আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

জাহাজভাঙা শ্রমিকদের মাসিক নিম্নতম মজুরি ১৬ হাজার টাকা কার্যকর

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাহাজভাঙা শ্রমিকদের মাসিক নিম্নতম মজুরি ১৬ হাজার টাকা বাস্তবায়নের ব্যাপারে মালিক সমিতি নীতিগত একমত হয়েছে। বুধবার থেকেই জাহাজভাঙা শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি বাস্তবায়ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স এন্ড রিসাইক্লার্স এসোসিয়েশনের (বিএসবিআরএ) সচিব মো. ছিদ্দিক। বাংলাদেশের জাহাজভাঙা শিল্পে শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার অবস্থা নিয়ে এক তথ্য উপস্থাপন সভায় তিনি এ কথা জানান। এতে সভাপতিত্ব করেন জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফোরামের আহ্বায়ক এবং শ্রম সংস্কার কমিশনের সদস্য তপন দত্ত।সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফোরামের যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি এ এম নাজিম উদ্দিন। তিনি শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করতে সরকার ও মালিকপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

শ্রমিকদের গ্রিভ্যান্স, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ক ২০২৪ সালের তথ্য উপস্থাপন করেন জাহাজভাঙা শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ক তথ্য কেন্দ্রের সমন্বয়ক এবং জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফোরামের সদস্য সচিব ফজলুল কবির মিন্টু। তিনি জাহাজভাঙা শিল্পে শ্রমিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি, দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং ২০২৪ সালে সংঘটিত বিভিন্ন দুর্ঘটনা ও তাদের প্রভাব নিয়ে তথ্য প্রদান করেন।
এছাড়া সভার শুরুতে ২০২৪ সালে জাহাজভাঙা শিল্পখাতে নিহত সাত শ্রমিকের স্মরণে ৭টি মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। এই বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে নিহত শ্রমিকদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানানো হয়। মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে সভায় অংশগ্রহণকারীরা শ্রমিকদের প্রতি তাদের সমর্থন এবং সুরক্ষিত কর্মপরিবেশ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক শিপন চৌধুরী, শিল্প সম্পর্ক শিক্ষায়তনের অধ্যক্ষ রুমানা আক্তার, চট্টগ্রাম শ্রম দপ্তরের সহকারী পরিচালক মাসুদুল আলম প্রমুখ।
সভাপতি তপন দত্ত নিম্নতম মজুরি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ায় মালিক সমিতি এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সাত বছর আগে নিম্নতম মজুরি ঘোষিত হয়েছে। ৫% করে ইনক্রিমেন্ট হলে ২০১৮ সালের ঘোষিত মজুরি এখন ২৫-২৬ হাজার হওয়ার কথা। সুতরাং নিম্নতম মজুরি বাস্তবায়নে যেন কোন ধরনের চালাকি বা গড়িমসির আশ্রয় নেয়া না হয় সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ