আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

নেত্রকোনায় ৭ দিন ব্যাপী কমরেড মণি সিংহ মেলা

মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল, নেত্রকোনা ঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1.  নেত্রকোনার দুর্গাপুরে কমরেড মণি সিংহের ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নেত্রকোণার দুর্গাপুরে টংক শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গনে সাত দিনব্যাপী কমরেড মণি সিংহ মেলা শুরু হয়েছে। টংক শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন ও পায়রা উড়িয়ে এ মেলার উদ্বোধন করেন মণি সিংহ মেলা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ডা. দিবালোক সিংহ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন তালুকদার, ওয়াহেদ আলী, সিরাজুল ইসলাম, মণি সিংহ মেলা উদযাপন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন মুকুল, যুগ্ম আহ্বায়ক অজয় কুমার সাহা,
জেলা বিএনপি‘র সাবেক সহ:সভাপতি ইমাম হাসান আবুচান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও কুল্লাগড়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল,
যুগ্ম আহবায়ক মো. রফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ জিন্নাহ, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজুল করিম, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আবু ছিদ্দিক রুক্কু, সদস্য সচিব সম্রাট গনি, সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা এমদাদুল হক মিল্লাত, কমরেড হাফিজুল ইসলাম, সিপিবি জেলা কমিটির সভাপতি নলিনী কান্ত সরকার, কবি বিদ্যুৎ সরকার, কবি শফিউল আলম স্বপন,উপজেলা সিপিবির সভাপতি আলকাছ উদ্দিন মীর, সাধারণ সম্পাদক রুপন কুমার সরকার, সহ সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম, সদস্য শামছুল আলম খান, সমাজসেবক মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, যুব ইউনিয়ন সভাপতি নজরুল ইসলাম সহ উপজেলা বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী সহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মহান নেতার স্মৃতির প্রতি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, স্কুল-কলেজ ও সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।

এরপর সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে কমরেড মণি সিংহ স্মরনে শোভাযাত্রা পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

সাতদিনব্যাপী মেলায় মুক্তিযোদ্ধা, বুদ্ধিজীবী,
জাতীয় ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা, ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। প্রতিদিনই থাকবে আলোচনা সভা, বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এরই মধ্যে বিভিন্ন পণ্য নিয়ে এম কে সি এম মাঠ চত্বরে মেলায় তিন শতাধিক দোকান বসেছে।মেলা চলবে আগামী ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত।

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, টংক আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন কমরেড মণি সিংহ।

১৯০১ সালের ২৮ জুলাই কলকাতার এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম মণি সিংহের।১৯৮৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারী কমরেড মনিসিংহ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ৮৪ বছর বয়স পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে তিনি পার্টির দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৯০ সালের ৩১শে ডিসেম্বর মৃত্যুবরন করেন।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণ, অধিকার বাস্তবায়ন এবং স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষায় এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের সফলতায় সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য ।

শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন সিএমউজের চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ভবনস্থ কার্যালয় উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে সাংবাদিক কল্যাণে পর্যাপ্ত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম। তিনি স্মরণ করেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাংবাদিকদের আবাসনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাবাহিতায় সাংবাদিকদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করেছিলেন। তিনি বলেন, বিএনপি যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে, তখনই সাংবাদিকদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য কাজ করা হবে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সংবাদ প্রকাশে কোনো ধরনের বাধা বা হস্তক্ষেপে বিশ্বাস করে না। অতীতের মতো গণমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা সংবাদ নিয়ন্ত্রণের কোনো মানসিকতা সরকারের নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করবে এবং সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করবেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন একটি বৈশ্বিক উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের ক্ষতি করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করেছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সকল অঞ্চলের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। প্রাথমিকভাবে প্রতিটি উপজেলায় ৩০ থেকে ৩৫ জন সাংবাদিককে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। চলতি বছরে যারা সুযোগ পাবেন না, তাদের আগামী বছর অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে।

নিজের সাংবাদিকতার পেশার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন,আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসিতে দীর্ঘদিন কাজ করার সুবাদে সাংবাদিকতা পেশার নানা সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তিনি অবগত। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই দায়িত্ব পালন করছি।
ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন উদ্বোধকের বক্তব্যে বলেন,দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার ও সংবাদমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা যেমন সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করেন, তেমনি গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে উন্নয়নের পথ সুগম করেন।

চট্টগ্রাম সাংবাদিক সমাজের উদ্দেশ্যে ভূমি এবং পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যারা সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন, তাদের সবাইকে একটি বৃহত্তর সাংবাদিক পরিবারের অংশ হিসেবে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশের স্বার্থে বিভেদ ও সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ভূমি এবং পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি, দুর্নীতি ও অনিয়মের চিত্র সংবাদকর্মীদের লেখনীর মাধ্যমেই জনসম্মুখে আসে।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, তার নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও জনগণের দুর্ভোগের বিষয় সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন, যা এলাকার উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
সাংবাদিকদের আবাসনসহ বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি-দাওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের কল্যাণে নিজের অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম ৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান,চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলা মুরাদ, দৈনিক আজাদী পত্রিকার সম্পাদক এম এ মালেকসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ।

ভাঙ্গুড়ায় পূজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উপজেলা এবং পৌর শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পূজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উপজেলা এবং পৌর শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ৩ জুন বুধবার সকাল ১১ টার দিকে ভাঙ্গুড়া উপজেলার ভদ্রপাড়া কালি মন্দির প্রাঙ্গনে এ দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির সভাপতি, শ্রী বিপ্লব কুমার গুনের সভাপতিত্বে ও শ্রী সুধির চন্দ্র সরকারের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ পাবনা জেলা কমিটির সভাপতি, রোটারিয়ান শ্রী প্রভাষ চন্দ্র ভদ্র।

উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্যে রাখেন পাবনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শ্রী কোমল চন্দ্র দাস,  সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের পাবনা জেলা শাখার সভাপতি, শ্রী চন্দন কুমার চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক শ্রী বিনয় জ্যোতি কুন্ড, ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার হিন্দু,বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি, অধ্যাপক শ্রী ভবেশ চন্দ্র দে, ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পরিমল কুমার,

ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সংগীত কুমার পাল, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি, মলয় কুমার দেব, ভাঙ্গুড়া সদর ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষে সাংবাদিক বিকাশ কুমার সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ গ্রহণযোগ্য বক্তব্য রাখেন। সম্মেলনে উপস্থিত সকলের সম্মতিতে সংগীত কুমার পাল কে সভাপতি ও সমরজিৎ গুণ কে সাধারণ সম্পাদক করে ২ বছরের জন্য ভাঙ্গুড়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদ কমিটি এবং পরিমল কুমার কে সভাপতি ও প্রলয় কুমার বিশ্বাস কে সাধারণ সম্পাদক করে ২ বছরের জন্য ভাঙ্গুড়া পৌর পুজা উদযাপন পরিষদ কমিটি গঠন করে ঘোষনা করা হয়।

অপর দিকে অধ্যাপক ভবেশ চন্দ্র দে কে  সভাপতি ও মলয় কুমার দেব কে সাধারণ সম্পাদক করে ২ বছরের জন্য ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার হিন্দু,বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কমিটি এবং নির্মল কুমার রায় কে সভাপতি ও তরুন কুমার গুন মিতু কে সাধারণ সম্পাদক করে ২ বছরের জন্য ভাঙ্গুড়া পৌর শাখার হিন্দু,বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে।

সকল কমিটি গঠন শেষে জেলা নেতৃবৃন্দ প্রতিটি কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক কে বলেন, আপনারা সকলের সম্মতিতে / আলোচনা করে ১০ পূর্ণ দিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে আমাদের নিকট পাঠাবেন।
আমরা আমাদের প্রতিনিধি দিয়ে যাচাই-বাছাই করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা দিবো।কমিটিতে যদি কোন অভিযোগ উঠে তাহলে অবশ্যই সেই কমিটি ঘোষণা থেকে বিরতি রাখা হবে বলে জানান।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ