আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চৌদ্দগ্রামে এলজি বন্ধুক সহ যুবক আটক, টর্চার সেলের সন্ধান

জহিরুল ইসলাম সুমন চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বিশেষ অভিযান চালিয়ে একটি এলজি বন্ধুক সহ সালাহ উদ্দিন খাঁন নামে এক চিহিৃত সন্ত্রাসীকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। আটককৃত সালাহ উদ্দিন খাঁন উপজেলার গুনবতী ইউনিয়নের কালিয়াতল এলাকার শাহজাহান খাঁনের ছেলে। অভিযানকালে সেনাবাহিনী স্থানীয় সন্ত্রাসীদের একটি টর্চার সেলের সন্ধান পায়। পরে আটককৃত যুবককে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চৌদ্দগ্রাম ক্যাম্প থেকে সোমবার (০৬ জানুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

 

সেনাবাহিনীর চৌদ্দগ্রাম ক্যাম্প আরও সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ অস্ত্র রাখার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চৌদ্দগ্রাম ক্যাম্প এর একটি আভিযানিক দল রোববার রাতে উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের ফকিরবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে স্থানীয় চিহিৃত সন্ত্রাসী সালাহ উদ্দিন খাঁনকে আটক করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়ির পাশের ‘লন্ডনী বাড়ী’ নামে পরিচিত একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি এলজি বন্ধুক ও বিপুল পরিমান দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ সময় একটি টর্চার সেলের সন্ধান পায় সেনাবাহিনী। দ্বিতল বিশিষ্ট ওই ভবনের একটি কক্ষ নির্যাতন সেল হিসেবে ব্যবহার করতো স্থানীয় সন্ত্রাসীরা। আলোচিত ওই ভবনটি একই এলাকার রিয়াজ হুসেইন কামালের বলে সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে।

 

 

আটককৃত সালাহ উদ্দিন খাঁনকে সোমবার সকালে চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের শেষে সোমবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এই অভিযানকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধে বিশেষ সফলতা হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের ধরতে সেনাবাহিনীর এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।

 

 

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ.টি.এম আক্তার উজ জামান বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিশেষ অভিযান চালিয়ে সালাহ উদ্দিন খাঁন নামে এক যুবককে এলজি ও বিপুল পরিমান দেশীয় অস্ত্র সহ আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে। তার বিরুদ্ধে থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের ও আইনী প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।’

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ