জড়িতদের মধ্যে ৭ জন শনাক্ত: সিএমপি কমিশনার চট্টগ্রামে আইনজীবী আলিফ হত্যায় আটক-২০

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনায় আটকদের মধ্যে ৭ জনের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ। বুধবার (২৭ নভেম্বর) চট্টগ্রামের সার্কিট হাউজে একটি অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ৩৩ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৭ জনের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে চট্টগ্রামের তরুণ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার সঙ্গে জড়িত পাঁচ জনসহ অন্তত ২০ জনকে আটক করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে ঘটনার পর থেকে বুধবার মধ্যরাত পর্যন্ত নগরীর পাথরঘাটা মাথার পট্টি, আন্দরকিল্লা, হাজারী গলি এলাকা অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুল কাদের।
চট্টগ্রামে সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও বহিষ্কৃত ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীর জামিন নামঞ্জুর হওয়াকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিক্ষুব্ধ জনতার ত্রিমুখী সংর্ঘষে নিহত হয়েছেন সাইফুল।
এদিকে, দিনভর সংঘর্ষের ঘটনায় রাত ১০টার পর থেকে নগরজুড়ে চলছে যৌথ বাহিনীর অভিযান। তবে মঙ্গলবার রাতে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম হত্যার বিষয়ে কোনো মামলা হয়নি বলে জানায় পুলিশ।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নাজিম উদ্দিন জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় নিহত আইনজীবী সাইফুলের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর সকাল ১০টায় আদালত প্রাঙ্গণে তার প্রথম নামাজে জানাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে বেলা ১১টায় নগরীর জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ মাঠে দ্বিতীয় দফা এবং বাদ আসর গ্রামের বাড়ি লোহাগাড়ায় তৃতীয় দফা জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে, আজ বুধবার ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীর চট্টগ্রাম আদালতের জামিন শুনানির কথা থাকলেও তরুণ আইনজীবী সাইফুল হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে আদালত বর্জনের ডাক দিয়েছে জেলা আইনজীবী সমিতি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কাঁচপুরে ভাঙারি ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী হত্যা: ২৪ ঘণ্টায় রহস্য উদঘাটন, আসামির স্বীকারোক্তি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে লোমহর্ষক ভাঙারি ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী হত্যা মামলার মূল রহস্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামির মধ্যে শাহিনুর ইসলাম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

​গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কাঁচপুর সোনাপুর এলাকার পরিত্যক্ত জালালাবাদ ওষুধ কারখানার পেছনের ডোবা থেকে হাত-পা বাঁধা বস্তাবন্দী অবস্থায় আইয়ুব আলীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতের স্ত্রী মোসাঃ মাহফুজা আক্তার বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (‘খ’ সার্কেল) দিপংকর ঘোষের নেতৃত্বে সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই

ঘটনার মূল রহস্য উন্মোচন করে। ​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পূর্বপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও টাকার লোভ দেখিয়ে সহযোগী শাহীনের মাধ্যমে আইয়ুব আলীকে ভাঙারি দোকানে ডেকে আনা হয়। এরপর অত্যন্ত সুকৌশলে তাকে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হল
​১. শাহিনুর ইসলাম (৩০): পিতা- মানিক মিয়া, সাং- মাস্টারপাড়া, থানা- নাগেশ্বরী, জেলা- কুড়িগ্রাম; বর্তমান ঠিকানা- কাঁচপুর উত্তরপাড়া (আলতু মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া)। তিনি আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

জামির হোসেন (৫৭): পিতা- মৃত ছাহাদ আলী, সাং- কাঁচপুর উত্তরপাড়া, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ।​পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ ​সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বাকি পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং ঘটনায় ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারে তাদের সাঁড়াশি অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অপরাধমূলক এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা অন্যান্য জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। ​

মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-আরাফাত -সাদ্দামসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

একই রায়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, এ মামলার তদন্ত শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৮ জুন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তারা। যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। একই দিন অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ