আজঃ মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬

উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের নতুন কমিটি গঠন

জসীম চৌধুরী সবুজ এবং এডভোকেট অসীম বিকাশ দাশ পুনরায় উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আমরা তো লড়ছি সমতার মন্ত্রে,থামবো না কখনোই শত ষড়যন্ত্রে” এই আহবানে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের দুইদিনব্যাপী সম্মেলনের অদ্য, ২৫ জানুয়ারী শনিবার সকাল ১০ টায় নগরীর থিয়েটার ইমস্টিটিউট গ্যালারী হল মিলনায়তনে, সাংগঠনিক অধিবেশন, শুরু হয়। উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর শিল্পীকর্মীরা অধিবেশনের শুরুতে জাতীয় সংগীত ও সংঘটন সংগীত পরিবেশন করেন।সাংগঠনিক অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সভাপতি বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক জসিম চৌধুরী সবুজ।সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের আহবায়ক সুনীল ধরের পরিচালনায় কাউন্সিল অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন

উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি হাবিবুল আলম, বক্তব্য রাখেন উদীচী কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মোল্লা হাবিবুর রসুল মামুন, কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা সংসদের সহ সভাপতি ডাঃ অসীম কুমার চৌধুরী এবং উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট অসীম বিকাশ দাশ।কাউন্সিল অধিবেশনে বিগত সময়ের কর্মকান্ড,

রাজনৈতিক পরিস্থিতি, চলমান সংকট এবং , সাংস্কৃতিক জাগরণের মধ্য দিয়ে সংকটময় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ হতে করণীয় এবং এক্ষেত্রে উদীচীর শিল্পীকর্মীদের ভাবনা নিয়ে, সাধারন সম্পাদকের রিপোর্ট পেশ করেন উদীচী চট্টগ্রাম,জেলা সংসদের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট অসীম বিকাশ দাশ। অর্থ রিপোর্ট পেশ করেন সীমা দাশ,শোক প্রস্তাব পাঠ করেন জয়শ্রী মজুমদার। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের পর্যালোচনা, শতাধিক প্রতিনিধি এবং

পর্যবেক্ষকের প্রাণবন্ত আলোচনার মধ্য দিয়ে রিপোর্টগুলো গৃহীত হয়।বিষয় নির্বাচনী কমিটির প্রস্তাবিত, প্রতিনিধি ও পর্যবেক্ষকের সম্মতিতে, এবং কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের, অনুমোদনে সর্বসম্মতিক্রমে আগামী দুই বছরের জন্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের নতুন নেতৃত্ব,নির্ধারণ করা হয়। বিশিষ্ট সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক জসীম চৌধুরী সবুজ সভাপতি, এবং এডভোকেট অসীম বিকাশ দাশ সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন।সহসভাপতি হিসেবে,ডাঃ অসীম কুমার চৌধুরী, সুনীল ধর,,আবুল কাশেম, এবং প্রদীপ বড়ুয়া, সহ সাধারন সম্পাদক হিসেবে জয়তী ঘোষ, ও ভাস্কর ধর কোষাধ্যক্ষ হিসেবে সীমা দাশকে নির্বাচিত করা হয়। সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করা হয় অপর্না চৌধুরী, অনিন্দিতা দেবনাথ,জয়শ্রী মজুমদার লাকী, গৌতম দত্ত,মৃত্যুঞ্জয় দাশ, মোঃ মহিউদ্দীন, প্রীতিকনা

শীল এবং প্রীতম শুভ।সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করা হয় এড. রেজাউল করিম চৌধুরী, রতন সরকার,রুবেল দাশ প্রিন্স, গোলাম আকবর চৌধুরী, রাজু দাশ,শান্তা সেন,অনন্যা দাশ,প্রমা চৌধুরী, ফরহাদ আলী,নাজমুল
হুদা,আদিত্য দে। নতুন কমিটিকে শপথ বাক্য পাঠ করান কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি হাবিবুল আলম এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন এই নতুন নেতৃত্ব আগামী দিনে লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে একটি বৈষম্য হীন, শ্রেনীহীন অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর আন্দোলনকে আরও গতিশীল এবং বেগবান করে তুলবেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের আত্মহত্যা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবকের আত্মহনন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাসাত্মক গল্প ভাইরাল হয়েছে। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে, স্ত্রীকে দামি জুতা কিনে দিতে না পারার হতাশা থেকে ওই যুবক গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে গিয়ে তার স্বজন এবং পুলিশের সঙ্গে কথা জানা গেছে ভিন্ন কথা।

শুক্রবার দুপুরে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ১টার দিকে কামাল উদ্দিন (৪০) নামের এক যুবক নিউমার্কেটের সামনে আনারসের দোকান থেকে ছুরি নিয়ে নিজে গলায় চালিয়ে দেয়।রক্তাক্ত অবস্থায় আমাদের টহলটিম স্থানীদের সহযোগিতা চমেক হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচারে রক্ত প্রয়োজন হলে আমাদের সহকারী পুলিশ সুপার নুরে আলম মাহমুদ স্যার রক্ত প্রদান করেন। কিন্তু রাতেই কামাল মারা যান।নিহত কামাল উদ্দিনের বাড়ি ময়মনসিংহে, তিনি চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।

তিনি বলেন, ওই যুবকের স্ত্রী ইপিজেডে চাকরি করেন। ঘটনার সময় স্ত্রী কামালের সঙ্গেই ছিলেন না। এস এম রিদুয়ান নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রাতে আনারসের দোকান থেকে কামাল যখন ছুরি নিয়ে নিজের গলায় চালান তখন তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পুলিশকে জানানো থেকে শুরু করে কামালের চিকিৎসা পর্যন্ত তিনি সঙ্গে ছিলেন।কামালের সঙ্গে কোনো নারী ছিল না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া গল্পটি মিথ্যা।

কামালের স্ত্রী তসলিমা আক্তার জানান, রাত ৮টার দিকে কামাল তার ভাগিনার কাছ থেকে হাত খরচের কিছু টাকা চায়। ভাগিনা তার মামাকে টাকা দিলে টাকা নিয়ে কামাল উধাও হয়ে যান। তাকে পতেঙ্গা এলাকায় আর দেখা যায়নি।ভোরে ফোন পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে এসে কামালকে মৃত দেখতে পান।
কামালের ভাগিনা সামাদ বলেন, আমার মামা পেশায় রাজমিস্ত্রির হেল্পার হিসেবে কাজ করতেন। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। মামা যখন আমার থেকে টাকা নিয়ে আসেন তখন মামি কারখানায় চাকরিতে ছিলেন। ঘটনার সঙ্গে মামির কোনো সম্পর্ক নেই। মামার চিকিৎসার জন্য আমরা অনেক চেষ্টা করেছি। কিছুদিন ভালো থাকেন, তারপর আবার সমস্যা শুরু হয়।

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ