আজঃ রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬

সুরধ্বনি মিউজিক একাডেমি’র শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান সম্পন্ন।

অরুণ নাথ '

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সুরধ্বনি মিউজিক একাডেমি আয়োজিত ১০ই মে রবিবার সন্ধ্যা ৬.৩০ টায় চট্টগ্রাম নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনেঅনুষ্ঠিত শাস্ত্রীয় সঙ্গীতানুষ্ঠান। এতে শুরুতেই মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের মুখ্য বাদ্যযন্ত্রী অনুপম বিশ্বাস। উদ্বোধনী অর্কেস্ট্রা পরিবেশন করেন সুরধ্বনি মিউজিক একাডেমির শিক্ষার্থীরা বাঁশী, দোতারা, বেহালা, উকুলেলে এবং কণ্ঠ সঙ্গীত সমন্বয়ে রাগ ভুপালীতে অর্কেস্ট্রা পরিবেশন করেন। অর্কেস্ট্রা পরিবেশনায় অংশ গ্রহণ করেন জবাশ্রী দাশগুপ্ত, দিপংকর বড়ুয়া, হৃদিতা দাশ (পুজা), কমলিনী নাথ,   নীলরাজ নাথ, রাশী দাশ, দিঘী মজুমদার, উর্বশী দে, সঙ্গীতা মহাজন,  পুজা দাশ,  অনুষ্ক দে, জিশু দেবনাথ, অভিজিৎ আচার্য্য, রনি দে, রাইমা দাশ, দুর্লভ দাশ, সীমান্ত দাশ, প্রশান্ত দাশ,  শামীম হোসাইন, হৃদয় দাশ অর্চিতা দাশ,  আনোয়ার হোসেন, প্রান্ত ধর, তমাল মজুমদার,   প্রেরণা আচার্য্য, সঞ্জিত রায়, প্রসেনজিৎ নাথ। তবলা সহযোগিতায় ছিলেন শিল্পী রাজীব চক্রবর্তী।  অর্কেস্ট্রা পরিচালনা করেন সুরধ্বনি মিউজিক একাডেমির পরিচালক শিল্পী সুমন কুমার নাথ।
এরপর অদিতি সাহার সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রকৌশলী টিটু কুমার দাশ।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দ্যা নীড এ্যাপারেলস ( প্রা:) লিমিটেড এর চেয়ারম্যান রিয়াজ ওয়ায়েজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বেতার এবং টেলিভিশনের উচ্চাঙ্গসংগীত শিল্পী রনধীর দাশ।

বক্তারা একাডেমির এ ধরনের আয়োজনকে সাধুবাদ জানান,সংস্কৃতি প্রেমীদের জন্য উপভোগ্য হয়ে উঠবে উল্লেখ করেন, একাডেমির উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি কামনা করেন। ঢাকা থেকে আগত BASIC ACADEMY OF YOGIC ACOUSTIC TRADITIONAL INSTRUMENTS (BAYATI) দেশ রাগে দোতারাতে অর্কেস্ট্রা পরিবেশন করেন। পরবর্তীতে দরবারি রাগে একক খ্যায়াল পরিবেশন করেন শিল্পী রিষু তালুকদার।  তবলা বাদনে ছিলেন শিল্পী রাজীব চক্রবর্তী এবং  হারমেনিয়ামে বিজয় দেবনাথ। তানপুরায় সহযোগিতা করেন হৃদিতা দাশ পুজা।

বাঁশীতে সুরের মুর্ছনায় এক অনবদ্য পরিবেশনা উপহার দিলেন শিল্পী রাসেল দত্ত।  তিনি প্রথমে মত্যতাল এবং পরবর্তী তে ত্রিতালে রাগ বাগেশ্রী পরিবেশন করেন। তবলা বাদনে ছিলেন শিল্পী সানি দে এবং তানপুরা সহযোগিতায় আরাধ্যা দাশ। পরিশেষে শিল্পী রাসেল দত্ত কীর্তন ধুন পরিবেশন করে দর্শক শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন।

ওপার বাংলার থেকে আগত শিল্পী বাবুসোনা বসু চতুরঙ্গী পরিবেশন করিয়ে দর্শকশ্রোতাবৃন্দের সুরের তৃপ্তি আস্বাদনের মাত্রা আরো বাড়িয়ে তোলেন। তিনি প্রথমে বিলম্বিত ত্রিতালে এবং পরে দ্রুত লয়ে রাগ যোগ পরিবেশন করেন। তবলা বাদনে ছিলেন ওপার বাংলা থেকে আগত শিল্পী সমীর আচার্য্য।  পরিশেষে একটি ধুন বাজিয়ে হলরুমে সুরের মায়াজালে উপস্থিত দর্শক – শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর স্থাপনা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ. কে. এম. শামছুল ইসলাম চট্টগ্রামে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা, শিল্প ও সামরিক স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি বানৌজা ঈসা খানে অবস্থিত আইএফএফ সেন্টার, সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিএনআরডি) এবং চিটাগাং ড্রাই ডক লিমিটেডের (সিডিডিএল) কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

আইএসপিআর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আইএফএফ সেন্টার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের সমুদ্রসীমায় সব জাহাজের গতিবিধি, তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও সংরক্ষণ করে থাকে, যা সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নজরদারি কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অপরদিকে, সিএনআরডি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি গবেষণা ও উদ্ভাবনমুখী প্রতিষ্ঠান, যেখানে জ্বালানি পরিশোধন প্রযুক্তি, ড্রোন উন্নয়ন এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা ও উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেডের কার্যক্রমও পরিদর্শন করেন। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজসহ বিভিন্ন বেসামরিক জাহাজের মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ ও নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে দেশের সামুদ্রিক শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এ সময় তিনি চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেডের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা শিল্পে মেড ইন বাংলাদেশ নীতির আলোকে চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেডের গুরুত্ব অপরিসীম বলেও উল্লেখ করেন এবং চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেডের পেশাগত ও কারিগরি দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তিনি কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড এবং ওয়েস্টার্ন মেরিন লিমিটেড পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যমান সক্ষমতা, চলমান প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমের অগ্রগতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং দক্ষ জনশক্তির প্রশংসা করেন। তিনি দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, জাহাজ নির্মাণ শিল্প এবং প্রতিরক্ষা খাতের টেকসই উন্নয়নে সবাইকে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

ভারী বৃষ্টিপাত হলেও নগরীর অধিকাংশ এলাকায় দ্রুত পানি নিষ্কাশন হয়েছে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নগরবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করতে বৃষ্টির পানি যাতে কোথাও জমে না থাকে সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার কতা জানালেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হলেও নগরীর অধিকাংশ এলাকায় দ্রুত পানি নিষ্কাশন হয়েছে। ফলে কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি এবং সাধারণ মানুষের চলাচল ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের কোনো ভোগান্তি দেখা যায়নি। জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। খাল পুনরুদ্ধার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের ফলে ইতোমধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়েছে। ভবিষ্যতেও নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে আমাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার টানা বৃষ্টির মধ্যে নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, খাল ও জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মেয়র এলাকাগুলো ঘুরে দেখেন এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা কার্যকর রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
তিনি জানান, চসিকের পরিচ্ছন্নতা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মীরা মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক কাজ করছেন এবং খাল, নালা-নর্দমার প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জলাবদ্ধতাপ্রবণ স্থানগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, প্রতিবন্ধকতা দ্রুত অপসারণ এবং পানি প্রবাহে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ