আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ঢাকা,মতিঝিলে কৃষি ব্যাংকের সাবেক কর্মচারীকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাবেক এক কর্মচারীকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর মতিঝিলের বিমান অফিস-সংলগ্ন এলাকায় এই মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম মোঃ আবদুল হালিম (৬৩)। তিনি কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী এবং তিনি কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি ছিলেন। তাঁর বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী,১০নং ইউনিয়নের আহল্লাা সাদার পাড়ায়। আবদুল হালিমের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছেন মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সজীব কুমার সিং। এতে লেখা হয়েছে আবদুল হালিমের বাঁ চোখের ওপরে আঘাতের চিহ্ন আছে। এ ছাড়া বাঁ চোয়ালে ফোলা ভাব পরিলক্ষিত হয়। মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে সুরতহাল প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা তাঁর মন্তব্যে লিখেছেন, প্রাথমিক তদন্ত ও সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গতকাল রাতে মতিঝিলে সাবেক সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে হালিম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে পরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে ময়নাতদন্তের জন্য আাবদুল হালিমের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে আবদুল হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, সিবিএ’র পদসহ নানা বিষয়ে কয়েকজনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাঁর বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে গত অক্টোবরে থানায় জিডি করেছিলেন তাঁর বাবা আবদুল হালিম। তিনি গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় আসেন। একটি হোটেলে ওঠেন। পরে খবর পান, তাঁর বাবাকে তাঁরই সাবেক সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছেন। ফয়সাল বলেন, তাঁর বাবা ২০১৪ সাল থেকে সিবিএ সভাপতি ছিলেন। সম্পাদক নাসিম আহামেদ। নাসিম আহামেদ বলেন, ২০১৪ সালের পর আর নির্বাচন হয়নি। গত ৫ আগস্টের পর কয়েকজন বিনা নির্বাচনে মনগড়া কমিটি বানান। ইউনিয়ন অফিস দখল করেন। এ নিয়ে মামলা করা হয়। এসব নিয়ে বিরোধ চলছিল বিনা নির্বাচনে মনগড়া কমিটির লোকজনের সাথে।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাবেক এক কর্মচারীকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর মতিঝিলের বিমান অফিস-সংলগ্ন এলাকায় এই মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ।মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম মোঃ আবদুল হালিম (৬৩)। তিনি কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী এবং তিনি কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি ছিলেন। তাঁর বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী,১০নং ইউনিয়নের আহল্লাা সাদার পাড়ায়।

আবদুল হালিমের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছেন মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সজীব কুমার সিং। এতে লেখা হয়েছে আবদুল হালিমের বাঁ চোখের ওপরে আঘাতের চিহ্ন আছে। এ ছাড়া বাঁ চোয়ালে ফোলা ভাব পরিলক্ষিত হয়।

মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে সুরতহাল প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা তাঁর মন্তব্যে লিখেছেন, প্রাথমিক তদন্ত ও সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গতকাল রাতে মতিঝিলে সাবেক সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে হালিম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে পরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে ময়নাতদন্তের জন্য আাবদুল হালিমের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে আবদুল হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, সিবিএ’র পদসহ নানা বিষয়ে কয়েকজনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাঁর বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে গত অক্টোবরে থানায় জিডি করেছিলেন তাঁর বাবা আবদুল হালিম। তিনি গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় আসেন। একটি হোটেলে ওঠেন। পরে খবর পান, তাঁর বাবাকে তাঁরই সাবেক সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছেন।ফয়সাল বলেন, তাঁর বাবা ২০১৪ সাল থেকে সিবিএ সভাপতি ছিলেন। সম্পাদক নাসিম আহামেদ।নাসিম আহামেদ বলেন, ২০১৪ সালের পর আর নির্বাচন হয়নি। গত ৫ আগস্টের পর কয়েকজন বিনা নির্বাচনে মনগড়া কমিটি বানান। ইউনিয়ন অফিস দখল করেন। এ নিয়ে মামলা করা হয়। এসব নিয়ে বিরোধ চলছিল বিনা নির্বাচনে মনগড়া কমিটির লোকজনের সাথে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

বোয়ালখালীতে বসতঘর চুরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীর বসতঘরে ভেন্টিলেটর ভেঙে নিয়ে গেছে নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার। উপজেলার পোপাদিয়ার আকুবদন্ডী মিনা গাজী মাজার এলাকার প্রবাসী জয়নাল মাস্টারের ঘরে এ ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে পরিবারের সদস্যরা নগরী থেকে বাড়িতে এসে এ ঘটনা জানতে পারেন।

পরিবারের সদস্য প্রবাসী মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন মানিক জানান, তার বড় ভাই জয়নাল মাস্টার গত সপ্তাহে পরিবার নিয়ে নগরের হালিশহরে মেয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সেমি-পাকা ঘরের ভেন্টিলেটর ভেঙে চোরের দল প্রবেশ করেছে। তারা আলমারি ভেঙে প্রায় ২ ভরি স্বর্ণের গয়না ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে এবং ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র এলোমেলো করে রেখেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন বলেন, ‘জয়নাল মাস্টার ঘরে না থাকার সুবাদে চোরের দল এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বলা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ