আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

আইনজীবি সাইফুল হত্যা : আসামীদের দ্রুত বিচারের দাবী বিএনপি নেতা লায়ন আসলাম চৌধুরীর

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় সংঘর্ষে নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলামের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব লায়ন মোঃ আসলাম চৌধুরী এসফিএ। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দেশবাসীকে শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান বিএনপি নেতা মোঃ আসলাম চৌধুরী।
তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে লাখো শহীদের মহান আত্মত্যাগ ও সহযোদ্ধা বীরঙ্গনাদের সম্মানের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের প্রিয় দেশ মাতৃকা প্রিয় বাংলাদেশ। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শত্রুর বুলেট খুঁজেনি কে মুসলিম, কে হিন্দু, কে খ্রিস্টান বা কে বৌদ্ধ। সে দিনের সেই রক্তের বন্যাতেও কেউ খুঁজে পায়নি কোন সাম্প্রদায়িকতার চিহ্ন।তাই চার মূল নীতির অন্যতম অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মান ছিল মহান স্বাধীনতা যুদ্ধেরে অন্যতম উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। অথচ, স্বাধীনতা যুদ্ধের ৫৩ বছর পরেও আমাদের দেশ মাতৃকাকে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাস্পে জ্বলতে দেখে সত্যিই অত্যন্ত মর্মাহত হচ্ছি। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মান প্রচেষ্টায় আমাদের এই দীর্ঘ পথচলায় হঠাৎ করেই দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের কালো থাবায় প্রিয় বাংলাদেশ আজ অগ্নিগর্ভে নিমজ্জিত।
বিশ্ব মিডিয়ায় আজ বাংলাদেশ তাঁর অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে মূছে দিয়ে উগ্র ধর্মান্ধ জঙ্গিবাদী মতাদর্শের দিকে পরিবর্তীত হচ্ছে।
আজ সারা বাংলাদেশ উত্তাল। ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী গ্রেপ্তার। চট্টগ্রামে তরুন আইনজীবি সাইফুল ইসলাম আলিফ কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি তরুন আইনজীবি হত্যা ও ঘটে যাওয়া অন্যান্য হত্যাকান্ডের সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক প্রকৃত দোষীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানাই।বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের প্রতিবেশি রাষ্ট্র ভারতেও বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছে। দিনদিন পরিস্থিতি ক্রমশঃ ঘোলাটে হচ্ছে। কিন্তু আমরাতো এমন বাংলাদেশ চাইনি। গত স্বৈরাচারী সরকারের সময় আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ৯ টি বছর জেলে কাটিয়েছি তো এমন বাংলাদেশ দেখার জন্য নয়।
প্রিয় দেশবাসী আপনাদের অত্যন্ত বিনয়ের সহিত বলতে চাই, প্রতিটি পরিবারে বাবা মায়ের নিকট তাদের প্রতিটি সন্তান যেমন সমান অধিকার ভোগ করে থাকে একটি রাষ্ট্রের কাছেও প্রত্যেকটি ধর্মের লোক সমান অধিকার ভোগ করবে এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। কোন ধর্মীয় জাতীয়তাবাদে নয়, বাংলাদেশরে প্রতিটি নাগরিক পরিচিত হবেন বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে। এটিই অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মানের মূলমন্ত্র। বাংলাদেশের প্রিয় মুসলিম ভাইদের উদ্দেশ্যে বলছিঃ পবিত্র কুরআনের সূরা আল মায়িদাহ ইরশাদ হচ্ছে, হে মুমিনগণ! নিজেদের ধর্ম নিয়ে অযথা বাড়াবাড়ি করো না। আর (ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করে) তোমাদের আগে যারা নিজেরা পথভ্রষ্ট হয়ে ও অন্যদের পথভ্রষ্ট করে সহজ-সরল পথচূত্য হয়েছে, তাদের পথ অবলম্বন করো না, (আয়াত-৭৭)।
এছাড়াও সূরা বাকারার ২২৯ নাম্বার আয়াতে বলা হয়েছে, এটি আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখা। সুতরাং সেটি অতিক্রম করো না। যারা অতিক্রম করে, তারাই প্রকৃত জালেম (সীমা লঙ্গনকারী)।
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি প্রসঙ্গে বোখারী শরীফে আবু হুবায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত হাদিসে উল্লেখ আছে, নবীজি বলেছেন,- আল্লাহর দ্বীন (ধর্ম) খুব সহজ। কেউ এই দ্বীনকে কঠিন করে তুললে সেটা তার উপরেই চেপে বসবে। তাই সবসময় সঠিক পন্থা অবলম্বন করো।
মুসলিম শরীফে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিত হাদিসে বলা হয়েছে, নবীজি হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, (তোমরা ধর্ম নিয়ে বাড়াবড়ি করো না)। অতীতে ধর্মচর্চা নিয়ে যারা বাড়াবাড়ি করেছে. তারা নিহত ও ধ্বংস হয়েছে। নবীজি হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) (সাঃ) তিনবার এই কথা পুনরাবৃত্তি করেন।
সুতরাং প্রিয় মুসলমান ভাইয়েরা, আমরা যদি সত্যিকার অর্থে মুসলিম হিসাবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই তাহলে আমাদেরকে অবশ্যই পবিত্র কুরআন ও হাদিসের বিধিবিধান মেনে চলতে হবে। উগ্র সাম্প্রদায়িকাতাকে পূজি করে একটি পক্ষ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। দিন শেষে মনে রাখবেন, এই বাংলাদেশ আপনার, আমার ও সকলের। সকল ধর্মের, সকল বর্নের ও সকল জাতির, হোক সে পাহাড়ি কিংবা বাঙালি। নিজের ঘর অশান্ত করে কেউ সুখে থাকতে পারে না। অন্যের প্ররোচনায় নিজের ঘর অশান্ত করার চেষ্টা কারো থেকেই কাম্য নয়। এতে কেউ ভাল থাকতে পারবেন না ৷
তাই দেশের প্রতিটি নাগরিক তার একান্তই নিজের দায়িত্ববোধ, কর্তব্যবোধ ও বিবেককে জাগ্রত করে প্রিয় দেশ মাতৃকাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনার উন্নত বাংলাদশে বিনির্মান প্রচেষ্টায় এগিয়ে নিয়ে যাবার যুদ্ধে আমাদের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। গভীর দেশপ্রেম ব্রত নিয়ে সকলকে ধৈর্য্য ধারন করার আহ্বান করছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ