আজঃ সোমবার ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের সার্বিক তত্বাবধানে দুই সাপ্তাহব্যাপী কার্যক্রম শেষে বিদায় নিল অরবিস উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  • পাহাড়তলীস্থ চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি) এর সার্বিক তত্বাবধানে চট্টগ্রামে ৫ম বারের মত আসা অরবিস উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল দুই সাপ্তাহের প্রশিক্ষণ শেষে বিদায় নিয়েছে। এ উপলক্ষে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের ইমরান সেমিনার হলে ২৮ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠনে অংশগ্রহন করেন অরবিস উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক, অপটোমট্রেস্টি, নার্স, টেকনিশিয়ান, কর্মকর্তাসহ ৫০ জন। উপস্থিত ছিলেন, সিইআইটিসি’র প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন, অরবিস উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতালের পরিচালক মরিস গ্যারি, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আলমগীর, দৈনিক পূর্বকোণ পত্রিকার প্রকাশক ও পরিচালনা সম্পাদক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, অরবিস ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনির আহমেদ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, আজীবন সদস্য, চিকিৎসক, অপটোমেট্রিস্ট, নার্স,কর্মকর্তাসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
    প্রারম্ভিক বক্তব্য রাখেন, উড়োজাহাজে স্থাপিত বিশ্বের একমাত্র সম্পূর্ণ স্বীকৃত চক্ষু চিকিৎসাশিক্ষা ও সার্জিক্যাল হাসপাতাল অরবিস উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল কার্যক্রমের আহবায়ক অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জমান ওসমানী। বক্তব্য রাখেন, আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন, অরবিস উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতালের পরিচালক মরিস গ্যারি, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক ক্যাপ্টেন শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আলমগীর, অরবিস ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনির আহমেদ প্রমূখ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সিইআইটিসি’র মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. রাজীব হোসেন।
  • অনুষ্ঠানে অরবিস উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতালের পরিচালককে ক্রেষ্ট ও উপহার তুলে দেন ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন। অন্য ৪৯ জন অরবিস উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, টেকিনিশিয়ান, কর্মকর্তাকে সিইআইটিসি’র পক্ষ থেকে উপহার তুলে দেয়া হয়।
    অনুষ্ঠান সিইআইটিসি’র প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন ভবিষ্যতে চক্ষু চিকিৎসা কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যহত রাখার জন্য অরবিস কর্মকর্তাদের আহবান জানান। সিইআইটিসি’র প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সব সময় এ ধরণের কার্যক্রমে অরবিসের সাথে কাজ করবে। তিনি অনুষ্ঠান সফল সমাপ্তির জন্য আয়োজকদের প্রশংসা করেন।
    অরবিস উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল কার্যক্রমের আহবায়ক অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জমান ওসমানী বলেন, অরবিস উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতালের পাশাপাশি হাসপাতাল ভিত্তিক বিভিন্ন ধরণের চক্ষু চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম আরো জোরদার করলে একটা সম্বলিত ভালো ফলাফল আসবে।
    অরবিস উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতালের পরিচালক মরিস গ্যারি বলেন, আমি অরবিস উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে পর পর কয়েকবার চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এসেছি। প্রতিবার লক্ষ্য করেছি হাসপাতালের ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের নেতৃত্বে সম্পূর্ণ টিম খুবই আন্তরিকতার সহিত যার যার দায়িত্ব পালন করেন। ফলে আমাদের পক্ষে খুব ভালো মানের একটা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা সহজ হয়।
    চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক ক্যাপ্টেন শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আলমগীর বলেন, আমাদের স্বাভাবিক কার্যক্রমের পাশাপাশি এ ধরণের উন্নতমানের সামাজিক কার্যক্রমকে স্বাগত জানাই এবং সব ধরণের সহযোগিতা প্রদান করতে চেষ্টা করি। তিনি অরবিস আবারো বাংলাদেশে আসার আশা রাখেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুষ্টিয়ায় পীর শামীম হত্যা, মামলা করতে আগ্রহী নয় পরিবার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দরবার শরিফে হামলা ও পীর আব্দুর রহমান শামীম (৬৫) হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছে নিহতের পরিবার। মামলার পেছনে ‘দৌড়ঝাঁপ’ করার সামর্থ্য নেই উল্লেখ করে পরিবারের সদস্যরা সম্মিলিতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে শামীমের বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক ফজলুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রোববার বিকেলে দাফনের পর রাতে পরিবারের সদস্যরা বসেছিলাম। সেখানে পুলিশ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা মামলার জন্য বারবার বলেছেন ৷ কিন্তু আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ওই পথে না হাঁটার।এর আগে রোববার ১০টার দিকে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, মামলার জন্য তার পরিবারের সদস্যরা আসবেন। আমরা অপেক্ষায় আছি।

এ বিষয়ে সকালে পুনরায় জানতে চাইলে ওসি আরিফুর রহমান বলেন, উনারা মামলা করবেন না, এমন কিছু শুনিনি। আজকে তাদের আসার কথা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকায় শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ‘শামিম বাবার দরবার শরিফ’ নামে এক ‘পীরের’ আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

এসময় হামলাকারীরা পিটিয়ে ও কুপিয়ে ওই দরবারের প্রধান আব্দুর রহমান ওরফে শামিম ওরফে জাহাঙ্গীরকে (৬৫) হত্যা করে। হামলায় আরও তিন অনুসারী—মহন আলী, জামিরুন নেছা ও জুবায়ের—আহত হন।

বোয়ালখালীতে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে অনুষ্ঠিত ৪৭তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা সারোয়াতলী পূর্ণচন্দ্র সেন উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী কাঞ্চি চৌধুরী ও নূরে আজরা এই উদ্ভাবনী প্রজেক্ট তুলে ধরে স্টলে।
চালকের চোখে তন্দ্রা এলে জাগিয়ে দেবে ‘চশমা’!
বোয়ালখালীতে বিজ্ঞান মেলায় দুই শিক্ষার্থীর উদ্ভাবন
চালকের চোখে তন্দ্রা এলে জাগিয়ে দেবে ‘চশমা’

দীর্ঘ পথ চলতে গিয়ে গাড়ি চালকের চোখে তন্দ্রা এলেই জাগিয়ে দিবে ‘চশমা’। এতে রক্ষা পাবে জানমালের। প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনার খবরে এমন এক প্রযুক্তির চশমা তৈরি করেছে ক্ষুদে দুই বিজ্ঞানী।

রবিবার (১২ এপ্রিল) ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন এ মেলার আয়োজন করে। মেলায় ১৯টি স্টলে শিক্ষার্থীরা তাদের বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রজেক্ট প্রদর্শন করে। শিক্ষার্থী কাঞ্চি চৌধুরী ও নূরে আজরা জানায়, চশমাটি তৈরি করতে এক হাজার টাকা খরচ পড়বে। ‘ইন্টিগ্রেটেড সিকিউরিটি সিস্টেমে’ তৈরি এ চশমা চালক তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ার দুই সেকেন্ডের মধ্যে জাগিয়ে দিবে। এরপরও যদি চালক না জাগে তাহলে গাড়ির গতি কমিয়ে অটোমেটিক ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাবে।

আজগর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৃজন চৌধুরী এবার প্রজেক্ট প্রদর্শন করে ‘এগ্রো নোভা’। যা দিয়ে কৃষক তার জমিতে সেচের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানতে পারবে। একই প্রজেক্ট দিয়ে জানা যাবে ফসলের গুণগত মান। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সালমা ইসলাম বলেন,‘উদ্ভাবন নির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে এবারের আয়োজন। বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী আইডিয়াগুলো দেশের কল্যাণে কাজে লাগবে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা বলেন, ‘স্টলগুলোতে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রজেক্টগুলো এক কথায় অসাধারণ। তারা দেশের সমস্যা সম্ভাবনাকে নিয়ে ভাবছে। শিক্ষার্থীদের নব নব উদ্ভাবনী চেতনা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ুক। সকাল ৯ টায় শুরু হয়ে দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক। এইদিন ১০ম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

আলোচিত খবর

পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত ৩১ জন নাবিকের হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ ৪০ দিন আটকে থাকার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে আবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার পথে রয়েছে।বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কূটনৈতিকভাবে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় শারজায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের সক্ষমতা থাকলেও ইঞ্জিন চালু রাখতে হওয়ায় রেশনিং করে পানির ব্যবহার দৈনিক ৬ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে জনপ্রতি দৈনিক খাবারের বরাদ্দ ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসিক বেতনের সমপরিমাণ ওয়ার অ্যালাউন্স দেওয়া হচ্ছে।

বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। টানা প্রায় ৪০ ঘণ্টা যাত্রা শেষে শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে ইরান সরকারের কাছে পারাপারের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে তেহরান সেই অনুমতি দেয়নি। ফলে জাহাজটিকে ঘুরিয়ে নিরাপদে শারজায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতার থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছে। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ১১ মার্চ জেবেল আলীতে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে নতুন পণ্য বোঝাইয়ের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসসি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ