আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

জামিল পেল চট্টগ্রাম ওয়াসার টাকা আত্মসাতে অভিযুক্ত দুই কর্মচারী

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ওয়াসার সেই দুই কর্মচারীর জামিন মিলেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু বকর সিদ্দিকের আদালত শুনানি শেষে গ্রাহকদের বিলের ২১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে থানায় সোপর্দ করা ওই দুই কর্মচারীর জামিনের আদেশ দেয়া হয়। দুই কর্মচারী হলেন, সংস্থাটির ডাটা এন্ট্রি অপারেটর আজমির হোসেন অভি (২৭) ও মিঠুন ঘোষ (৩১)। এদের মধ্যে অভি ঢাকা জেলার দোহার থানাধীন শাহ হাফিজ মাস্টার বাড়ির মো. আতিয়ার রহমানের ছেলে। মিঠুন ঘোষ চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ধলঘাট খান মোহনা গ্রামের আলমপুর সেনের বাড়ির অরুণ কান্তি ঘোষের ছেলে।

এর আগে, মঙ্গলবার ৫৪ ধারায় তাদের আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।বিষয়টি নিশ্চিত করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) কাজী ছানোয়ার আহমেদ লাভলু বলেন, গ্রাহকের ২১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত দুদকের নিয়মিত প্রক্রিয়াধীন মামলার আসামি চট্টগ্রাম ওয়াসার দুই কর্মচারির জামিন দিয়েছেন আদালত।

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যেহেতু এটি দুদকের তফসিলভূক্ত অপরাধ সেহেতু ওই দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হবে, তদন্ত হবে—এটা প্রক্রিয়া আছে। কিন্ত মামলা প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় দুই আসামির জামিন পাওয়াটা সঠিক হয়নি।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, দুদক আইন ২০১৯ (সংশোধিত) অনুযায়ী— দুদকের তফসিলভূক্ত কোনো অপরাধে থানা সরাসরি এজাহার নিতে পারবে না। সেক্ষেত্রে এজাহারকে অভিযোগ আকারে নিয়ে আসামি হেফাজতে থাকলে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করবে। থানা পুলিশ আসামির বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনে জিডিসহ প্রেরণ করবে। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে এটি স্যাংশনের জন্য প্রধান কার্যালয়ে পাঠাবে। এরপর এজাহার দায়ের হবে।

ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, গ্রাহকদের কাছ থেকে বিলের টাকা আদায় করে ওয়াসার কম্পিউটার সিস্টেমে জমা দেখালেও, আদতে সে টাকা ওয়াসার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করত না একটি চক্র। প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ২৫ লাখ টাকার অনিয়ম শনাক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় গত সোমবার আজমির হোসেন ও মিঠুন ঘোষ নামের ওয়াসার দুই কম্পিউটার অপারেটরকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পাশাপাশি ওয়াসার কম্পিউটার প্রোগ্রামার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ