রাজশাহীতে ৩ দিন ব্যাপী লোকনাট্য উৎসব

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তারুণ্যের উৎসবের অংশ হিসেবে রাজশাহীতে তিন দিনব্যাপী লোকনাট্য সমারোহ উৎসব শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ রাজশাহী কলেজ মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) তরফদার মো. আক্তার জামীল।

তিনি বলেন, ‘‘সবার ঘরে ঘরে টিভি ছিলো না বলে আমরা আগে বিটিভিতে নাটক দেখতাম সপ্তাহে একদিন। তখন আমরা এই লোকনাট্যগুলোই বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় উপভোগ করতাম। টিভি চ্যানেল ও শিল্পী কলা-কুশলীর ভিড়ে লোকনাট্যগুলো আজ হারাতে বসেছে। সেই লোকনাট্যকে ধরে রাখার জন্যই এ আয়োজন।’’

লোকনাট্যের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘‘লোকনাট্য হলো লোকজ জীবনাচারকে তুলে আনা। হাসি-কান্না, রঙ-তামাশা, দুঃখ বেদনা এ সবকিছুকে নাচ, গান ও শব্দের ব্যবহারের সমন্বয়ে গ্রামীণ মানুষের জীবনাচার তুলে ধরা।’’

আঞ্চলিক সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে তিনি বলেন, ‘‘অতীতে আঞ্চলিক ভাষায় তেমন কোনো নাটক নির্মাণ করা হতো না। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষায় নাটক নির্মাণ হচ্ছে। রাজশাহী অঞ্চলের ভাষা অনেকটা পশ্চিমবঙ্গের মতো। প্রত্যেক ভাষার একটি সৌন্দর্য রয়েছে এবং সেই ভাষার সাথেই ওই এলাকার মানুষের জীবনাচার জড়িয়ে রয়েছে। নিজ অঞ্চলের ভাষায় যখন নাটক তৈরি হয়, তখন ওই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে একটি অন্যরকম অনুভূতি তৈরি হয় যা দেখে তারা আনন্দিত হয়। তাই এটিকে চলমান রাখতে হবে।’’

জেলা কালচারাল অফিসার মো. শাহাদৎ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মহিনুল হাসান ও সহকারী কমিশনার আশিক জামান। এসময় শিল্পী কলা-কুশলী ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

তিন দিনব্যাপী লোকনাট্য সমারোহের প্রথম দিন গম্ভীরা ও আলকাপ গান হয়। শুক্রবার রয়েছে মনসাপালা ও মাদারপীরের পালা। আর শনিবার রয়েছে বিয়েরগীত ও লছিমন। এ দুদিন বিকেল সাড়ে ৪টায় অনুষ্ঠান শুরু হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ সংগীত ভূবণকে সমৃদ্ধ করার এক নতুন সংযোজন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ সংগীত ভূবণকে
সমৃদ্ধ করেছে।চট্টগ্রামের সংগীত ভান্ডারে এসংঠনের অগ্রযাত্রা সংস্কৃতি জগতের জন্য আনন্দলোক।
বন্দর নগরীর চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউটে ৩১ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ আয়োজিত প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তাগনের বক্তব্যে এক উঠে আস। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ টিভি ও বেতার শিল্পী বিদ্যার্থী পরিষদের প্রধান উপদেষ্ঠা সুব্রত দাশ অনুজ।

বাচিক শিল্পী সুপ্রিয়া চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিদ্যার্থী পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক অরুণ নাথ এর সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান -কিরন শর্মা, ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরাম এর নির্বাহী পরিচালক উৎপল বড়ুয়া, তবলা শিল্পী লিটন মিত্র।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যার্থী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো: লোকমান হোসেন, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিদ্যার্থী পরিষদের উপদেষ্টা লিটন সরকার, অঞ্জনা পারিয়াল, প্রণব দাশ গুপ্ত,সুবর্না দাশ,পরিষদের কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানান গৌরী ললিত কলা একাডেমির পরিচালক নাসরিন সুলতানা খানম, উদ্বোধনী বক্তব্যে বিদ্যার্থী পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা শিল্পী সুব্রত দাশ অনুজ বলেন সুর,তাল প্রতিটি মানুষের আছে কেউ উপলব্ধি করতে পারে কেউ পারে না। সুরের ছোঁয়ায় মানব জীবনে পরিবর্তন হয়।

সম্মানিত অতিথি সাংবাদিক কিরণ শর্মা তাঁর বক্তব্য বলেন – সঙ্গীত বাঙ্গালি সংস্কৃতিতে ওতপ্রোতভাবে জড়িত সঙ্গীত মানুষের মনকে বিকশিত করে।
চট্টগ্রামের শিল্প ও সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। বৈচিত্র্যময় লোকসংগীত, মাইজভাণ্ডারী গান, কবিয়াল গান জনপদের অনন্য ঐতিহ্য বহন করে চলেছে।
সুকন্ঠ বিদ্যার্থী পরিষদ সেধারার সাথে সংযোজিত হয়ে চট্টগ্রামের সংগীত ভান্ডারকে আরো সমৃদ্ধ করবে।তিনি সুকন্ঠ বিদ্যার্থী পরিষদের সাফল্য কামনা করে পাশে সবসময় থাকবেন ব্যক্ত করেন।


ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরাম এর নির্বাহী পরিচালক সংস্কৃতি প্রেমী উৎপল বড়ুয়া বলেন শুদ্ধ সংগীতের বিকল্প নেই, সঙ্গীতর চর্চা মানুষের মন পরিশুদ্ধ করে তোলে। সভাপতির সমাপনি বক্তব্যে সাংবাদিক অরুণ নাথ বলেন চরাউৎরায় দেশের বৈরী পরিস্থিতিতে সংস্কৃতি কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে যারা সহযোগিতা করছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যদের পরিবেশনায় দলীয় সঙ্গীতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয় এর পর দেশের গান পরিবেশন করেন নরেন্দ্র বিশ্বাস ,

দ্বৈত গান পরিবেশন করেন কান্তা বিশ্বাস ও টুম্পা দাশ, লিজা দাশ ও সজীব চৌধুরী, একক গান পরিবেশন করেন কৌশিক দত্ত, অনিন্দিতা ভট্টাচার্য, উর্বশী চক্রবর্তী, তন্দ্রা সিংহ মৌ,জয়শ্রী ধর,মো: লোকমান হোসেন, রুবেল চৌধুরী, আনিকা দাশ, নীলাদ্রি সেন গুপ্ত, প্রণয় ধর,আবৃত্তি পরিবেশন করেন বাচিক শিল্পী লিটন সরকার, নৃত্য পরিবেশন করেন হিতৈষী দাশ কৃতি, এর পর গান পরিবেশন করেন কৃষ্ণ চৌধুরী, দীপান্ত ভট্টাচার্য, অর্ঘ্যদ্বীপ সরকার,অভ্রনীল দে,

অর্চিতা দে,অণ্বেষা ধর,স্মৃতি দে, প্রিয়ম বিশ্বাস, প্রমা অবন্তী বিশ্বাস, ঋতু সাহা,আশিষ চৌধুরী, প্রমুখ। দর্শক শ্রোতাদের উপস্থিতি কানায় কানায় হল ভর্তি হয়ে দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে হয়েছে। সঙ্গীত প্রেমীদের অনুরোধে গানে গানে রাত দশটা অবধি চলে অনুষ্ঠান। যন্ত্রানুসঙ্গে ছিলেন কী বোর্ডে পঙ্কজ নাথ, তবলায় রাজু দাশ,সানি দে, সায়ন দে, অক্টোপেডে প্রণব দাশ,গিটারে মো: সেলিম।

হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে ইউসিটিসি’র ড্রামা ক্লাবের মঞ্চে ‘নিমফুল’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি,চট্টগ্রাম (ইউসিটিসি’র) ড্রামা ক্লাব তাঁর কালজয়ী নাটক ‘নিমফুল’ মঞ্চস্থ করেছে।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ প্রযোজনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অভিনয়ের মাধ্যমে নাটকটির মানবিক আবেদন, গ্রামীণ জীবন ও সম্পর্কের সূক্ষ্ম আবেগ দর্শকদের সামনে প্রাণবন্তভাবে তুলে ধরেন। পুরো পরিবেশনা জুড়ে দর্শকদের উপস্থিতি ও আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন জুনায়েদ হোসেন জাওয়াদ (হেদায়েত চৌধুরী), ফারজানা মুন্সি সীমা (মদিনা), রিফাত হাসান (মাস্টার), ইমতিয়াজ ইমতি (ফজলু), সফল দাশ (কুদ্দুস), সাওয়াদ সামি (মনা ডাকাত), আরিয়ান (মনা ডাকাতের ছেলে), মারুফ চৌধুরী (হেডমাস্টার), সিয়াম (মেম্বার), জয়নাল (অর্নব দত্ত), তাওছিন আক্তার (সালেহার আম্মা) এবং উম্মে সামিহা (সালেহা)। প্রযোজনাটির নির্দেশনা দেন মায়া দত্ত।
হেদায়েত চৌধুরী চরিত্রে অভিনয় করা জুনায়েদ হোসেন জাওয়াদ বলেন, “হুমায়ূন আহমেদের নাটকে অভিনয় করা আমাদের জন্য যেমন গর্বের, তেমনি বড় একটি দায়িত্বও। চরিত্রটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে আমরা দীর্ঘদিন মহড়া করেছি। দর্শকদের ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

নাটকের নির্দেশক মায়া দত্ত বলেন, “হুমায়ূন আহমেদের নাটক শুধু বিনোদন নয়, মানুষের জীবন, সম্পর্ক ও সমাজকে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের নিয়ে তাঁর নাটক মঞ্চস্থ করার মাধ্যমে আমরা তাঁর সৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছি।

নাটকটি দেখতে আসা এক দর্শক বলেন, “শিক্ষার্থীদের অভিনয় ছিল আন্তরিক ও পরিণত। সীমিত আয়োজনের মধ্যেও তারা নাটকের আবহ সুন্দরভাবে তৈরি করতে পেরেছে। পুরো প্রযোজনা উপভোগ্য ছিল।আরেক দর্শক জানান, “হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর নাটক মঞ্চস্থ করার উদ্যোগটি সত্যিই প্রশংসনীয়। এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত দর্শকরা অভিনয়শিল্পী ও নির্দেশককে অভিনন্দন জানান। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও বাংলা নাট্যসাহিত্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টিগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ