যথাযোগ্য মর্যাদায় ও উৎসবমুখর পরিবেশে চট্টগ্রামে বিজয় দিবস উদযাপিত

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মাধ্যমে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস ২০২৪ উদযাপিত হয়েছে।

বিজয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়েছে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ডিসি পার্ক এর দক্ষিণ পাশের্^ অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে। তোপধ্বনি শেষে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন প্রথমে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন, পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ আহসান হাবীব পলাশ, জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান তাদের নিজ কার্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

পরে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

সকাল ৮টায় বিভাগীয় কমিশনার নগরীর সার্কিট হাউসে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এসময় পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ আহসান হাবীব পলাশ, জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

পুষ্পস্তবক প্রদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চসিক মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, “স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন”। লক্ষ প্রাণের তাজা রক্ত ও মা, বোনের সম্ভ্রমহানির মাধ্যমে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা হয়েছিল। যে লক্ষ নিয়ে ৭১ সালে বিজয় অর্জিত হয়েছিল তার ধারাবাহিকতা আমরা রক্ষা করতে পারিনি। যার কারণে গণতন্ত্রের স্বাধীন যাত্রাপথে বার বার আমরা হোঁচট খেয়েছি এখনো খাচ্ছি। বিজয়ের ৫৩ বছর পার হয়েছে তবুও দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে এখনো সংগ্রাম করতে হচ্ছে। সে সংগ্রামের ফসল হচ্ছে ২০২৪ সালে জুলাইয়ের গণঅভ্যূত্থান। সুতরাং সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশিত বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত এবং সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্রে রূপান্তর করবো এই হোক আজকের প্রত্যাশা।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে আজকের এই বিজয় অর্জিত হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বৈষম্যমুক্ত চেতনায় ২০২৪ সালের এ গণঅভ্যূত্থান। সুতরাং বৈষম্য ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়া আজকের এ দিনে আমাদের প্রত্যাশা।

=০০=

————————–
সুব্রত/বাপ্পী/বাবুল/রাজ্জাক, ১১.৫৪টা ঘন্টা, ২০২৪।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নীরবতার ভাষা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নীরবতার ভাষা দূর্বলতা নয়
সাহসের অভাব নয়,
কখনো তা কষ্ট হজমের
নীরব অভিনয় ।

নীরবতার ভাষা হেরে যাওয়া নয়
থেমে যাওয়া নয়,
কখনো তা ব্যক্তিত্বের প্রকাশ
শান্তির পরশ বুলায় ।

নীরবতার ভাষা বোকামী নয়
জ্ঞানের অভাব নয়,
কখনো তা নম্রতার প্রকাশ
ধৈর্যের শিক্ষা দেয় ।

নীরবতার ভাষা ভুলে যাওয়া নয়
মায়ার বাঁধন ছিন্ন নয়,
নীরবতা মনের গভীরতা
জীবনের ফুল ফোটায় ।

রচনাকাল: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যা দেখি তা সত্য নয়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যে বোঝে সে খোঁজে
যে খোঁজে সে পায়
মানুষ যা জানে
তা গৌরবের কিছু নয় ,
যা জানেনা—
তা জানাই গৌরবময় ।

নিজেকে দেখা খুবই প্রয়োজন
কাঁচের আয়নায় বাহিরের প্রকাশ
হৃদয়ের আয়নায় ফোটে
ভিতরের প্রকাশ।

হৃদয়ের আয়নায় দেখি-
আমার অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ
আমার সফলতা ব্যর্থতা
আমার হৃদয়ের গভীরতা
আমার জীবনের অসারতা।

কাঁচের আয়নায় দেখি—
আমার বেঁচে থাকার আকুলতা
আমার অহংকার অন্ধত্বের বিশ্বাস
আমার অহংকার ক্ষণিকের গৌরবগাঁথা
আমার আমিত্বের প্রকাশ।

আমি সময়ের সারথি
আমি ক্ষণিকের পথযাত্রী
পথহারা নাবিকের প্রতিচ্ছবি,
আমি জানিনা বুঝিনা
দেখিনা অসীমের প্রতিচ্ছবি।

আমি বাহির দেখিয়া মজিয়া যাই
ভিতরের ছবি দেখিনা
আমি ভিরের সুন্দর খুঁজিতে চাই
বাহিরের রূপে মজিতে চাইনা ।

আমার দেখা খুবই প্রয়োজন—
আমার ভিতর বাহির
আমার উদয় অস্ত,
কোথায় আমার গতি
কোথায় আমার পরিনতি ।

আমি কিছুই জানিনা বুঝিনা
জ্ঞানের বদহজমে দিশেহারা,
আমি যা দেখি , তা সত্য নয়—
যা দেখিনা তাই সত্য
জীবনের আসল পরিচয় ।

রচনাকাল: ৩১ আগস্ট, ২০২৬

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ