আজঃ শুক্রবার ১ মে, ২০২৬

গণতন্ত্র না থাকলে সকল কার্যক্রম অর্থহীন হয়ে পড়বে:নোমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণতন্ত্র না থাকলে সকল কার্যক্রম অর্থহীন হয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান। সোমবার দুপুরে নগরের একটি রেস্টুরেন্টে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, অশুভ শক্তি রুখতে প্রস্তুত থাকতে হবে। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সাংগঠনিক শক্তিতে বলিয়ান। দলের ভিতরে ও বাইরে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। কালচারাল রেভুল্যুশন ঘটাতে হবে।সাংগঠনিক শক্তিকে বুকে ধারণ করতে হবে।

জীবনের সব কর্মকাণ্ড জনকল্যাণে ব্যয় করেছেন জানিয়ে সাবেক মন্ত্রী নোমান বলেন, গণতন্ত্র না থাকলে সকল কার্যক্রম অর্থহীন হয়ে পড়বে। আমরা পথ দেখাবো, সেই পথে নিজে হাঁটবো না, সেটা হবে না। কথা ও কাজে মিল থাকতে হবে।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, বিএনপির নির্বাহী কমিটির শামসুল আলম ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সাবেক সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমদ আজম খান বলেন, মহানগর বিএনপি পুনর্গঠন করার জন্য এই সাংগঠনিক সভা। তৃণমূল থেক ইউনিট, ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ে সম্মেলন করার পর মহানগর সম্মেলন করা হবে। আমাদের তৃণমূল থেকে বিএনপিকে পুনর্গঠন করা হচ্ছে। তৃণমূল থেকে সম্মেলনের মাধ্যমে সারাদেশে কমিটি গঠন করা হবে। দীর্ঘদিন গণতন্ত্রের কথা বলেছেন দেশনায়ক তারেক রহমান, তারই ধারাবাহিকভাবে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি হবে।তিনি আরও বলেন, দেশ ও দেশের বাইরে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সেইসঙ্গে জাতীয় ঐক্য নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। স্বাধীনতা একক পরিবার দাবি করেছিল, জনগণ সেটা গ্রহণ করেনি। তেমনিভাবে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন একটি পক্ষের ছিল বলে দাবি করেছে। সেটা জনগণ মেনে নিবে না। আন্দোলনের দাবিদার বিএনপি এককভাবে হতে চায় না, সারাদেশের ছাত্র-জনতা ও রাজনৈতিক দলগুলোও যুক্ত ছিল।
আন্দোলন সংগ্রামের দল বিএনপি। জনগণের দাবি আদায়ে পুনরায় রাজপথে নামবে বিএনপি। সবার আগে সংসদ নির্বাচন, পরে বাকি সব নির্বাচন। নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র হলে আবারও রাজপথে নামবে বিএনপি। রাজপথ ও রক্তকে ভয় পায় না বিএনপি। আমরা মাঠে নামতে চাই না, জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট করার চেষ্টা করবেন না। সংস্কার চলমান প্রক্রিয়া, সংস্কারের কথা বলে নির্বাচনে বিলম্ব করবেন না।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। গতকাল শুক্রবার মিছিলের পর থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন-তানভীর হাসান (২৭), মোসলেম উদ্দিন (৪০), বিপু ঘোষ বিলু (৫৫), মোঃ নাহিদ হোসেন (১৯), মোঃ সাইফুল ইসলাম (২০), মোঃ নওশের উদ্দিন চৌধুরী (২১), মোঃ জুয়েল (২৪), মোঃ আলাল (২১), মোঃ আসিফ (২২), মোঃ শুভ রহমান (২২), সৌরভ দেওয়ানজী (২৯), ইমাম হোসেন সাদমান (২২)৷

পুলিশ জানায়, শুক্রবার কোতোয়ালী থানাধীন রেলওয়ে বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের ঝটিকা মিছিল বের করা হয়। পরে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঝটিকা মিছিলে জড়িত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আ. লীগ নিষিদ্ধকরণের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড় এলাকার মেডিকেল সেন্টার গলি থেকে এ বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়।

জানা গেছে, বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়া সবাই ওমর গণি এমইএস কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল নিয়ে আমাদের একাধিক টিম কাজ করছে। কোনো অগ্রগতি হলে আপনাদেরকে (সাংবাদিক) জানানো হবে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র আরও জানায়, সকাল সাতটার দিকে ৫০ থেকে ৬০ জন নেতাকর্মী বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। মিছিলটি নগরীর মেডিকেল সেন্টার গলি থেকে গোলপাহাড় মোড়ের দিকে চলে। এতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণের প্রতিবাদ জানায়। এই মিছিলে পাহাড়তলী ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরীর ছবিযুক্ত ব্যানার দেখা যায়।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ