আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

গাউসুলআজম মাইজভান্ডারী স্মারক সেমিনার ও জ্ঞানভান্ডার প্রকাশনার লেখক সম্মাননা ২০২৫ সম্পন্ন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

মাইজভান্ডার দরবার শরীফের অধ্যাত্ম শরাফতের প্রতিষ্ঠাতা ও মাইজভান্ডারী তরিকার প্রবর্তক গাউসুলআজম মাইজভান্ডারী মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.)’র ১১৯তম ওরশ শরীফ উদযাপন উপলক্ষে ১লা মাঘ ১৫ জানুয়ারী চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আন্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভান্ডারী চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয় কমিটির সভাপতি

আলহাজ্ব আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পর্ষদের সভাপতি, মোন্তাজেম ও সাজ্জাদানশীনে দরবার আলহাজ্ব শাহসুফি সৈয়দ আহমদ হোসাইন শাহরিয়ার মাইজভান্ডারী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি, মোন্তাজেম ও সাজ্জাদানশীনে দরবার আলহাজ্ব শাহসুফি সৈয়দ সাজ্জাদ হোসাইন সোহেল মাইজভান্ডারী।সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য (জে. ডি. এস ফেলো, মেইজি ইউনিভার্সিটি, জাপান) কাজী মুহাম্মদ রোকন উদ্দীন। আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন মাইজভান্ডারী গবেষক ও রিচার্স ফেলো ড. সেলিম জাহাঙ্গীর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের আধ্যাপক ড. জাফর উল্যাহ, চবি অধ্যাপক ড. মোর্শেদুল আলম, ড. শাহজাদা মোহাম্মদ আবদুল আজিম শাহ্, শান্ত মরিয়ম টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. নিজাম উদ্দীন জামি, দরবারে কামালিয়ার সাজ্জাদানশীন শাহজাদা সৈয়দ ছিদ্দিক রেজা, মুফতি ইব্রাহীম আলকাদেরী।

 

উপস্থিত ছিলেন আল্লামা শায়েস্তা খান আল আযহারী, শাহজাদা সৈয়দ সাইফুল্লাহ ফারুকী, শাহজাদা সৈয়দ মাসুম কামাল আল আযহারী, শাহজাদা সৈয়দ মাহবুবুর
রহমান, শাহজাদা সৈয়দ জামাল উদ্দীন ফরহাদাবাদী, শাহজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ হোসাইন ফরহাদাবাদী, সৈয়দ ফয়জুল আবেদীন আরমান, সৈয়দ মোকাম্মেল হক ফরহাদাবাদী, সৈয়দ ফয়জুল হক ফরহাদাবাদী, সৈয়দ নূরুল আলম ফরহাদাবাদী, মাওলানা মুজিবুল হক, মাওলানা সৈয়দ সালাউদ্দীন আল কাদেরী, মাওলানা ইলিয়াছ হোসাইনী,

সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কাজী মুহাম্মদ জানে আলম বাবুল, মহাসচিব নাজমুল হাসান মাহমুদ শিমুল, সহকারী সচিব মাওলানা মুহাম্মদ হাসান, কপিল উদ্দীন, লালন ওসমান, এডভোকেট মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রমূখ।

জেলা সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কায়সার মাহমুদ ও মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দীনের যৌথ সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সদস্য মুহাম্মদ মুফিজুল আলম, এডভোকেট মুহাম্মদ মনজুর হোসাইন, এ.কে.এম আশরাফুজ্জামান, আবছার উদ্দীন রুবেল, আনোয়ার হোসেন রানা, আমিনুল হক, ডা. হাসান প্রমূখ।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে সবাইকে গাউসুলআজম মাইজভান্ডারী’র আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে নিজেদের আত্মার উৎকর্ষ সাধনের আহবান জানান।পরে কেন্দ্রীয় দারুত্ত্বালীম মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গনীর পরিচালনায় মিলাদ ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফের ব্যবস্থাপনায় শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১০ জুন ২০২৬খ্রি. বুধবার বাদ মাগরিব গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফ এর ব্যবস্থাপনায় ৫ দিন ব্যাপী শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল-২০২৬ উপলক্ষে ২য় প্রস্তুতি সভা কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভার আলোচ্য বিষয় ছিল মাহফিল এর অতিথি ও বক্তা নির্ধারণ, অনুষ্ঠানের দাওয়াত ও প্রচার, সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে, বিবিধ। এসময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আলী, মুহাম্মদ ছালেহ সুফিয়ান, কাজী হাবিবুল হোসাইন, মো.ফজলুল হক, মো. শওকত হোসাইন, মো. খোরশেদ আলম, মো.রুকুনুজ্জামান টুটুল, আবদুল মান্নান, মাওলানা মুজিবুল হক, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, এসএম জাবেদ হোসাইন, হারুনুর রশিদ, কাজী আশরাফ হোছাইন, মো. জিয়াউল হাসান সাইফ, মো. শাহীন মুরাদ রাজা, সৈয়দ মোহাম্মদ হাবিব, মো. আকতার মিঞা সমন্বয়কারী, মোহাম্মদ আব্দুর রব, মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম রিমন, দিদারুল আলম লোকমান, মো. মুজিবুর রহমান রাসেল, লায়ন ডা.বরুণ কুমার আচার্য বলাই, বাবু প্রবোধপাল, দেবরাজ পাল, সৈযদ আবু আহমদ, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, মো. নুরমিয়া, মো. রানা সরকার, মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. কামাল উদ্দীন, মো. শাহজাহান মনজু, মো. ইদ্রিস আলী, মুহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, মু. আমান উল্লা খান চৌধুরী লিটন প্রমূখ।

চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ্ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নামাজ আদায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ্ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নামাজ আদায় করেছেন হাজারো মুসল্লি। আজ বৃহস্পতিবার ২৮ মে সকাল ৭টায় প্রথম জামাতে ইমামতি করেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের খতিব হযরতুল আল্লামা আলহাজ সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী। নামাজ শেষে তিনি ঈদের খুতবা প্রদান করেন এবং কোরবানির তাৎপর্য, ত্যাগের শিক্ষা ও মাংস বণ্টনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান তুলে ধরেন। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ঈদের প্রধান জামাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী এবং জাতীয় পার্টির নেতা সোলায়ামান আলম শেঠসহ বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করেন।একই স্থানে সকাল ৮টায় দ্বিতীয় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করবেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক।
এছাড়াও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে নগরের বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি দেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ