আজঃ শনিবার ২৭ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ ‘নর্ডিক পোলাক্স’

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ ‘নর্ডিক পোলাক্স’। সব ঠিক থাকলে আগামী ৬ জুলাই সেটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছাবে। ‘নর্ডিক পোলাক্স’ জাহাজটি বিদেশি কম্পানি থেকে ভাড়ায় নিয়ে তেল পরিবহন করছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি)। ইরান-আমেরিকা যুদ্ধে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে জাহাজটি সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল। কড়াকড়ি কিছুটা শিথিল হওয়ার সুযোগে গত সোমবার জাহাজটি নিরাপদে হরমুজ প্রণালি পার হতে সক্ষম হয়। অর্থ্যাৎ ১২৮ দিন পর জাহাজটি তেল নিয়ে চট্টগ্রামে পৌঁছবে। জাহাজটিতে ১ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল (ক্রুড অয়েল) রয়েছে।

চট্টগ্রামে পৌঁছানোর পর এই তেল দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে (ইআরএল) শোধন করে দেশব্যাপী সরবরাহ করা হবে।বিপিসি হয়ে জ্বালানি তেল পরিবহনের এই কাজটি তদারকি করছে সরকারি সংস্থা বিএসসি।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক জানান, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে আমরা বসে থাকিনি। বিকল্প পথ হিসেবে সৌদি আরবের ইয়ানবু এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দর থেকে জ্বালানি তেল পরিবহন করে আনা হচ্ছে। বিকল্প পথে আনা জ্বালানি তেল দিয়েই এখন সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে।

নর্ডিক পোলাক্স রাস তানুরা বন্দরে তেলবোঝাই করে ১ মার্চ। এরপর থেকে সেখানেই আটকে ছিল। দীর্ঘ সময় আটকে থাকায় বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্পষ্ট করেন, দীর্ঘ কূটনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রচেষ্টায় আমরা তেলসহ জাহাজটি দেশে আনছি। তবে এত দিন জাহাজটি অলস বসে থাকার কারণে যে বিপুল ডেমারেজ বা অতিরিক্ত খরচ হয়েছে, তা বিএসসি কিংবা বিপিসি বহন করবে না; এই ব্যয় চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহকারী সংস্থাই বহন করবে। আর হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হলেই কেবল আমরা ভবিষ্যতে আবার এই নিয়মিত রুটে তেল আনব।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

একযোগে ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের অবস্থানের সঙ্গে মতপার্থক্যের কথা উল্লেখ করে জামায়াতপন্থি পরিচয়ে ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন।

আজ ২৩ জুন রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো পৃথক পৃথক পদত্যাগপত্রে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই চার্টার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হওয়া, বিচার বিভাগের জন্য স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা এবং সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের মতো বিষয়গুলো নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। তাদের মতে, এসব কারণে সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা, আইনের শাসন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে,পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন।

পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলরা হলেন— অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভূঁইয়া, আসাদ উদ্দিন এবং মুহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভূঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারুফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির, রেজাউল ইসলাম ও জাকির হোসেন।

পদত্যাগপত্রে তারা আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজেদের বিবেক ও নীতিগত অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণে তারা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানী ঢাকাসহ দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে এর উৎপত্তিস্থল ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।আজ সোমবার রাত সাড়ে নয়টায় কম্পন অনুভূত হয়।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ