দুবাই বাংলাদেশ মিশনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখার আহবান

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সার্ক অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর পথ চলার ৪০ বছরে পদার্পণ ও পূর্তি উপলক্ষে সার্ক সাংবাদিক ফোরাম সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্যোগে ১১ ডিসেম্বর বুধবার রাতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দক্ষিণ উপমহাদেশের ৮টি দেশের মধ্যে আর্থিক, সামাজিক, মানবিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরো জোরদার করতে ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর সার্ক নামের এই সংগঠনের পথ চলা শুরু হয়। সংগঠনের মাধ্যমেই বাংলাদেশ ভারতের পানি চুক্তি সহ মালদ্বীপ ও মায়ানমারের সাথে দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে বাংলাদেশ আরো এগিয়ে যায়।
উপস্থিত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকতা শুধু নামে নয় কাজে তা প্রমাণ করাই প্রকৃত সাংবাদিকদের কাজ হওয়া উচিত। কে পেশাধারী কে পেশাধারী না তা প্রমাণ হয় তার কাজের মাধ্যমেই। বাংলাদেশ মিশন হওয়া উচিত সকলের জন্যে সমান, কাউকে প্রাধান্য দিয়ে নিজেদের অপরাধ ঢাকার পথ সহজ করতে গেলে তা হতে দেয়া হবে না বলে হুশিয়ার করে দেন সাংবাদিকরা।
আমিরাতের বাণিজ্যিক নগরী দুবাইস্থ একটি হোটেলে সার্ক সাংবাদিক ফোরাম আরব আমিরাতের সভাপতি, চ্যানেল এস ও ভোরের ডাক আরব আমিরাত প্রতিনিধি এম সামসুর রহমান সোহেল (আরবি)’র সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মুন্না খান এর সঞ্চালনায়, উপস্থিত ছিলেন সময় সংবাদ আরব আমিরাত প্রতিনিধি, ও প্রেস ক্লাব আরব আমিরাতের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শিবলি আল সাদিক, এসএ টিভি আমিরাত প্রতিনিধি, বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ইউনিটি আরব আমিরাত সভাপতি সিরাজুল হক, দিপ্ত টিভি আরব আমিরাত প্রতিনিধি, বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ইউনিটি আরব আমিরাতের উপদেষ্টা মাহবুব হাসান হৃদয়, ডিবিসি নিউজ আমিরাত প্রতিনিধি ও প্রবাসী সাংবাদিক সমিতি আরব আমিরাত সভাপতি সাইফুল ইসলাম তালুকদার, সি প্লাস আমিরাত প্রতিনিধি, বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ইউনিটি আরব আমিরাতের সিনিয়র সহ সভাপতি সঞ্জিত কুমার শীল।
আরো উপস্থিত ছিলেন দৈনিক পূর্বকোন আরব আমিরাত প্রতিনিধি, প্রবাসী সাংবাদিক সমিতি আরব আমিরাতের সিনিয়র সহ সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম উদ্দিন আকাশ, , স্বদেশ বিচিত্রা’র নিজস্ব প্রতিনিধি, সার্ক সাংবাদিক ফোরাম আরব আমিরাতের সহ সভাপতি সাগর চন্দ্র স্বপন, বায়ান্ন টিভি আমিরাত প্রতিনিধি ওবাইদুল হক মানিক, কিউটিভি বাংলা আমিরাত প্রতিনিধি, সার্ক সাংবাদিক ফোরাম আরব আমিরাতের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সারোয়ার উদ্দিন রনি, সংবাদ প্রতিদিন দুবাই প্রতিনিধি এম রিদওয়ান, বরিশাল বিভাগ কল্যাণ পরিষদ আরব আমিরাতের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহেদ ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ভাইয়া হাউজিং এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ সজিব, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর প্রমুখ।
সার্ক সাংবাদিক ফোরাম ও শুধু সার্ক অন্তর্ভুক্ত ৮টি দেশ নয় আমিরাতে অবস্থানরত সকল দেশের সাংবাদিকদের সমন্বয়ে এশিয়ার আঞ্চলিক সমস্যাগুলো তুলে ধরে তা বাস্তবায়নে এগিয়ে যেতে চায়, পাশাপাশি আমিরাতে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের যে কোন প্রকার সমস্যাদি এই সংগঠনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরতে সুবিধা হবে বলে মনে করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রীলঙ্কার একটি কারাগারে আবারও কয়েদিরা সংঘাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শ্রীলঙ্কার একটি কারাগারে আবারও কয়েদিরা সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছেন। এবারের ঘটনায় এখন পর্যন্ত একজন কয়েদি নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি সামলাতে কর্তৃপক্ষ সেনা মোতায়েন করেছে।

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত সাংগঠনিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফটিকছড়ি উপজেলা ‘ক’ জোনের আওতাধীন সকল শাখা কমিটিকে নিয়ে গত ৩১ জুলাই ২০২৬, রোজ শুক্রবার, সকাল ৯:০০টায় সাংগঠনিক সংলাপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ রেজাউল আলী জসিম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দিদারুল আলম।

এছাড়াও কেন্দ্রীয় পর্ষদের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেখ মজিবুর রহমান বাবুল, এস. এম. মোর্শেদুল আমিন, কাজী মোহাম্মদ নিজামুল ইসলাম, কাজী মোহাম্মদ হারেজ, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদিন জুলু, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আবুল হাসেম, মোহাম্মদ আমির খসরু এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শামসুল আলম। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা ‘ক’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাষ্টার দিদারুল আলম, মাষ্টার মনির উদ্দিন খোরশেদ, মোহাম্মদ আলমগীর আলম ও মোহাম্মদ আলাউদ্দিন;

‘খ’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মোহাম্মদ মাহাবুল আলম, মাষ্টার আহমদ হোসেন ও মোহাম্মদ শহিদুল; ‘গ’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাষ্টার কবির আহমদ, মোহাম্মদ নুরুল হুদা মেম্বার ও মোহাম্মদ আনিস উদ্দিন সোহেল; এবং ‘ঘ’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাষ্টার মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, মাষ্টার মোহাম্মদ আজিম উদ্দিন ও আক্তারুজ্জামান বাবর। অনুষ্ঠানে ফটিকছড়ি উপজেলা ‘ক’ জোনের আওতাধীন সকল শাখা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, প্রতিনিধিবৃন্দ, অতিথিবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে সাংগঠনিক কার্যক্রম, দাপ্তরিক নথিপত্র পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ সংগঠনের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধান অতিথি ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সংগঠনের আদর্শ, শৃঙ্খলা, দাপ্তরিক কার্যক্রমের মানোন্নয়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ