আজঃ শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

,একুশে পদক,এর প্রর্বতক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’

লেখক: জহিরুল ইসলাম

সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল। [email protected]

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা ব্যক্তি ও মহান রাষ্ট্রনায়ক। জিয়া বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। জাতীয় ইতিহাসের এক ক্রান্তিলগ্নে একজন পরিত্রাণকারী হিসেবে রাজনীতিতে জিয়ার আবির্ভাব। তিনি শতধা বিভক্ত জাতিকে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ করেছেন। জিয়া দেশপ্রেমে উজ্জ্বল এক অনুভূতির নাম। ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, জীবন বাংলাদেশ আমার মরণ বাংলাদেশ’-ছিল জিয়ার বিশ্বাস ও ধ্যান। তিনি আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে শুধু রাজনীতি, প্রশাসন, অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতিতে তার কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেননি, স্বাধীন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতেও তার বলিষ্ঠ ভূমিকা ও অবদান রেখে গেছেন।

একুশে পদক বাংলাদেশের একটি জাতীয় এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই পদক প্রদানের বিষয়টি পরিচালনা করে থাকে। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জাতীয় পর্যায়ে গুণীজনদের সম্মানিত করার জন্য এই পুরস্কার একটি বিশেষ জাতীয় স্মারক হিসেবে স্বীকৃত।

একুশে পদক ১৯৭৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম প্রবর্তন করেন। একুশে পদক বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক, সাহিত্যিক, বুদ্ধিবৃত্তিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তি ও সংস্থাকে প্রদান করা হয়। প্রথম পদক পান আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম,পল্লীকবি জসিম উদ্দিন ও বেগম সুফিয়া কামাল। ইতিহাস থেকে কারো অবদান জোর করে মুছে দেয়া যায় না। সাময়িকভাবে জিয়াকে হেয় করা, তার সোনালি অবদানকে অস্বীকার করার অপতৎপরতা আমরা পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনা রেজিমে দেখছি। কিন্তু এ অপপ্রয়াস সফল হয়নি। জিয়াকে ভুলিয়ে দেয়া, তার অবদানকে মুছে ফেলার সাধ্য এ দেশে কারো হবে না। জিয়া থাকবেন দেশপ্রেমিক বিবেকবান প্রতিটি মানুষের অন্তরে এক জীবন্ত প্রত্যয় হিসেবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এর তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের একুশে পদক ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গুণীজনদের হাতে তুলে দেবেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও আপোষহীন দেশনেত্রী সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া’র সুযোগ্য সন্তান বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যিনি নিজ মেধা মননে, নিজ যোগ্যতায় নেতৃত্বগুনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২ টি আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ও দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর নেতৃত্ব ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ভুমিধস বিজয় লাভ করেছে। দুই-তৃতীয়াংশ জনগনের ম্যান্ডেট নিয়ে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠন করেছেন। তিনি ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন পেরিয়ে রাষ্ট্র মেরামতের কাজ শুরু করেছেন। এ পথ অনেক কঠিন। রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানকে খুনী হাসিনা গং ধ্বংস করে গেছে। দেশের ইতিহাস বিকৃতি করে গেছে। একুশে পদক যিনি প্রর্বতন করেছেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম কে নানা ভাবে হেয় করার প্রচেষ্টা দেশবাসী দেখেছে। ক্ষমতা লোভী হাসিনার কারণে এদেশের শিল্প সংস্কৃতিতে রাজনৈতিক নগ্ন দলীয়করণ হয়েছে ব্যাপকভাবে। শিল্পীরা দলমতের উর্দ্বে।শিল্পী সমাজ যদি দলকানা আচরণ করে তাহলে শিল্প সংস্কৃতি তার স্বকীয়তা হারায়। সবার আগে বাংলাদেশ আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। আমাদের রয়েছে নিজস্ব কৃষ্টি কালচার গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য বাহি বিশাল শিল্প-সাহিত্য ভান্ডার। শিল্পীরা থাকবে দল-মতের উর্ধ্বে। সাহিত্যিক, কবি বুদ্ধিজীবিরাও। রাজনীতিবিদরা দেশ চালাবে এটাই স্বাভাবিক। অতীতে সামান্য পুরস্কারের লোভে ইতিহাসের বিকৃতি হতে আমরা দেখেছি। আমরা আশা করবো ভবিষ্যতে এমন ইতিহাস বিকৃতি হবে না। কবি সাহিত্যিক লেখকরা হবে সমাজের দর্পণ। তারা দলকানা হবে না। সত্য প্রকাশে পিছপা হবে না এমনই চাওয়া নতুন বাংলাদেশে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ৯ জন ব্যক্তি এবং একটি প্রতিষ্ঠান কে একুশে পদক-২০২৬ তুলে দিবে। একুশে পদকের জন্য মনোনীত ব্যক্তিরা হলেন-অভিনয়ে ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলায় প্রফেসর ড. মো. আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), নৃত্যে অর্থি আহমেদ, পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় প্রফেসর ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার ও ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস। এ ছাড়া সংগীতে ওয়ারফেজকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নিয়েছেন খুবই বাজে সময়ে। দেশের অর্থনীতি হতে শুরু করে সব সেক্টর ই করুন দশা। যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের চেয়েও খারাপ সময়। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যেকটি রাষ্ট্রীয় অঙ্গ প্রতিষ্ঠানে নেই কোন চেইন অফ কমান্ড। বৈদেশিক ঋণের বাড়ে দেশের অর্থনীতি কাবু। নেই বিদেশি বিনিয়োগ। কর্মসংস্থানের অভাবে বেকারত্বের হার বাড়ছে প্রতিনিয়ত। আইন-আদালত থেকে ব্যবসায়ী, বুদ্ধিজীবি, শিল্পী, শিক্ষাবিদ এমনকি জাতীয় পর্যাযের ক্রীড়াবিদরাও নগ্নভাবে ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে সুবিধাভোগী। এমন কঠিন সময়ে দেশের দায়িত্ব পেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের মানুষের আশা তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়াবে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর হাতধরে এদেশে অনেক কিছুতেই নতুনত্ব এসেছিলো। রাষ্ট্রপতি হিসেবে (১৯৭৭–১৯৮১) তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, অর্থনৈতিক সংস্কার, গ্রামীণ উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর উদ্যোগে খাল খনন কর্মসূচি, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং উৎপাদনমুখী অর্থনীতির ওপর জোর দেওয়া হয়। একুশে পদক প্রর্বতনের মধ্য দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও জাতীয় পর্যায়ে গুনীজনদের সম্মানিত করে গেছেন। যার ধারাবাহিকতা আজও চলমান। বাংলাদেশ যতোদিন থাকবে একুশে পদকের মধ্য দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও গুনীজনদের প্রতি এই সম্মাননা ততোদিন চলতে থাকবে। আমরা চিরঋনী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর কাছে। দেশের প্রত্যেকটি সেক্টর ই উনার ভিশনারী নেতৃত্বের সুফল আজও আমরা পাচ্ছি।

বাংলাদেশকে উন্নতি ও সমৃদ্ধির এক বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে অধিষ্ঠিত করে জিয়া ইতিহাসে নিজের অক্ষয় স্থান নিশ্চিত করেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে বহুদলীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন, সময়োপযোগী গতিশীল পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের মাধ্যমে বিশ্ব রাজনীতিতে বাংলাদেশের স্বতন্ত্র অবস্থান ও গতিপথ নির্ধারণ এসব বহুমাত্রিক সাফল্যের কথা সুবিদিত এবং বহুল চর্চিত। শহীদ জিয়া ছিলেন মাটি ও মানুষের নেতা। এ দেশের গরিব মেহনতি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ছিল তার অন্যতম জীবন সাধনা। ২০২৬ সালের একুশে পদক বিতরণের এই মাহেন্দ্রক্ষণে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম কে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী মিয়া চৌধুরী- বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবু জাফর চৌধুরী ট্রাস্টের ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন। মাতৃভাষার জন্য আমাদের ত্যাগ ও ভালোবাসা স্বীকৃতিস্বরুপ ইউনেস্কো ২১ ফেব্রয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। একুশের চেতনা আজ বিশ্বজুড়ে সকল ভাষার মার্যাদা রক্ষা ও সুরক্ষার আন্দোলনের রুপ নিয়েছে বলে বক্তব্য রাখেন বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী মিয়া চৌধুরী- বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবু জাফর চৌধুরী ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ভাষা দিবস ও শহীদ দিবস উপলক্ষে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদের আত্মত্যাগ কথা স্মরণ করে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাত ১২.০১ মিনিটে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী মিয়া চৌধুরী- বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবু জাফর চৌধুরী ট্রাস্টের নেতৃবৃন্দ। পুষ্পস্তবক অর্পণ কালে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল এর আহবায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ চৌধুরী, খুলশী থানা ডেপুটি কমান্ডার এস এম লিয়াকত হোসেন, গেরিলা কমান্ডার ফজল আহমদ, সাংবাদিক বীরমুক্তিযোদ্ধা পংকজ দস্তিদার, বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরুল আমিন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মো: রাশেদুল ইসলাম, শামসুল ইসলাম প্রমূখ।

ভাষার শক্তি নির্ভর করে জ্ঞানের সমৃদ্ধির ওপর: বিভাগীয় কমিশনার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন বলছেন, ভাষা আন্দোলনের প্রেরণাই পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামে শক্তি জুগিয়েছিল। ১৯৫২ সালের চেতনাই জাতিকে অন্যায় ও অনাচারের বিরুদ্ধে বারবার রাস্তায় নামতে সাহস জুগিয়েছে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও একুশের কবিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ১৯৪৭ সালের পর তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা করে।যদিও উর্দু ভাষার নিজস্ব সাহিত্য ও সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে,

তবুও অন্যের ভাষা জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতি প্রমাণ করে যে, তারা ঐক্যবদ্ধ হতে পারে এবং নিজেদের অধিকার আদায় করতে সক্ষম।তিনি আরও বলেন, একটি ভাষার শক্তি নির্ভর করে জ্ঞানের সমৃদ্ধির ওপর। ইতিহাসে দেখা যায়, একসময় জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র ছিল গ্রিস, পরে আরব বিশ্ব এবং তারপর ইউরোপ।

তারা বিশ্বের নানা ভাষার জ্ঞান নিজেদের ভাষায় অনুবাদ করে সমৃদ্ধ হয়েছে। বাংলাদেশেরও উচিত বিশ্বের জ্ঞানভাণ্ডার বাংলায় অনুবাদ ও চর্চার মাধ্যমে ভাষাকে আরও শক্তিশালী করা। পৃথিবীর জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলা ভাষা অন্যতম শীর্ষ ভাষা হলেও অর্থনৈতিক শক্তির অভাবে তা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রাপ্য মর্যাদা পায়নি। তাই ভাষার মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সভাপতির বক্তৃতায় বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম নয়, বরং এটি ছিল জাতীয় আত্মমর্যাদা ও স্বাধীনতার বীজ রোপণের ঐতিহাসিক অধ্যায়। বাংলা ভাষা শুধু আবেগের বিষয় নয়-এটি জাতিসত্তার ভিত্তি। বাংলা ভাষা বিশ্বে অন্যতম বৃহৎ ভাষা হওয়া সত্ত্বেও প্রযুক্তি ও জ্ঞানচর্চায় এর ব্যবহার বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

তিনি তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ যেন বৃথা না যায়। প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন প্রজন্মকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্চয় সরকার বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। এসময় প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসক পুরস্কার তুলে দেন।

আলোচিত খবর

পিলখানা ট্রাজেডি: বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পিলখানা ট্রাজেডি: বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ