গণতন্ত্র না থাকলে সকল কার্যক্রম অর্থহীন হয়ে পড়বে:নোমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণতন্ত্র না থাকলে সকল কার্যক্রম অর্থহীন হয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান। সোমবার দুপুরে নগরের একটি রেস্টুরেন্টে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, অশুভ শক্তি রুখতে প্রস্তুত থাকতে হবে। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সাংগঠনিক শক্তিতে বলিয়ান। দলের ভিতরে ও বাইরে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। কালচারাল রেভুল্যুশন ঘটাতে হবে।সাংগঠনিক শক্তিকে বুকে ধারণ করতে হবে।

জীবনের সব কর্মকাণ্ড জনকল্যাণে ব্যয় করেছেন জানিয়ে সাবেক মন্ত্রী নোমান বলেন, গণতন্ত্র না থাকলে সকল কার্যক্রম অর্থহীন হয়ে পড়বে। আমরা পথ দেখাবো, সেই পথে নিজে হাঁটবো না, সেটা হবে না। কথা ও কাজে মিল থাকতে হবে।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, বিএনপির নির্বাহী কমিটির শামসুল আলম ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সাবেক সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমদ আজম খান বলেন, মহানগর বিএনপি পুনর্গঠন করার জন্য এই সাংগঠনিক সভা। তৃণমূল থেক ইউনিট, ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ে সম্মেলন করার পর মহানগর সম্মেলন করা হবে। আমাদের তৃণমূল থেকে বিএনপিকে পুনর্গঠন করা হচ্ছে। তৃণমূল থেকে সম্মেলনের মাধ্যমে সারাদেশে কমিটি গঠন করা হবে। দীর্ঘদিন গণতন্ত্রের কথা বলেছেন দেশনায়ক তারেক রহমান, তারই ধারাবাহিকভাবে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি হবে।তিনি আরও বলেন, দেশ ও দেশের বাইরে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সেইসঙ্গে জাতীয় ঐক্য নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। স্বাধীনতা একক পরিবার দাবি করেছিল, জনগণ সেটা গ্রহণ করেনি। তেমনিভাবে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন একটি পক্ষের ছিল বলে দাবি করেছে। সেটা জনগণ মেনে নিবে না। আন্দোলনের দাবিদার বিএনপি এককভাবে হতে চায় না, সারাদেশের ছাত্র-জনতা ও রাজনৈতিক দলগুলোও যুক্ত ছিল।
আন্দোলন সংগ্রামের দল বিএনপি। জনগণের দাবি আদায়ে পুনরায় রাজপথে নামবে বিএনপি। সবার আগে সংসদ নির্বাচন, পরে বাকি সব নির্বাচন। নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র হলে আবারও রাজপথে নামবে বিএনপি। রাজপথ ও রক্তকে ভয় পায় না বিএনপি। আমরা মাঠে নামতে চাই না, জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট করার চেষ্টা করবেন না। সংস্কার চলমান প্রক্রিয়া, সংস্কারের কথা বলে নির্বাচনে বিলম্ব করবেন না।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতির ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেট ও হবিগঞ্জে এনসিপি নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।পোস্টে হামলার পেছনে ‘সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য’ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করায় শুরু হয় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। পরে পোস্টটি সরিয়ে নেয়ার পরও বিতর্ক থামেনি।

একদিকে এপোস্টকে নিয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনসহ একাধিক নেতা জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। মনিরা শারমিন নিজের ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের সাম্প্রতিক বিতর্কিত একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে হামলার প্রতিবাদ না জানিয়ে ‘ডিপ প্ল্যান’ খোঁজার প্রবণতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন।

অন্যদিকে, শিবির-সমর্থিত বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের পক্ষের পোস্টও যথেষ্ট দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে এনসিপি ও জামায়াত-সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য অব্যাহত রয়েছে।

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে এনসিপি ছাড়লেন মাহমুদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে দল ছাড়লেন এনসিপি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব ইব্রাহিম মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই নিজের ফেসবুকে আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘আমি ইব্রাহিম মাহমুদ, যুগ্ম সদস্য সচিব, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), কুলাউড়া উপজেলা।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ