আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

দাঁড়ি নিয়ে বিএনপি নেতার কটুক্তি মুক্তিযোদ্ধাদের কঠোর আন্দোলনের হুমকি

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1. দুই মহান মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে বিষাদগার ও সাদা দাঁড়ি নিয়ে কটুক্তি করার অভিযোগ উঠেছে ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির আজম চৌধুরীর বিরুদ্ধে। যেটাকে চরম ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত মনে করছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। অববলম্বে তার বক্তব্য প্রত্যাহাররকরানা হলে কঠোর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা।
    বৃহস্পতিবার বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এস রহমান হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফটিকছড়ির মুক্তিযোদ্ধারা এ হুমকি দেন।
    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহম্মদ আবুল বশর মাস্টার বলেন, ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির আজম চৌধুরী গত ৩০ ডিসেম্বর ফটিকছড়ি উপজেলায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মাস্টার মাহবুবুল আলম চৌধুরী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা বজল আহমদকে নিয়ে চরম বিষোদগার ও কটূক্তি করেছেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সাদা দাঁড়ি নিয়েও কটূক্তি করার ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন যা ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত।
  2. তিনি বলেন, গত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ইংরেজি জনাব জহির আজম পাইন্দং ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন ও কমিটি গঠন করেন। সেখানে ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়কসহ বিএনপি নেতাদেরও দাওয়াত দেয়া হয়নি। সম্মেলনের নামে জহির আজম এরকটি পকেট কমিটি গঠন করেন। রএই পকেট কমিটির প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করায় জহির আজম একটি পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি মুক্তিযোদ্ধা জনাব মাহবুবুল আলম চৌধুরী ওবীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব বজল আহমদসহ বীরমুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে চরম কটুক্তি করেন। যার নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের নাই। তার এ কটুক্তি দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করার সামিল।

  3. তিনি আরো বলেন, আমরা অবিলম্বে তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কারের দাবি জানাচ্ছি। একই সাথে জহির আজমের প্রতি আহবান জানাই তিনি যেন অবিলম্বে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে মুক্তিযোদ্ধাদের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করেন। অন্যথায় মুক্তিযোদ্ধারা মানববন্ধন, সমাবেশ, অনশনসহ কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে মো. কামাল, মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম চৌ, ফজল আহমদ, মুন্সি মিয়া, মোহাম্মদ হারুণ, এজাহার মিয়া, মোহাম্মদ শফি, আব্দুল হামিদ, মো. সোলাইমান, আমিনুল হক, আবুল কালাম প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ