আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর

বিদায়ী বছরে রাজস্ব আয় ৫০৫৫ কোটি ৯৯ লাখ,ব্যায় ২১০৭ কোটি ২ লাখ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে বিদায়ী বছরে রাজস্ব আয় হয়েছে ৫০৫৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। যা আগের বছরের তুলনায় ৩৭ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। এছাড়া বিদায়ী বছরে রাজস্ব ব্যয় হয়েছে ২১০৭ কোটি ২ লাখ টাকা, আগের বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ২০ শতাংশ কম। এছাড়া বিদায়অ বছর ২০২৪ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ দশমিক ২৭ মিলিয়ন টিইইউস (২০ ফুট হিসেবে) কনটেইনার হ্যান্ডলিং করেছে। কার্গো হ্যান্ডলিং করেছে ১২৩ মিলিয়ন মেট্রিকটন। জাহাজ হ্যান্ডলিং করেছে ৩ হাজার ৮৬৭টি। চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ সংখ্যক কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে সক্ষম হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্দরে ৩২ লাখ ৭৫ হাজার ৬২৭ টিইইউস কনটেইনার এবং ১২ কোটি ৩৯ লাখ ৮৬ হাজার ১৪ টন কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে।বহির্নোঙরে জাহাজের গড় অপেক্ষার সময় ১ দিনে নেমে এসেছে। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরে ১৪-১৫ বছর যাবত থাকা অতিদাহ্য সোডিয়াম নাইট্টো ক্লোরাইডবাহী ৪টি কনটেইনার গত ২৭ অক্টোবর নিলামের মাধ্যমে বিডারকে ডেলিভারি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ১৫২ টিইইউস কনটেইনারের পণ্য ধ্বংসের অপেক্ষায় রয়েছে। ইতিমধ্যে শুল্ক বিভাগ কর্তৃক (৬ অক্টোবর থেকে ২৩ ডিসেম্বর) ৫৯ টিইইউস কনটেইনারের পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান
বলেন, ২০২৪ সালের পঞ্জিকাবর্ষ অনুযায়ী রাজস্ব আয় ৫০৫৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা যা গত বছরের (রাজস্ব আয় ৪১৬৫ কোটি ১৮ লাখ টাকা) তুলনায় ২১ দশমিক ৩৯ বেশি এবং রাজস্ব উদ্বৃত্ত ২০২৪ সালের পঞ্জিকাবর্ষানুসারে ২৯৪৮ কোটি ৯৭ লাখ যা গত বছরের (২১৪৩ কোটি ১০ লাখ টাকা) চেয়ে ৩৭ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। ২০২৪ সালের পঞ্জিকাবর্ষ অনুযায়ী রাজস্ব ব্যয় ২১০৭ কোটি ২ লাখ টাকা যা গত বছরের (রাজস্ব ব্যয় ২০২২ কোটি ৮ লাখ টাকা) তুলনায় ৪ দশমিক ২০ শতাংশ কম।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত সচিব হলেন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ১১৮ কর্মকর্তা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত সচিব হলেন প্রশাসনের যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ১১৮ কর্মকর্তা। পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের সবাই বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই পদোন্নতির তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পদোন্নতির আদেশে উল্লিখিত কর্মস্থল থেকে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর বা কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম-ঠিকানা উল্লেখ করে তাকে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে। জনপ্রশাসন সচিবের কাছে সরাসরি বা ইমেইলে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে।

পদোন্নতি পাওয়া কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে কোনো বিরূপ বা ভিন্নরূপ তথ্য পেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন বা বাতিল করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগে বড় পরিবর্তনবর্তমানে ২৮৫ জন অতিরিক্ত সচিব রয়েছেন। নতুন ১১৮ জনকে নিয়ে অতিরিক্ত সচিবরে সংখ্যা হয়েছে ৪০৩ জন। অতিরিক্ত সচিবের স্থায়ী পদের সংখ্যা ২১২ জন হওয়ায় পদোন্নতি পাওয়া বেশির ভাগ কর্মকর্তাকে আগের পদেই (ইনসিটু) কাজ করতে হবে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের এই পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনেক যোগ্য ও দক্ষ কর্মকর্তা আবারও বাদ পড়েছেন। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির অপেক্ষায় ছিলেন, তাদের বড় একটি অংশ এই তালিকায় জায়গা পাননি বলে জানা গেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ