,একুশে পদক,এর প্রর্বতক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’

লেখক: জহিরুল ইসলাম

সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল। [email protected]

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা ব্যক্তি ও মহান রাষ্ট্রনায়ক। জিয়া বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। জাতীয় ইতিহাসের এক ক্রান্তিলগ্নে একজন পরিত্রাণকারী হিসেবে রাজনীতিতে জিয়ার আবির্ভাব। তিনি শতধা বিভক্ত জাতিকে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ করেছেন। জিয়া দেশপ্রেমে উজ্জ্বল এক অনুভূতির নাম। ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, জীবন বাংলাদেশ আমার মরণ বাংলাদেশ’-ছিল জিয়ার বিশ্বাস ও ধ্যান। তিনি আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে শুধু রাজনীতি, প্রশাসন, অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতিতে তার কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেননি, স্বাধীন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতেও তার বলিষ্ঠ ভূমিকা ও অবদান রেখে গেছেন।

একুশে পদক বাংলাদেশের একটি জাতীয় এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই পদক প্রদানের বিষয়টি পরিচালনা করে থাকে। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জাতীয় পর্যায়ে গুণীজনদের সম্মানিত করার জন্য এই পুরস্কার একটি বিশেষ জাতীয় স্মারক হিসেবে স্বীকৃত।

একুশে পদক ১৯৭৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম প্রবর্তন করেন। একুশে পদক বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক, সাহিত্যিক, বুদ্ধিবৃত্তিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তি ও সংস্থাকে প্রদান করা হয়। প্রথম পদক পান আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম,পল্লীকবি জসিম উদ্দিন ও বেগম সুফিয়া কামাল। ইতিহাস থেকে কারো অবদান জোর করে মুছে দেয়া যায় না। সাময়িকভাবে জিয়াকে হেয় করা, তার সোনালি অবদানকে অস্বীকার করার অপতৎপরতা আমরা পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনা রেজিমে দেখছি। কিন্তু এ অপপ্রয়াস সফল হয়নি। জিয়াকে ভুলিয়ে দেয়া, তার অবদানকে মুছে ফেলার সাধ্য এ দেশে কারো হবে না। জিয়া থাকবেন দেশপ্রেমিক বিবেকবান প্রতিটি মানুষের অন্তরে এক জীবন্ত প্রত্যয় হিসেবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এর তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের একুশে পদক ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গুণীজনদের হাতে তুলে দেবেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও আপোষহীন দেশনেত্রী সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া’র সুযোগ্য সন্তান বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যিনি নিজ মেধা মননে, নিজ যোগ্যতায় নেতৃত্বগুনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২ টি আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ও দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর নেতৃত্ব ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ভুমিধস বিজয় লাভ করেছে। দুই-তৃতীয়াংশ জনগনের ম্যান্ডেট নিয়ে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠন করেছেন। তিনি ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন পেরিয়ে রাষ্ট্র মেরামতের কাজ শুরু করেছেন। এ পথ অনেক কঠিন। রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানকে খুনী হাসিনা গং ধ্বংস করে গেছে। দেশের ইতিহাস বিকৃতি করে গেছে। একুশে পদক যিনি প্রর্বতন করেছেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম কে নানা ভাবে হেয় করার প্রচেষ্টা দেশবাসী দেখেছে। ক্ষমতা লোভী হাসিনার কারণে এদেশের শিল্প সংস্কৃতিতে রাজনৈতিক নগ্ন দলীয়করণ হয়েছে ব্যাপকভাবে। শিল্পীরা দলমতের উর্দ্বে।শিল্পী সমাজ যদি দলকানা আচরণ করে তাহলে শিল্প সংস্কৃতি তার স্বকীয়তা হারায়। সবার আগে বাংলাদেশ আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। আমাদের রয়েছে নিজস্ব কৃষ্টি কালচার গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য বাহি বিশাল শিল্প-সাহিত্য ভান্ডার। শিল্পীরা থাকবে দল-মতের উর্ধ্বে। সাহিত্যিক, কবি বুদ্ধিজীবিরাও। রাজনীতিবিদরা দেশ চালাবে এটাই স্বাভাবিক। অতীতে সামান্য পুরস্কারের লোভে ইতিহাসের বিকৃতি হতে আমরা দেখেছি। আমরা আশা করবো ভবিষ্যতে এমন ইতিহাস বিকৃতি হবে না। কবি সাহিত্যিক লেখকরা হবে সমাজের দর্পণ। তারা দলকানা হবে না। সত্য প্রকাশে পিছপা হবে না এমনই চাওয়া নতুন বাংলাদেশে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ৯ জন ব্যক্তি এবং একটি প্রতিষ্ঠান কে একুশে পদক-২০২৬ তুলে দিবে। একুশে পদকের জন্য মনোনীত ব্যক্তিরা হলেন-অভিনয়ে ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলায় প্রফেসর ড. মো. আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), নৃত্যে অর্থি আহমেদ, পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় প্রফেসর ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার ও ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস। এ ছাড়া সংগীতে ওয়ারফেজকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নিয়েছেন খুবই বাজে সময়ে। দেশের অর্থনীতি হতে শুরু করে সব সেক্টর ই করুন দশা। যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের চেয়েও খারাপ সময়। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যেকটি রাষ্ট্রীয় অঙ্গ প্রতিষ্ঠানে নেই কোন চেইন অফ কমান্ড। বৈদেশিক ঋণের বাড়ে দেশের অর্থনীতি কাবু। নেই বিদেশি বিনিয়োগ। কর্মসংস্থানের অভাবে বেকারত্বের হার বাড়ছে প্রতিনিয়ত। আইন-আদালত থেকে ব্যবসায়ী, বুদ্ধিজীবি, শিল্পী, শিক্ষাবিদ এমনকি জাতীয় পর্যাযের ক্রীড়াবিদরাও নগ্নভাবে ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে সুবিধাভোগী। এমন কঠিন সময়ে দেশের দায়িত্ব পেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের মানুষের আশা তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়াবে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর হাতধরে এদেশে অনেক কিছুতেই নতুনত্ব এসেছিলো। রাষ্ট্রপতি হিসেবে (১৯৭৭–১৯৮১) তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, অর্থনৈতিক সংস্কার, গ্রামীণ উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর উদ্যোগে খাল খনন কর্মসূচি, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং উৎপাদনমুখী অর্থনীতির ওপর জোর দেওয়া হয়। একুশে পদক প্রর্বতনের মধ্য দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও জাতীয় পর্যায়ে গুনীজনদের সম্মানিত করে গেছেন। যার ধারাবাহিকতা আজও চলমান। বাংলাদেশ যতোদিন থাকবে একুশে পদকের মধ্য দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও গুনীজনদের প্রতি এই সম্মাননা ততোদিন চলতে থাকবে। আমরা চিরঋনী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর কাছে। দেশের প্রত্যেকটি সেক্টর ই উনার ভিশনারী নেতৃত্বের সুফল আজও আমরা পাচ্ছি।

বাংলাদেশকে উন্নতি ও সমৃদ্ধির এক বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে অধিষ্ঠিত করে জিয়া ইতিহাসে নিজের অক্ষয় স্থান নিশ্চিত করেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে বহুদলীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন, সময়োপযোগী গতিশীল পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের মাধ্যমে বিশ্ব রাজনীতিতে বাংলাদেশের স্বতন্ত্র অবস্থান ও গতিপথ নির্ধারণ এসব বহুমাত্রিক সাফল্যের কথা সুবিদিত এবং বহুল চর্চিত। শহীদ জিয়া ছিলেন মাটি ও মানুষের নেতা। এ দেশের গরিব মেহনতি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ছিল তার অন্যতম জীবন সাধনা। ২০২৬ সালের একুশে পদক বিতরণের এই মাহেন্দ্রক্ষণে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম কে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আজ বিশ্ব শরনার্থী দিবস। দেশে দেশে যু্ূদ্ধ, জাতি গত দাঙ্গায় অশান্ত বিশ্ব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আজ বিশ্ব শরনার্থী দিবস। দেশে দেশে যু্ূদ্ধ বিগ্রহের কারণে এবং জাতি গত দাঙ্গায় বিশ্ব আজ অশান্ত হয়ে উঠেছে। শান্তিপ্রিয় মানুষগুলো আজ শান্তির অন্বেশায় ছুটে বেড়াচ্ছে পৃথিবীর এপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। বিশ্বে শরনার্থীর সংখ্যা ১১ কোটি ছাড়িয়েছে। সারাবিশ্বে সবচেয়ে বেশি শরনার্থীর তুরস্কে। এখানে ৩৬ লক্ষ শরনার্থী রয়েছে। এরই মধ্যে ২ লক্ষ কমেছে তুরস্ক থেকে।

তুরস্ক সরকার এরই মধ্যে ইউএনএইচসিআরকে জানিয়েছে, শরনার্থীদের জন্য স্থায়ীভাবে কিছু করতে নাপারলে তারা যেন শরনার্থীদের নিয়ে যায়।এরপরই স্থান হলো ইরানের। আফগানিস্তান থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে ইরানে ৩৪ লাখ এবং পাকিস্তানে কয়েক লাখ আফগান শরনার্থী রয়েছে। ভেনেজুয়েলান প্রায় ২৫ লাখ শরনার্থী প্রতিবেশী দেশে রয়েছে। মায়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে ১২ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী প্রাণভয়ে আশ্রয় নিয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যানে এর সংখ্যা কিছুটা কম হতে পারে।

এবছর বিশ্ব শরণার্থী দিবসের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য হলো “শরণার্থীদের প্রতি সংহতি”।ইউএনএইচসিআর-এর বিশ্বব্যাপী সমন্বয়ে, এ বছরের মূল প্রতিপাদ্যটি শরণার্থীদের অধিকার রক্ষা করা। কুসংস্কারের বিরোধিতা এবং বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠী যাতে গ্রহণযোগ্যতা, সমর্থন ও সম্মানের সাথে আচরণ পায় তা নিশ্চিত করার জন্য সহানুভূতির ঊর্ধ্বে উঠে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়া।

বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় শরনার্থী শিবিরে আশ্রিত ও স্থানীয়দের জন্য ইউএনএইচসিআর বরাদ্দ দিয়েছে ১৪ মিলিয়ন ডলার। এটা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।২০ জুন হলো জাতিসংঘ কর্তৃক বিশ্ব শরণার্থী দিবস। প্রতি বছর বিশ্ব শরণার্থী দিবস পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীদের সেদেশে ফিরিয়ে নিতে মায়ানমার সরকারের প্রতি বারবার আহ্বান জানিয়ে আসলেও সেদেশের সরককার কার্যত কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা।আন্তর্জাতিক মহল বারবার মায়ানমারের সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সেদেশের সরকারি নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়ার জন্য ।
কার্য়ত কোন ফল আসনি।

বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের অমানবিক অবস্থানের প্রতি আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দের সচেতনতা সৃষ্টির জন্য পালন করা হয় এদিবসটি। ২০০১ সালের ২০ জুন প্রথম এই দিবসটি প্রতিষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের ৫০ তম অধিবেশনে।
বিশ্ব শরণার্থী দিবসে বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার সময়ে পদক্ষেপ এবং সহানুভূতির এক শক্তিশালী মানবিক আহ্বান। রেকর্ড সংখ্যক মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত এবং মানবিক সহায়তা হুমকির মুখে থাকায়, এই বছরের প্রতিপাদ্য বিষয় “শরণার্থীদের সাথে সংহতি” – জানানো। নিজ দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হওয়া ব্যক্তিদের সমর্থন করার জন্য অর্থপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাই।

বিশ্ব শরণার্থী দিবসে তাদের সাহস এবং স্থিতিস্থাপকতাকে সম্মান জানানোর, তাদের গল্প শোনার এবং বাস্তুচ্যুতির স্থায়ী সমাধানের পক্ষে কথা বলার একটি মুহূর্ত। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়যে শরণার্থীদের স্বাগত জানানো সমাজকে শক্তিশালী করে।উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে এবং এমন সম্প্রদায় তৈরি করে যেখানে সকলেই অন্তর্ভুক্ত থাকে। নীতি পরিবর্তন এবং সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা থেকে শুরু করে শরণার্থীদের কণ্ঠস্বর ভাগ করে নেওয়ার মতো সম্মিলিত পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে শরণার্থীদের ভুলে যাওয়া হয় না।
শরণার্থীদের কণ্ঠস্বর কেন্দ্রীভূত করা শরণার্থীদের ব্যক্তিগত গল্প শুনুন এবং তাদের সাথে ভাগাভাগি করুন, তাদের শক্তি, সাহস এবং বাস্তুচ্যুতির বাইরেও বহুমুখী পরিচয়ের স্বীকৃতি দিন।অন্তর্ভুক্তিমূলক সম্প্রদায় গড়ে তোলা স্বাগতপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করুন যেখানে শরণার্থীরা সংযোগ তৈরি করতে পারে।শান্তি ও সমাধানের জন্য একসাথে কাজ করা নিরাপত্তা চাওয়ার অধিকারকে সমর্থন করুন। সংঘাত নিরসনের পক্ষে কথা বলুন এবং বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর দীর্ঘমেয়াদী, টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সমর্থন করুন।

যারা থাকেন এবং বিতরণ করেন তাদের পাশে দাঁড়ানো জাতিসংঘ এবং এর মানবিক কর্মীদের সমর্থন করুন যারা সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতেও সেবা প্রদান করে চলেছেন, নিশ্চিত করুন যে জীবন রক্ষাকারী সাহায্য অভাবীদের কাছে পৌঁছায়।

জীবন সংস্কৃতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কতনা অদ্ভূত সমাজ
মিথ্যাকে বিশ্বাস করে
সত্যের প্রমান চায়,
সাপের মতো খোলস বদল
স্বভাব থেকে যায় ।

কতনা অদ্ভূত সমাজ
ভাল কাজ মুছে যায়
সময়ের বাঁকে,
মন্দ কাজ রেকর্ড হয়
ইতিহাসের ফাঁকে ।

কতনা বিচিত্র জীবন সংস্কৃতি
একদিন না পেলে
ভুলে যায় স্মৃতি ,
স্বার্থের মোহে অন্ধ মানুষ
লাভের গায় গীতি ।।

কতনা অদ্ভূত মানুষ
অবুঝ তার মন,
সত্যকে আড়াল করে
মিথ্যার অনুশীলন।

কতনা অসহায় মানুষ
যত পায় তত চায় ,
অফুরন্ত চাহিদা তার
অভাব থেকে যায় ।

কতনা অবুঝ মানুষ
হিসেবের খাতায় ভুল
ক্ষনিকের মোহ মায়ায়
সৃষ্টির প্রেমে আকুল ।

কতনা অসহায় মানুষ
হেরে যায় টাকার কাছে
লোভের কাছে
বন্ধুত্বের কাছে
কখনো ভালবাসার কাছে ।

কতনা অসহায় মানুষ
হেরে যায় বিবেকের কাছে
সময়ের কাছে
অবশেষে মৃত্যুর কাছে ।

কতনা অসহায় মানুষ
উজাড় করে জীবন,
একদিন নিজেই বোঝা
কেউ থাকেনা আপন।

কতনা অসহায় মানুষ
জানেনা তার কখন মরণ,
যেতে হবে ছেড়ে
মায়ার বাঁধন,
সব যাবে মুছে
কেউ করবেনা স্মরণ ।

এই বুঝি দুনিয়ার নিয়ম
বিদায়ের পরিনতি,
হাসি আর কান্নার মাঝে
জীবনের ইতি ।

রচনাকাল: ১৫/১২/২০২৫

আলোচিত খবর

সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক স্পিকার, সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার
ইন্তেকাল করেছেন।ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।l

আজ রোববার ১২ জুলাই ফজরের সময় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৯৫ বছর। তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক ও আইনজীবী জীবনে দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র, আইন অঙ্গন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেন। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর জানাজা ও দাফনের সময়সূচি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ