কালিয়াকৈরে পাল্টাপাল্টি কমিটি ঘোষণা

কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধি

এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ উত্তেজনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক ইউনিয়নের ভান্নারা বাজার সমিতির পাল্টা কমিটি গোষনা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে মৌচাক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে। এঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে ভান্নারা বাজার এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করেছে বাজারের ব্যাবসায়ীরা। পাল্টা কমিটি ঘোষনায় বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংবাদ সম্মেলন সুত্রে জানা যায়,

কালিয়াকৈর উপজেলার ভান্নারা বাজার সমিতির কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় গত ১৮ জানুয়ারী বাজার কমিটির সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে আব্দুল লতিফ ভেন্ডারকে সভাপতি ও হাজী মোঃ আলমাস উদ্দিনকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট ভান্নারা বাজার সমিতির কমিটি ঘোষনা করেন আহবায়ক কমিটি। এর দুইদিন পর ২০ জানুয়ারী মৌচাক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জান দলীয় প্রভাব খাটিয়ে মজিবর রহমানকে

সভাপতি ও রাকিব মোল্লাকে সাধারন সম্পাদক করে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট পাল্টা কমিটি গঠন করে ঘোষনা দেয় এবং সমিতির অফিসের তালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে। এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ উত্তেজনা দেখা দেয়। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে পাল্টা পাল্টি বাজার কমিটি ঘোষনা দেওয়ার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে ভান্নারা বাজার এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবাদ জানায় ব্যবসায়ীরা। সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির দলীয় প্রভাব খাটিয়ে পাল্টা কমিটি ঘোঘণার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তার বিচার দাবি করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নের্তৃবৃন্ধের কাছে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ভান্নারা বাজার কমিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক হারুন অর রশিদ, বাজার ভান্নারা বাজার কমিটির নব গঠিত

সভাপতি এস এম লতিফ ভেন্ডার, সাধারন সম্পাদক হাজী মোঃ আলমাস উদ্দিন,আফজাল মোল্লা, আব্দুর রহিম, হুমায়ুন কবির, আনোয়ার উদ্দিন প্রমুখ। ভান্নারা বাজার কমিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক হারুন অর রশিদ বলেন, ভান্নারা বাজার কমিটির মেয়াদ উত্তির্ন হওয়া আমাকে ভারপ্রাপ্ত আহবায়খ করে ৮ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয় সমিতির নতুন কমিটি গঠন করার জন্য। পরে বাজার সমিতির সকল সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে গত ১৮ জানুয়ারী ১৫ সদস্য বিশিষ্ট
একটি কমিটি গঠন করা হয়। কিন্ত দলীয় প্রভাব খাটিয়ে মৌচাক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জান গত ২০ জানুয়ারী ব্যবসায়ীদের মতামত উপেক্ষা করে পাল্টা

আরেকটি কমিটি গঠন করে অফিসের তালা ভেঙ্গে নতুন তালা লাগিয়ে দেয়। এব্যাপারে অভিযুক্ত মৌচাক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান বলেন, বিএনপির দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বাজার সমিতির কোন কমিটি গঠন করা হয়নি। আগে যে কমিটি করা হয়েছিল তা দোকানদারদের নিয়ে করা হয়নি। পরে আমি বাজারের সকল দোকানদারদের নিয়ে তাদের মতামতের ভিত্তিতে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে হালিশহরে বসতঘরে আগুন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে একটি বসতঘরে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার রাতে নগরীর হালিশহরের চৌধুরীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগ্রাবাদ ও বন্দর ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, চৌধুরীপাড়া এলাকায় একটি বাসায় আগুন লাগে।

বাসাটি ৩৭৫ বর্গফুটের। সিগারেট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগের আমলে ২০১৮ সালের ‘বিতর্কিত’ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন ৩২ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। আজ সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তাদের চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে এবং যেহেতু সরকার জনস্বার্থে তাঁকে সরকারি চাকরি হতে অবসর প্রদান করা প্রয়োজন মর্মে বিবেচনা করে; সেহেতু সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৫ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকারি চাকরি হতে অবসর প্রদান করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী এসব কর্মকর্তা অবসরজনিত সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন।যুগ্ম সচিব পদের এসব কর্মকত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তারা হলেন— পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ফেনীর ওয়াহেদুজ্জামান, খাগড়াছড়ির মো. শহীদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কক্সবাজারের মো. কামাল হোসেন, রাঙামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ,

লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, ময়মনসিংহের মো. মিজানুর রহমান, চাপাইনবাবগঞ্জের এ জেড এম নুরুল হক, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, বান্দরবানের মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, নেত্রকোনার মঈনউল ইসলাম, কুষ্টিয়ার মো. আসলাম হোসেন, কুমিল্লার আবুল ফজল মীর, চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস, চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাশ, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন, কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভীন, শেরপুরের আনারকলি মাহবুব, খুলনার মো. হেলাল হোসেন, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবির মুরাদ, মো. আলী আকবর ও রাজশাহীর এস এম আব্দুল কাদের।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ