। গ্র্যাজুয়েশন সনদ ছাড়া বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। সনদকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, পরে দূতাবাস বা কনস্যুলেটের যাচাই এবং শেষে আমিরাতের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হচ্ছে। দীর্ঘ ও জটিল এ প্রক্রিয়ায় হতাশ কর্মপ্রত্যাশীরা।

বাংলাদেশ মিশনের তথ্যানুসারে, স্কিল ভিসায় সনদ জালিয়াতি ঠেকাতে তিন মাস আগে চালু করা হয়েছিল বারকোড ব্যবস্থা। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটিও জাল করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে ইউএই সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযোগ আসছে। রাষ্ট্রদূতের মতে, বাংলাদেশিদের মানসিকতা না বদলালে ভিসা সংকট নিরসন সম্ভব নয়।

আবুধাবি বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বলেন, “গত সাত মাস ধরে ভিসা ইস্যুতে চেষ্টা চালিয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি।কবে হবে সেটিও অনিশ্চিত। আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি, তবে বিষয়টি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ”

 

জনশক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা পরিবর্তনের জটিলতা দ্রুত সমাধান না হলে অনেক বাংলাদেশি কর্মীকে দেশে ফিরে যেতে হতে পারে। অনেকেই জানেন না, ভিসা বাতিল হলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে প্রবাসীদের মানসিক চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে বর্তমানে যারা আমিরাতে অবস্থান করছেন, তারা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়।

বাংলাদেশি প্রবাসী সংগঠকরা মনে করেন, এ অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি প্রবাসীদেরও ভিসা নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। নইলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারে বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ