আজঃ সোমবার ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

থ্রি মিলিয়ন ক্লাবে প্রবেশ করেছে চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং

নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি বছর রেকর্ড হতে পারে সাড়ে ৩২ লাখ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং থ্রি মিলিয়ন ক্লাবে প্রবেশ করেছে। চলতি বছরে চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং ৩০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। গত ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের মোট কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ২৯ লাখ ৯২ হাজার ৫৩২ টিইইউস। পরদিন ১ ডিসেম্বর সেটি ৩০ লাখ ৪ হাজার ৩৮৬ টিইইউস ছাড়িয়ে যায়। এর মাধ্যমে কনটেইনার হ্যান্ডলিং থ্রি মিলিয়ন ক্লাবে প্রবেশ করেছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের হিসেব অনুযায়ী চলতি বছরের জানুয়ারিতে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৩৬২, ফেব্রুয়ারিতে ২ লাখ ৪৫ হাজার ২৬, মার্চে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৫৭৪, এপ্রিলে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৩৬৯, মে মাসে ৩ লাখ ১৯৩, জুনে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৭৭৩, জুলাইয়ে ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৩৫, আগস্টে ২ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯, সেপ্টেম্বরে ২ লাখ ৮৩ হাজার ৩২৪, অক্টোবরে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৩৮৯ এবং সদ্য বিদায়ী নভেম্বর মাসে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৩১৮ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয় চট্টগ্রাম বন্দরে।এদিকে, কার্গো পণ্য হ্যান্ডলিংয়েও চট্টগ্রাম বন্দর এগিয়ে রয়েছে। গত ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে কার্গো পণ্য হ্যান্ডলিং হয়েছে ১১ কোটি ২৭ লাখ ৯৩ হাজার ৩৩৭ মেট্রিক টন। এসময় পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দর মোট ৩ হাজার ৫২৬টি জাহাজ হ্যান্ডলিং করেছে। বছর শেষ হলে কনটেইনার, কার্গো ও জাহাজ হ্যান্ডলিংয়ের প্রবৃদ্ধি আগের বছরকে ছাড়িয়ে যাবে।
জানা গেছে, চলতি বছরের পুরো হিসেব করতে হলে চলতি ডিসেম্বর মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত আরো ৩০দিন বাকি রয়েছে। তাই বন্দর কর্তৃপক্ষের ধারণা এ বছর বন্দরের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের রেকর্ড হতে পারে। যা সাড়ে ৩২ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এর আগে বন্দরের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি হ্যান্ডলিং হয়েছিল ২০২১ সালে ৩২ লাখ ১৪ হাজার ৫৪৮ একক।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের হিসেব করা হয় সকাল ৮টা থেকে পরদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত। সে হিসেবে গত ২ তারিখ সকাল ৮টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দর ৩০ লাখ ৪ হাজার ৩৮৬ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করে ফেলেছে। এখন পর্যন্ত পুরো ডিসেম্বর মাস পড়ে রয়েছে। আর গড়ে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৮ হাজারের বেশি কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়। অর্থাৎ বছর শেষে এবার ২০২৪ সালে সাড়ে ৩২ লাখ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের রেকর্ড হতে পারে। যা হবে ইতিহাসের সর্বোচ্চ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দুপক্ষের মধ্যে সংঘাতের আশংকা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মিরসরাইয়ে পাশ্ববর্তি জমি দখল করে ভবন নির্মান ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মিরসরাইয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাশ্ববর্তি জমির একাংশ দখল করে ভবন নির্মানের অভিযোগ গনমাধ্যমকর্মীদের জানান জনৈক ভুক্তভোগী । পৌরসভার এস রহমান স্কুল রোডে এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘাতের আশংকা ও উত্তেজনা পরিলক্ষিত হয়। ভুক্তভোগী নিজাম উদ্দিন ( ৫২) গনমাধ্যমকর্মীদের জানান তাঁর বিএস ২৪১৭ নং খতিয়ান হতে ৫ শতাংশ জমি তিনি মাহবুবুল আলম ( ৪০) এর কাছে বিক্রি করেছিলেন। কয়েক মাস পূর্বে তিনি হজ্বে থাকাকালীন সময় উক্ত ব্যক্তি মাপজোকের সীমানা পিলার ফেলে দিয়ে

আমার অবশিষ্ট জায়গার বৃহৎ অংশ দখল করে ফাউন্ডেশান দিয়ে ঘর নির্মান শুরু করে। আমি এসে বিষয়টি দেখতে পেয়ে মাপজোক করে সমাধানের প্রস্তাব দিলে তিনি মাফ জোক করে আমার জমির মূল্য পরিশোধ না করে আবারো জোরপূর্বক ২য়তলার ও ছাদ দিয়ে ফেলে। অবশেষে আমি চট্টগ্রাম জর্জকোর্টের অতিরিক্ত ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে এই বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থার আবেদন করিলে আদালত মিরসরাই থানার মাধ্যমে গত ৬ জানুয়ারী থেকে উক্ত স্থানে ১৪৫ধারা জারি করে স্থিতিঅবস্থার নির্দেশ দেয় । কিন্তু এরপরও উক্ত ব্যক্তি আরো দ্রুত নির্মান কাজ অব্যাহত রাখে।

গত শুক্রবার (১৬ জানুয়ারী ) রাতে এবার তড়িঘড়ি করে ৩ তলার ছাদ দিয়ে ফেলে। এই বিষয়ে অভিযুক্ত আলাউদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন স্বীকার করছি আমার অনুপস্থিতিতে কিছু জায়গা এদিকে বেশী চলে এসেছে। আমি সকলের বিচারে এখন মূল্য দিয়ে দিতে চাই। তবে ভুক্তভোগি নিজাম উদ্দিন জানান তিনি দাম দিবেন বলে ও দিচ্ছেননা বৈঠকেও বসছেন না জোরপূর্বক দখল করতে চাইছেন আমার জমি।
এদিকে এই বিষয়ে আশেপাশের কয়েকজন প্রত্যক্ষর্শী জানান উক্ত জমি ও নির্মান কাজ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ পরিলক্ষিত হচ্ছে যা থেকে বড় ধরনের সংঘাতের আশংকা রয়েছে।

এই বিষয়ে উক্ত উক্ত অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা মিরসরাই থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই শাহিন আহমেদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা উভয় পক্ষকে শান্ত থেকে সমাধান করার জন্য এবং সমাধান পর্যন্ত চলমান কাজ না করার নির্দেশনা দিয়েছি। আবার আদালতের নির্দেশনায় স্থিতি ও শান্তি শৃংখলা রক্ষার চেষ্টা করছি।

এনসিপি কর্মীর ওপর হামলা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা। চন্দনাইশ উপজেলায় জাতীয় এনসিপির দুই নেতাকর্মীর ওপর হামলার অভিযোগে শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তারা বিক্ষোভ করে।

বিক্ষোভ চলাকালে এনসিপি এ হামলার জন্য চন্দনাইশে বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদ ও তার অনুসারীদের দায়ী করেছে।এনসিপি নেতাদের অভিযোগ, গত ১৬ জানুয়ারি রাতে উপজেলার বদুরপাড়া এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, আহত অবস্থায় দুই নেতাকে গত শুক্রবার রাত ১১টার দিকে চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতরা হলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির নির্বাহী সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ও দলের কর্মী মঈন উদ্দীন মাহিন।

হাসপাতালে এনসিপির নেতাকর্মীরা পুলিশ ও সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, তারা পটিয়া থেকে চন্দনাইশে তাদের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে ১০-১২ জনের একদল দুর্বৃত্ত তাদের গতিরোধ করে। এ সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হামলাকারীরা তাদের মুখ চেপে ধরে ছুরিকাঘাত ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন।

এনসিপি নেতাকর্মীরা এই ঘটনার জন্য বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদকে দায়ী করেছেন। ধনাঢ্য ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন আহমেদ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগ সরকার এবং তৎকালীন একজন আইজিপির ঘনিষ্ঠ হিসেবে চট্টগ্রামে আলোচিত ছিলেন। ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের একাংশের ‘সমর্থনে’ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

গত ১৩ জানুয়ারি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলন করে জসিমকে ‘খুনি ও স্বৈরাচারের দোসর’ উল্লেখ করে তার প্রার্থীতা বাতিলের দাবি করে। এদিকে হামলার প্রতিবাদে শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া কলেজের সামনে এনসিপির নেতাকর্মীরা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় প্রায় আধা ঘণ্টা মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।

চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইলিয়াছ খান বলেন, বিষয়টি জানতে পেরেছি। তবে এখনও থানায় কেউ লিখিত কোনো অভিযোগ করেনি। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। বিকেলে কিছু নেতাকর্মী মহাসড়কে বিক্ষোভ করেছিল। পরে আমরা তাদের বুঝিয়ে সরিয়ে দিয়েছি।

আলোচিত খবর

নতুন রাজনৈতিক মুভমেন্ট এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা এই পাঁচ মূলনীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন-এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।আজ ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল চারটায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্ল্যাটফর্মটির ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘোষণা করা হয়।

কাউন্সিলের মুখপাত্র হয়েছেন ফেরদৌস আরা রুমী, নাজিফা জান্নাত ও তুহিন খান। তারা একেকজন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পালাক্রমে এই দায়িত্ব পালন করবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অনার্য মুর্শিদ, অনিক রায়, অনিকেত চার্বাক, অনিন্দ্য পন্ডিত, অনিরুদ্ধ রতন দাস, অনুপম সৈকত শান্ত, অপু সাহা, অমর্ত্য রায়, অলিউর সান, অলিক মৃ, আফজাল হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক, আদ্রিতা কবির, আলমগীর কবির মিথুন, আসাদ রেহমান, আশিকুর রহমান অনিক, আহমেদ আন-নাবা, ইমতিয়াজ নাদভী, ইরফান আহমেদ, ইলোরা সুলতানা, ঋভু রহমান, কাওসার শাকিল, কাওসার হামিদ, কে এম সুফিয়ান, কৌশিক আহমেদ, খালিদ হাসান আলো, জাকারিয়া হোসেইন, জান্নাতুল মাওয়া আইনান, জাহিদ জামিল, জাহিদ হোসেন ইনকিয়াদ, টিপু গোস্বামী, তসলিম আহমেদ, তাসলিমা মিজি, তাহমীদুর আর চৌধুরী, তাহসিন আহমেদ অমি, নজরুল ইসলাম, নাজমুল আহমেদ, নাফিসা রায়হানা, নাশাদ ময়ুখ, নাসিরউদ্দিন টগর, নিসর্গ নিলয়, নীলা চাকমা, নূমান আহমাদ চৌধুরী, পারভেজ আলম, পুন্নি কবির, ফজলে রাব্বী খান তাজ, ফয়জুল্লাহ আনান, ফরহাদ নাইয়া, ফারিয়া জামান নিকি, ফেরদৌস আরা রুমী, বাকী বিল্লাহ, বিনয় আমিন, মঈনুল ইসলাম শুদ্ধ, মনোয়ার হোসেন নাইম, মাঈন আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মারুফ বিল্লাহ তন্ময়, মাসুদ রানা, মিম আরাফত মানব, মিতা নাহার, মীর মোকাররম শুভ, মীর হুযাইফা আল-মামদূহ, মুকুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, মো. হাসিব, মোশফেক আরা শিমুল, মোহন বড়ুয়া, রঞ্জন কুমার দে, রহমত উল আলম, রাজীব চক্রবর্তী সুকান্ত, রাফসান আহমেদ, রাশেদুল কবীর রাফি, রাহাত মুস্তাফিজ, রাহুল দাস, রিয়াদুস সালেহীন জাওয়াদ, রেজওয়ান আমীন, রেজাউর রহমান রিন্টু, রৌদ্র তাপসী, শর্মী হোসেন, শামীম আরা নীপা, শেখ ফাতেমা খায়রুন, সমির সরকার, হাসান ইকবাল সজীব, সমির সরকার, সজীব তানভীর, সাখাওয়াত ফাহাদ, সাদ আহমেদ, সাদিক মোহাম্মদ আলম, সামি মোহাম্মদ, সালেহ রাব্বি, সেতু আরিফ, সৈয়দা নীলিমা দোলা, সোনিয়া আফরোজ যুথী, সৌরভ দেব, হাবিব ইমরান জনি, হাসান সালিহি এবং হাসান সোলাইমান।

নতুন মাত্রায় এফ্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে: সর্বস্তরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সাম্য ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, সংবিধান সংস্কার, মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সংস্কার এবং অর্থনৈতিক রূপান্তর।এসময় স্বাগত বক্তব্যে কাউন্সিলের সদস্য অনিক রায় বলেন- আমরা রাজনীতিকে কেবল ভাবাদর্শিক লড়াইয়ে পরিণত করতে চাই না। আবার ওয়েলফেয়ারের নামে পেট্র-ক্লায়েন্ট ভিত্তিক রাজনীতিও আমাদের লক্ষ্য নয়। আমরা চাই রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের একটি মৌলিক রূপান্তর। আমরা চাই একটি মানবিক রাষ্ট্র, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ন্যায্য অর্থনীতি এবং সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন।তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি পুঁজির গণতান্ত্রিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই পারে এই দেশকে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে। এই কারণেই আমরা বলছি আমাদের পথ একটি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, সামাজিক গণতন্ত্রের আন্দোলন। এটি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয় বরং সমাজকে সুসংহত ও গণতান্ত্রিক করে তোলা এবং মানুষের আত্মসামাজিক মুক্তি নিশ্চিত করার সংগ্রাম। যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি ন্যায্য ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ