চট্টগ্রামে রামজানে পণ্যের সংকট নিরসনে তিনগুণ বেড়েছে আমদানি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রমজানকে ঘিরে কোন ধরনের কৃত্রিম সংকট যেন না হয় সেজন্য পণ্যের আমদানি বেড়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, এবার ব্যবসায়ীরা অনান্যবারের তুলনায় আগেই পণ্য আমদানি করছে। ব্যাংকও সুযোগ দিচ্ছে। সে অনুসারে প্রশাসনের বাজার তদারকি বাড়ালে অসাধু ব্যবসায়ীদের পুরোনো সিন্ডিকেটের তৎপরতা গজিয়ে উঠবে না। বিশেষ করে রমজান মাসকে সামনে রেখে আমদানি বেড়েছে খেজুর, ডাল, চিনিসহ প্রায় সকল পণ্যের। এসব আমদানির মধ্যে আগের তুলনায় প্রায় তিনগুণ বেড়েছে রোজাদারদের অন্যতম খাবার খেজুর। এছাড়া রমজানকে ঘিরে কোন ধরনের কৃত্রিম সংকট যেন না হয় এবং অনান্যবারের মতো দাম যাতে না বাড়ে সেজন্য আমদানিতে শুল্কছাড়ের ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

জানা গেছে, চলতি বছরের শুরু থেকে পেঁয়াজ, রসুন ও আদা আমদানি করার সুযোগ পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি রমজানের আগেই দেশি মসলা বাজারে আসবে; যার কারণে পচনশীল মসলার দাম বাড়বে না বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
চাক্তাইয়ের ফোরকান ট্রেডার্সের মালিক মো. ফোরকান বলেন, এ বছর আমদানি সরবরাহ ভালো থাকায় অনান্য বছরের মতো পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের দাম বাড়তির কোন প্রভাব পড়বে না। রমজানের আগেই দেশি পেঁয়াজও বাজারে আসবে। ব্যবসায়ীরা এখন থেকে নানাদেশে আমদানিতে বুকিং রেখেছে। আর আমাদের ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের নেতৃত্বে বাজারকে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হবে।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস ডাল আমদানি আগের বছরের তুলনায় প্রায় সাত মেট্রিক টন বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছর এক লাখ ৮৯ হাজার ৩৭৮ মেট্রিক টন বিভিন্ন প্রকারের ডাল আমদনি করা হয়েছে। আর ২০২৩ সালে ছিল এক লাখ ৮২ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন। এছাড়া ছোলা চলতি অর্থবছরের নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আমদানি করা হয়েছে ২৬ হাজার ৩৬৭ মেট্রিক টন। তাছাড়া আগাম এলসি করা ডালও বাজারে আসা শুরু হয়েছে। শুল্কছাড়ের ডালও রমজানের একমাস আগেই বাজারে আসবে বলে জানান ডাল আমদানিকারকরা।
এছাড়া ২০২৪ সালে ভোজ্যতেল আমদানি করা হয়েছে ১৩ লাখ ৬০ হাজার ৩৫ মেট্রিক টন, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১২ লাখ ৯৫ হাজার ৩৩৪ মেট্রিক টন। অর্থাৎ গত বছরের ব্যবধানে চলতি অর্থবছর ৬৪ হাজার ৭০১ মেট্রিক টন ভোজ্যতেল বেশি আমদানি করা হয়।
আমদানির সঙ্গে জড়িত খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা বলেছেন, অন্যবারের তুলনায় এবার আমদানি সরবরাহ ভালো রয়েছে। পাশাপাশি ব্যাংকও আমদানিতে এলসি খোলার সুযোগ দিচ্ছে। তবে ডলার রেট যদি স্বাভাবিক থাকে তাহলে এবার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়বে না। শুকনো মসলা উপকরণ আমদানিতে দাম হেরফের হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও পচনশীল মসলা উপকরণের দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে দেশে চিনি আমদানি আগের বছরের তুলনায় কিছুটা কমেছে। অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত চিনি আমদানি করা হয়েছে পাঁচ লাখ ৬১ হাজার ৬২৩ মেট্রিক টন। আগের বছরের একই সময়ে দেশে চিনি আমদানি করা হয়েছিলো ছয় লাখ ৯০ হাজার ৮৮২ মেট্রিক টন। আর ডিসেম্বরে আমদানিকারকরা দেশে দুই হাজার ১৮৬ মেট্রিক টন খেজুর আমদানি করেছে। নভেম্বরে দেশে আনা হয়েছিল ৬৫৪ মেট্রিক টন। চলতি মাসে খেজুরের যথেষ্ট বুকিং করা হয়েছে যা ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে অর্ধেক বাজারে চলে আসবে বলে জানান খেজুর আমদানিকারকরা।
স্টেশন রোডের ফলমন্ডি এলাকার খেজুর আমদানিকারক মো. আবু জাফর বলেন, ব্যবসায়ীরা খেজুর আমদানি করার সুযোগ পাচ্ছে। কিন্তু ইতিপূর্বে যেসব এলসি করেছে তার শুল্ক দিতে হয়েছে; যার কারণে কিছু খেজুরের দাম খরচ সমন্বয় করে বিক্রি করবেন আমদানিকারকরা। আর যেসব পণ্যে শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়েছে তাও খরচ ছাড় দিয়ে বিক্রি করা হবে। তবে চাহিদা অনুযায়ী এবার খেজুর আমদানি করতে পারছেন ব্যবসায়ীরা।
খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক এস এম মো. মহিউদ্দিন বলেন, অনান্য বছরের মতো এবারও ব্যবসায়ীরা রোজাকে ঘিরে আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে। সরকারও চ্যালেঞ্জ করেছে এবার কোন অবস্থায় পণ্যের সংকট হবে না।

 

সে কারণে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের আমদানি করার সুযোগ দিচ্ছে। অনেকেই আগাম মজুদ করছে। এবার দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই।
‘আমদানিতে ব্যাংকের ডলার রেট ও বুকিং খরচে গরমিল’ রয়েছে দাবি করে এ ব্যবসায়ী নেতা বলেন, আমদানিতে সকল ব্যাংক ডলার রেট একদামে নিচ্ছে না। ব্যাংকভেদে ভিন্ন ভিন্ন ডলার দর নিচ্ছে ব্যবসায়ীদের থেকে। এটি সংস্কারে আসা প্রয়োজন। নয়তো একেক ব্যবসায়ী একক রেটে পণ্য বিক্রি করবে। এতে প্রশাসনের তদারকিতে যেমন সমস্যা হবে; বাণিজ্যে ব্যবসায়ীদেরও সমস্যা হবে। নিত্যপণ্যের বাজারে সমতা আসবে না।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটিসমূহ সক্রিয়করণে কাজ করতে হবে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এদেশের অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র সীমার মধ্যে দিনাতি পাত করছে। ঐ সমস্ত মানুষের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র বদ্ধপরিকর। আইনগত সহায়তা জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। দ্রুত সময়ে প্রান্তিক বিচারপ্রার্থী জনগণের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটিসমূহ সক্রিয়করণে কাজ হরতে হবে। সরকারি আইনি সেবা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রমের প্রচার বৃদ্ধি করতে হবে যাতে করে দেশের কোন অসহায় বিচারপ্রার্থী আইনের আশ্রয় বঞ্চিত না হয়”।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বুধবার বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায় জেলা জজ আদালত চট্টগ্রামের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত মাননীয় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ জনাব কাজী আবদুল হান্নান। জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সিভিল জজ) জনাব সুব্রত দাশ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এজিএম মনিরুল হাসান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ সোহাগ তালুকদার, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-১ম আদালতের বিজ্ঞ বিচারক জনাব মোঃ আরফাতুল রাকিব, যুগ্ম জেলা জজ জনাব মুমিনুন্নেছা খানম,

বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, সিভিল জজ জনাব লাবণী শর্মা ও জনাব মোঃ জোবায়ের রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব রাসেল পিপিএম (বার), ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মৌনম বড়ুয়া, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক আতিয়া চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক এড. মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন, বিজ্ঞ সরকারি কৌসুলী (জিপি) জনাব মোহাম্মদ কাসেম চৌধুরী, বিজ্ঞ জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর এড. আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক, বিজ্ঞ মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর জনাব এড. মফিজুল হক ভূঞা, বিজ্ঞ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাবৃন্দ, সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাবৃন্দ, লিগ্যাল এইড প্যানেল আইনজীবীবৃন্দ, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চট্টগ্রামের সদস্যবৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধিবৃন্দ প্রমূখ। সভায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার জানান বিগত ০৮ মাসে ১৪৩৬টি আবেদনে (মামলায়) আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তৎমধ্যে ২৭৮টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। উক্ত সময়ে ৮০৬টি প্রি-কেইস এডিআর আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং এডিআরের মাধ্যমে ৮৮৪ বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন আদালত হতে পোস্ট কেইস বিরোধ মিমাংসার জন্য ৬৩টি মামলা রিসিভ হয়েছে এবং ৭৫টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে (বিগত বছরের জেরসহ)। বিরোধ মিমাংসার মাধ্যমে ১ কোটি ৫০ লক্ষ ৭৭ হাজার টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রন্থ পক্ষকে প্রদান করা হয়েছে।

নিধারিত ভাড়া না মানলে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবস্থা: ইউএনও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট না থাকলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব সিএনজি অটোরিকশায় দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বোয়ালখালী উপজেলা অডিটোরিয়ামে সিএনজির ভাড়া, যাত্রীসেবা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

সভায় যাত্রীদের স্বার্থ, চালক ও মালিকদের ন্যায্যতা এবং সিএনজি পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিএনজিতে যাত্রী উঠানামার ভাড়া ৫ টাকা এবং ইউএনও কার্যালয় থেকে ফুলতল পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত কিংবা বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট লাগানো নিশ্চিত করতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ভাড়ার চার্ট না থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় না করা এবং যাত্রীদের সঙ্গে শালীন, ভদ্র ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বোয়ালখালীর পাঁচটি স্টেশনে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে ৫ টাকা করে বৃদ্ধি করা হবে। অন্য স্টেশনগুলোর ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।

সভায় বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি অধীর বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, এস এম মোদাচ্ছের, বোয়ালখালী সিএনজি অটোরিকশা টেম্পু শ্রমিক ও মালিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রহমান, শ্রমিকনেতা আবদুল সাত্তার এবং কালুরঘাট-ফুলতল, শাকপুরা, সিও অফিস, জোটপুকুর, কানুনগোপাড়া, দাশেরদীঘি, বেংগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালক ও সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ