চট্টগ্রামের উপকূলে নতুন করে যোগ হচ্ছে শীতকালীন সবজি আলুর উৎপাদন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর ও কাট্টলী উপকূলে শীতকালীন সবজির আবাদ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। প্রতিবারের মতো এবারও বেশির ভাগ জমিতেই চাষ হচ্ছে টমেটো। এছাড়া পুঁইশাক, কলমি শাক, লাল শাক, ধনেপাতা, ডাঁটা, পালং শাক, মুলা, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, লাউসহ বিভিন্ন সবজির আবাদ হচ্ছে।
তবে এই উপকূলে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছে আলু চাষ। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের নতুন উদ্ভাবিত ৯ প্রজাতির আলু চাষ করছেন স্থানীয় কৃষক মোহাম্মদ ইলিয়াছ। লবণাক্ত জমির কারণে এর আগে উপকূলে কখনও আলু চাষের ঝুঁকি নেননি কৃষকরা। পরীক্ষামূলক এই চাষ সফল হলে উপকূলে শীতকালীন সবজি হিসেবে নতুন করে যোগ হবে আলু উৎপাদন।
এদিকে হঠাৎ করে আলু চাষের ব্যাপারে জানতে চাইলে কৃষক মো. ইলিয়াছ বলেন, গত ২১ নভেম্বর খুলশী কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে ৯ প্রজাতির ৯০ কেজি আলুর বীজ দেয়া হয়েছে। বীজ হাতে পেয়ে জমি তৈরি করে বপন শুরু করেছি। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে ফসল ঘরে তুলতে পারবো।
তিনি আরও বলেন, দেশের অন্য এলাকার তুলনায় এখানে আলুর উৎপাদন কম হয়। গত কয়েকবছর ধরে ভাল বীজ ও উন্নত সারের অভাবে শীতকালীন সবজি আবাদ করে তেমন একটা সফলতা পাইনি। তাই পরীক্ষামূলক আলু চাষ করছি। প্রতিটি চারা থেকে দেড়কেজি ফসল পেলেই আগামী বছর থেকে নিয়মিত আলুর চাষ শুরু করবো।
জানা গেছে, এখানে বিভিন্ন প্রকারের শাক বাজারজাতও করছেন কৃষকরা। তবে ব্যতিক্রম দেখা গেল উত্তর কাট্টলী এলাকায়। অন্য সবজির সাথে প্রায় ৪০ শতক জমিতে আলু চাষ করছেন মো. ইলিয়াছ। এরমধ্যে অর্ধেক জমিতে আলুর বীজ বপন করা হয়েছে। বাকি জমিতে শ্রমিকদের নিয়ে বীজ রোপণ করছেন তিনি। লবণাক্ত মাটির কারণে এর আগে এখানকার কৃষকরা আলু চাষে আগ্রহী ছিলেন না।
মেট্টোপলিটন কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি অফিসার সুভাষ চন্দ্র দত্ত বলেন, চট্টগ্রাম উপকূলে এর আগে আলুর চাষ হয়নি। লবণাক্ত জমির কারণে এখানে আলুর ফলন ভালো হয় না। পরীক্ষামূলক চাষে যদি তিনি সফল হন তাহলে ভবিষ্যতে আলু চাষে আগ্রহ বাড়বে এ এলাকার কৃষকদের।
কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক সহকারী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঢাকা প্রধান কেন্দ্র থেকে এসব বীজ সরবরাহ করা হয়েছে। ইলিয়াছ আদর্শ ও পরীক্ষিত একজন কৃষক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আমাদের সাথে কাজ করে আসছেন। আর তাই পরীক্ষামূলক উৎপাদনের জন্য নগরীর মধ্যে একমাত্র কৃষক হিসেবে তাকেই এসব বীজ দেয়া হয়েছে। পরীক্ষায় সফল হলে ভবিষ্যতে উপকূলে আলু চাষে আগ্রহ বাড়বে কৃষকদের।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পুরোনো শেড সংস্কার এবং আধুনিক ফিড মিল স্থাপন করা হলে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী আঞ্চলিক মুরগি খামারটি জনবল সংকটে ধুঁকছে। নগরীর আঞ্চলিক সরকারী এ মুরগী খামারে কম দামে ভালো মানের ডিম ও বাচ্চা কিনতে খামারি এবং সাধারণ মানুষের ভিড় থাকলেও অবকাঠামো ও জনবল সংকটে খামারের উৎপাদন বাড়ানো যাচ্ছে না। নব্বইয়ের দশকে তৈরি মুরগির শেডগুলো এখন জরাজীর্ণ, চলছে জোড়াতালি দিয়ে। ১৯৯১ সালে বসানো ফিড মিলটিও পুরোনো হয়ে পড়েছে। বাজারে এখন অনেক অত্যাধুনিক ফিড মিল এলেও তিন দশকের পুরোনো মিল দিয়েই কাজ চালাতে হচ্ছে। তার ওপর রয়েছে জনবল সংকট। হ্যাচারি অ্যাটেনডেন্টের দুটি পদের দুটিই শূন্য। ফিড মিল অ্যাটেনডেন্টের তিনটি পদের মধ্যে একটি শূন্য। বাধ্য হয়ে একজন ট্রাক সহকারী অন্যের কাজ দেখে শিখেই ফিড মিলে কাজ চালাচ্ছেন।

তবে সংকটের মধ্যেও সীমিত সামর্থ্যে উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন খামার কর্তৃপক্ষ। খামারে প্রতিটি মুরগি থেকে বছরে ১৮০টি করে মোট আট লাখ ১০ হাজার ডিম এবং সাড়ে তিন লাখ থেকে চার লাখ একদিনের বাচ্চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা থাকে।

গত তিন অর্থবছরের হিসাবে দেখা যায়, খামারে উৎপাদন ও রাজস্ব আয় বেড়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খামারে তিন লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৮টি বাচ্চা এবং পাঁচ লাখ ৭৫ হাজার ৮৪০টি ডিম উৎপাদন হয়। পরের বছর (২০২৪-২৫) তা বেড়ে দাঁড়ায় তিন লাখ ৭৮ হাজার ৮৩১টি বাচ্চা ও ছয় লাখ ১৫ হাজার ১১৫টি ডিমে। আর সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে চার লাখ সাত হাজার ৩২২টি বাচ্চা এবং ৮ লাখ ১৮ হাজার ২৭৩টি ডিম উৎপাদিত হয়েছে। উৎপাদন বাড়ায় সরকারের রাজস্ব আয়ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ৭৪ লাখ ৯৪ হাজার ৮৯৩ টাকা থেকে বেড়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৮৭ লাখ ১৫ হাজার ৯৫৫ টাকায় এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৯৯ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪৮ টাকায় পৌঁছেছে।

এর আগে প্রান্তিক খামারিদের সুবিধার্থে সরকারি ভর্তুকিতে সাশ্রয়ী মূল্যে ডিম ও একদিনের বাচ্চা সরবরাহের লক্ষ্যে ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় নগরীর খুলশী আঞ্চলিক মুরগি খামার। মানসম্মত ডিম ও বাচ্চা দিয়ে ক্ষুদ্র খামারিদের আস্থা অর্জনের পাশাপাশি বছরে প্রায় কোটি টাকা রাজস্ব আয় করছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে বিপুল সম্ভাবনা থাকলেও জরাজীর্ণ অবকাঠামো, পুরোনো ফিড মিল ও জনবল সংকটে বর্তমানে ধুঁকছে সরকারি এই খামার। এতে স্থানীয় ক্ষুদ্র খামারিদের চাহিদার সিকিভাগও মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। দেশে সরকারি পর্যায়ে ঢাকার মিরপুরে একটি কেন্দ্রীয় মুরগির খামার রয়েছে।

আর আঞ্চলিক খামার আছে মাত্র দুটি-তা হলো চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে। খুলশীর এ আঞ্চলিক খামারে মিসরীয় ‘ফাওমি’ এবং আমেরিকান ‘রোড আইল্যান্ড রেড’ (আরআইআর) জাতের মুরগির একদিনের বাচ্চা উৎপাদন করা হয়। এর মধ্যে বাজারে ফাওমি জাতের মুরগির চাহিদা বেশি। খামারে উৎপাদিত বাচ্চা সীতাকুণ্ড, নোয়াখালী, কুমিল্লা, সিলেট ও রাঙামাটির সরকারি মুরগির খামারে সরবরাহ করা হয়। সেখানে দুই মাস পালনের পর সেগুলো ক্ষুদ্র খামারিদের কাছে বিক্রি করা হয়। সরকারি খামারগুলোতে দেওয়ার পর যেসব বাচ্চা বাকি থাকে, তা প্রতি রবিবার খুলশী আঞ্চলিক মুরগী খামার থেকে সরাসরি ক্ষুদ্র খামারিদের কাছে বিক্রি করা হয়। আর বাচ্চা ফোটানোর পর উদ্বৃত্ত ডিম প্রতি সপ্তাহের সোমবার সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করা হয়। একদিনের বাচ্চা নেয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আবেদন ফরমে আবেদন করতে হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই খামারে চার হাজার ৫০০টি লেয়ার মুরগি আছে। এর মধ্যে প্রতিদিন গড়ে দুই হাজার ২০০ মুরগি ডিম দেয়। বাজারদরের চেয়ে অর্ধেক দামে, মাত্র ৮ টাকা পিস হিসেবে এখানে ডিম বিক্রি হয়। অন্যদিকে, একদিনের প্রতিটি মুরগির বাচ্চার দাম বছরের নয় মাস রাখা হয় ১৫ টাকা। তবে শীতকালে (নভেম্বর থেকে জানুয়ারি) মুরগির চাহিদা ও উৎপাদন দুটোই কম থাকায় তখন বাচ্চার দাম রাখা হয় ১২ টাকা।

আঞ্চলিক মুরগি খামারের উপ-পরিচালক ডা. সৈয়দ মোহাম্মদ ওয়ারেস কামাল জানান, ক্ষুদ্র খামারিদের ডিম ও একদিনের বাচ্চার যে বিপুল চাহিদা রয়েছে, তার সিকিভাগও তারা পূরণ করতে পারছেন না। তিনি বলেন, খামারে জনবল সংকট প্রকট। বর্তমানে যারা শেড অনুযায়ী টেকনিক্যাল কাজগুলো করছেন, তারা আগামী ছয় মাসের মধ্যে অবসরে চলে যাবেন। নতুন করে জনবল নিয়োগ না হলে খামার চালানোই কঠিন হয়ে যাবে। তার মতে, দ্রুত শূন্য পদে জনবল নিয়োগ, পুরোনো শেড সংস্কার এবং আধুনিক ফিড মিল স্থাপন করা হলে খুলশীর এই সরকারি খামারের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব।

দিনাজপুরে রাতের আঁধারে ৬ শত শিমগাছ কেটে ফেলেছে দুবৃত্তরা, কৃষক হাফিজুলের মাথায় হাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে রাতের আঁধারে এক কৃষকের প্রায় ৬শত শিমগাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। এতে আনুমানিক ৩ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক হাফিজুল ইসলাম (৫০)। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোররাতে উপজেলার ৭ নম্বর দাউদপুর ইউনিয়নের মালদহ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে, এনিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক হাফিজুল ইসলাম জানান, তিনি অনেক আশা নিয়ে ২৫ শতাংশ জমিতে ৬ শত শিমগাছ চাষ করেছিলেন। ফসল ফলানো পর্যন্ত তাঁর প্রায় ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। গাছগুলোতে ইতিমধ্যেই বেশ ভালো ফলন এসেছিল। বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী শিমগুলো বাজারজাত করতে পারলে প্রায় ৩ লাখ টাকার মতো বিক্রি হতো। এই ফসল বিক্রি করে পরিবারের আর্থিক চাহিদা মেটানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই কে বা কারা তাঁর সেই স্বপ্ন ও দীর্ঘদিনের হাড়ভাঙা পরিশ্রম কেটে ধূলিসাৎ করে দিয়েছে।

ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা শরিয়ত ইসলাম বলেন,একজন কৃষক অনেক কষ্ট ও পরিশ্রম করে মাঠে ফসল ফলান। রাতের আঁধারে এভাবে ফলন্ত গাছ কেটে ফেলা অত্যন্ত বর্বরোচিত ও দুঃখজনক। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানাই। অন্য এক স্থানীয় বাসিন্দা রাহেনা বেগম বলেন,কৃষকের ফসলই তাঁর আয়ের একমাত্র উৎস। এমন অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস জানান, উপজেলার মালদহ গ্রামে কৃষক হাফিজুল ইসলামের শিমগাছ কেটে ফেলার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ