নুর আলী মিয়ার হাট শাখার মহিলা মাহফিল অনুষ্ঠিত

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম ঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শাহানশাহ হযরত শাহসুফি সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) এর ৯৬ খোশরোজ উরশ শরীফ উপলক্ষে মহিলা মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সফল অধিনায়ক ও বিসিবির পরিচালক আকরাম খানের সহ ধর্মীনি সাবিনা আকরাম চৌধুরী, চেয়ারম্যান এম.আই.বি সিএনজি এন্ড ফিলিং স্টেশন ও
পরিচালক ট্রিওলুক্স লিমিটেড। প্রধান আলোচক ছিলেন এডভোকেট শাহজাদী ইয়াসমিন মুক্তা, জেলা ও দায়রা জজ আদালত, চট্টগ্রাম ও সিনিয়র সদস্য, এসজেডএইচএম ট্রাস্ট নিয়ন্ত্রণাধীন মহিলাদের আত্নজিজ্ঞাসা ও জ্ঞানানুশীলনমূলক সংগঠন “দি মেসেজ”।
অনুষ্ঠান পরিচালনা ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন উম্মে আল আসফিয়া সিনিয়র সদস্য, এসজেডএইচএম ট্রাস্ট নিয়ন্ত্রণাধীন মহিলাদের আত্নজিজ্ঞাসা ও জ্ঞানানুশীলনমূলক সংগঠন আলোর পথে।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন সানজিদা পারভিন চৌধুরী, মার্জিত জান্নাত, নাহিদা আকতার চৌধুরী, সাহেদা আকতার, লাভলী আকতার, সেলিনা আকতার, তানজু আকতার, জান্নাতুল ফেরদৌস সিজানা প্রমূখ।
প্রধান অতিথি বক্তব্য বলেন গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী তথা হক মঞ্জিল ও এসজেটএইচএম ট্রাষ্টের ট্রাষ্টি আলহাজ্ব সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (ম.) মানবতার যে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে যাচ্ছেন তা এই যুগে খুব বিরল।
আমরা বিভিন্ন জায়গায় গেলে মওলা হুজুরের প্রসংশা শুনতে পাই বিশেষ করে শিক্ষা, চিকিৎসা ও বিভিন্ন খাতে যেভাবে আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করেন প্রশংসনীয় আমি এবং আমার পরিবার তাহার খুব ভক্ত আপনারা তাহার যে সুন্দর মিশন সেই মিশনে সফল করার জন্য নুর আলী মিয়ার হাট শাখার সাথে সর্ম্পক রেখে এগিয়ে যাবেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রীপুর বুড়া মসজিদে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আজিমুশশান নূরানী মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শ্রীপুর বুড়া মসজিদে জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম উদযাপন উপলক্ষে আজিমুশশান নূরানী মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ।

মাহফিলে প্রধান ওয়ায়েজিন হিসেবে বক্তব্য রাখেন উদ্ভাজুল উলামা, মুফতিয়ে আহলে সুন্নাত, লেখক ও গবেষক, মুজাহিদে মিল্লাত হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ অসিয়র রহমান আলকাদেরী (মা.জি.আ.)।বিশেষ ওয়ায়েজিন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব মুফতি মুহাম্মদ আবুল হাসনাত আলকাদেরী (মা.জি.আ.), হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব মুহাম্মদ শোয়াইব রেজা (মা.জি.আ.), শাহজাদা সৈয়দ মুফতি মুহাম্মদ মাঈনুল ইসলাম জুনায়েদ আল মাইজভান্ডারী, সৈয়দ মুহাম্মদ রহমান মিয়া এবং উদীয়মান তরুণ বক্তা আল্লামা মুহাম্মদ আব্দুল মুত্তালিব আলকাদেরী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রীপুর বুড়া মসজিদ ওয়াক্ফ এস্টেটের মোতাওয়াল্লী আলহাজ্ব মুহাম্মদ নুরুন্নবী চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব আজিজুল হক চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য মুহাম্মদ শওকত আলম, জেলা বিএনপি সদস্য জাবেদ মেহেদী হাসান সুজন, পৌরসভা বিএনপি সাবেক আহবায়ক শহীদুল্লাহ চৌধুরী, পোপাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোসলেম মিয়া,প্যানেলে চেয়ারম্যান হাসান চৌধুরী, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ৮নং শ্রীপুর, খরনদ্বীপ ইউনিয়নের সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ মাহফুজুল হক আলকাদেরী।

মাহফিলে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবন, আদর্শ ও সুন্নাহ নিয়ে আলোচনা করা হয়। এসময় রাসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও তাঁর আদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
মাহফিলটি শ্রীপুর বুড়া মসজিদ ওয়াক্ফ এস্টেটের ওয়ারিশানবৃন্দের ব্যবস্থাপনায় এবং ঐতিহ্যবাহী শ্রীপুর বুড়া মসজিদের মুসল্লি ও এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।

রোগীর চাপ সামাল দিতে আরও হাজার শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা সিআইএমসি’র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রোগীর চাপ সামাল দিতে আরও এক হাজার শয্যার নতুন হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ (সিআইএমসি)। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কলেজ কনফারেন্স হলে আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন সেলিব্রেশন’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়,

রোগীর চাপ সামাল দিতে আরও এক হাজার শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে ৩০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পের পেপারওয়ার্ক শুরু হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কষ্টসাধ্য হওয়ায় সরকার, দাতা সংস্থা ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। এছাড়া একই ক্যাম্পাসে গত ২২ বছর ধরে দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ ও ৬৫ ইউনিটের ডেন্টাল হাসপাতাল পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে দৈনিক গড়ে ১৫০ জন রোগী চিকিৎসা নেন। সেই সঙ্গে গত আট বছর ধরে সুনামের সঙ্গে নার্সিং কলেজও পরিচালিত হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটির প্রেসিডেন্ট এবং সিআইএমসির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম মোহসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান ও গভর্নিং বডির সভাপতি ডা. এ কে এম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, ইসি সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. নুরুন্নবী, প্রাক্তন অধ্যক্ষ ও একাডেমিক অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ডা. মো. টিপু সুলতান এবং উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসলিনা আক্তার।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২২ সালে জাতীয় সংসদে অ্যাক্রেডিটেশন আইন পাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (বিএমইএসি) গঠন করা হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশি মেডিকেল গ্র্যাজুয়েটদের বিশ্বমঞ্চে অবস্থান সুদৃঢ় করা। কারণ অ্যাক্রেডিটেশন ছাড়া বাংলাদেশের কোনো মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডসহ বহির্বিশ্বে উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সুযোগ পাবেন না। এরই মধ্যে শ্রীলঙ্কা, ভারত, নেপাল, পাকিস্তানসহ প্রায় সব প্রতিবেশী দেশ এই স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

২০২৬ সালের মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান বিএমইএসি স্বীকৃতি পাবে না, তাদের কোনো শিক্ষার্থী দেশের বাইরে উচ্চ শিক্ষা ও প্র্যাকটিস করতে পারবেন না। এজন্য দেশের ১২৪টি সরকারি-বেসরকারি ও আর্মি মেডিকেল কলেজের মধ্যে ২১টি কলেজ আবেদন করে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রথম দফায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ এবং দ্বিতীয় দফায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ ও নর্থ-ইস্ট মেডিকেল কলেজ স্বীকৃতি পায়।

তৃতীয় দফায় স্বীকৃতি পাওয়া তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ। এর মাধ্যমে দেশে মোট বৈশ্বিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মেডিকেল কলেজের সংখ্যা দাঁড়ালো আটটিতে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সিআইএমসি প্রতিষ্ঠার ১৩তম বর্ষ অতিক্রম করছে। এরই মধ্যে কলেজের উদ্যোগে চারটি আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ১৫টি দেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন। মালয়েশিয়া, তুরস্ক, চীন ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাদের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) রয়েছে। বর্তমানে কলেজের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল। যেখানে ২১টি বিভাগে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৭০০ রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেন। প্রায় সময়ই শয্যা পরিপূর্ণ থাকায় এর অভাবে রোগী ফেরত দিতে হয়। এই হাসপাতালে ১০ শতাংশ রোগীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ