গাউসিয়া হক মনজিলে হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ)র পবিত্র চাহরাম শরীফ অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান ১০ মাঘ গাউসুল আজম হযরত সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-র পবিত্র ১১৯তম বার্ষিক ওরশ মোবারকের সমাপনী দিবস-চাহরাম শরীফ কেন্দ্রীয় মিলাদ,কিয়াম ও মুনাজাত এবং তবাররুকাত পরিবেশনের মাধ্যমে গাউসিয়া হক মনজিল এর সম্মানিত সাজ্জাদানশীন রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মঃ)-র সদারতে অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় মুনাজাতে তিনি বলেন,”ওরশ মোবারকের সমাপনী দিবসে আশেক-ভক্তরা যার যার নিজ নিজ আলয়ে ফিরে যাবেন।আপনার বান্দরা আরো একটি বারের জন্য হাত তুলেছে মওলা। দয়ার আশায়, ক্ষমার আশায়, শান্তির আশায়,মুক্তির আশায় আপনার বান্দারা হাত তুলেছে। সকলের ফরিয়াদ কবুল করুণ!

তিনি চাহরাম শরীফে যা কিছু এন্তজাম হয়েছে, ফলার ফাতেহা-যা কিছু তবাররুকাত এন্তেজাম হয়েছে সেগুলো কবুল করে নেযার জন্য এবং এ-তবাররুকাতকে সকলের জন্যে রুহানি-জিসমানি বিমারীর শেফা হিসেবে কবুল করার জন্য,সকলের গুণাহ-খাতা ক্ষমা করার জন্য ফরিয়াদ করেন। হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ), গাউসুল আজম বিল বিরাসাত হযরত বাবা ভাণ্ডারী কেবলা আলম, কুতুবুল এরশাদ শাহ সুফি সৈয়দ আমিনুল হক ফানায়ে ওয়াসেল মাইজভাণ্ডারী (কঃ), অছিযে গাউসুল আজম শাহসুফি সৈয়দ দেলাওয়ার হোসাইন মাইজভাণ্ডারী (কঃ) এবং বিশ্ব অলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) -র নজরে-করম ফয়জে-বরকত সকলের জন্যে মনজুর করার জন্য তিনি মহান রব্বুল আলামিনের দরবারে ফরিয়াদ করেন। সকলের উপর অফুরন্ত রহমত বর্ষণ করার জন্য, সকলের রুটি-রুজির মধ্যে অফুরন্ত বরকত দান করার জন্য,সকলের শারীরিক সুস্থতা দান করার জন্য,পিতা মাতা মুরব্বিগণের হায়াতকে দারাজ করে

দেয়ার জন্য,পিতা-মাতা-পবিবারের-সন্তানদের দায়িত্ব পালনের তৌফিক দান করার জন্য তিনি মহান রব্বুল আলামীন এর দরবারে ফরিয়াদ জানান। তিনি দেশে-বিদেশে আল্লাহর বান্দাগণ,গাউসুল আজম মাইজভান্ডারির আশেকগণ,মাইজভান্ডারি গাউসিয়া হক কমিটির সদস্যবৃন্দ যারা যেখানে অবস্থান করছেন তাদের সকলের জীবনকে শান্তিময় করে দেয়ার জন্য
আসমানী জমিনী বালা মসিবত হতে সকলকে হেফাজত করার জন্য ফরিয়াদ করেন। যারা যেই ফরিয়াদ নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দরবারে পাকের খেদমতে নিজেদেরকে নিবেদিত রেখেছেন,কেউ সামনে থেকে খেদমত করেছেন, কেউ পর্দার আড়ালে থেকে-পেছনে থেকে খেদমত করেছেন,রব্বুল আলামিন এর দরবারে সকলের খেদমতকে কবুল করার জন্য এবং চাহরাম শরীফ এর এই পবিত্র দিনের সমস্ত এন্তেজামকে কবুল করার জন্য মহান আল্লাহ সুবহানাহুতাআলা’র দরবারে আকুল ফরিয়াদ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফেনীর পূর্ব ছিলোনীয়ায় রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রমে দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠান বুধবার থেকে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফেনীর ছনুয়ার পূর্ব ছিলোনীয়া (উত্তর গ্রাম) মাখন পালের বাড়ীস্থ শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রমে শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ-গৌর নিতাই বিগ্রহ স্থাপন ও প্রাণ-প্রতিষ্ঠা মহোৎসব উপলক্ষে দু’দিনব্যাপী সঙ্গীয় সূচি অনুযায়ী ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দিকদর্শন প্রকাশনী লিঃ ও গ্রন্থকুটির প্রকাশনা গ্রুপের
সাবির্ক সহযোগিতায় অনুষ্ঠান সূচির মধ্যে রয়েছে ৫ আগষ্ট বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় শ্রীশ্রী গঙ্গা আবাহন ও শ্রীশ্রী সত্য নারায়ণ পূজা এবং অধিবাসকৃত্য,

৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দের পূজারম্ভ ও প্রাণ প্রতিষ্ঠা, সকাল ১১ টায় যজ্ঞারম্ভ, হোম ও পুষ্পাঞ্জলি, দুপুর ১২ টায় ভোগরাগ ও আরতি, দুপুর ১ টায় আনন্দ বাজারে প্রসাদ বিতরণ করা হবে। এছাড়া সন্ধ্যা ৬ টায় শত প্রদীপ প্রজ্বলন করা হবে। উক্ত অনুষ্ঠানমালায় আপনি/আপনারা সবান্ধবে সানুগ্রহে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করে তুলতে শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রমের সকল ভক্তবৃন্দ এবং দিকদর্শন প্রকাশনীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর.সি পাল এক বিবৃতিতে অনুরোধ করেছেন।

বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক) ভূজপুর ইউনিয়ন সংসদের অভিষেক সম্পন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সত্যনিষ্ঠ আদর্শ মানব জীবন গঠনে গীতা শিক্ষার বিকল্প নেই। আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক)’র গীতা ও নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মন্দির ভিত্তিক বিবাহ, ধর্মান্তরন রোধ, বাল্য বিবাহ, অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের মোবাইল ব্যবহার ও অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পরছে কিনা সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে সকল অভিভাবকের দ্বায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

গত ৩১ জুলাই ২০২৬খ্রি. শুক্রবার ভূজপুর কেন্দ্রীয় সার্বজনীন শ্রীশ্রী হরি, দূর্গা, কালী ও গীতা মন্দিরে বাগীশিক ভূজপুর ইউনিয়ন সংসদের অভিষেক অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ বক্তব্যে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।
সংগঠনের সভাপতি অসিম মহাজন’র সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক রাজিব বনিক’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুভ উদ্ভোধন করেন শ্রী রনজিৎ পাল। মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে আশীর্বাণী প্রদান করেন শ্রীমৎ সিদ্ধ রসিক ব্রহ্মচারী ও শ্রীমৎ উজ্জ্বল ব্রহ্মচারী। প্রধান অতিথি ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক রাজীব বিশ্বাস। প্রধান বক্তা ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক লায়ন বাসু চৌধুরী। মহান অতিথি ছিলেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এইচ এম শাহজাহান চৌধুরী (শিপন) ৪নং ভূজপুর ইউনিয়ন পরিষদ। আলোকিত অতিথি ছিলেন এড. উত্তম কুমার মহাজন, আয়কর উপদেষ্টা টিটু কুমার দে, লিংকন চক্রবর্তী, রাসকিন চৌধুরী, প্রিয়াশীষ চক্রবর্তী।

শপথ বাক্য পাঠ করেন বাগীশিক ফটিকছড়ি উপজেলা সংসদের সভাপতি মাষ্টার মানস চক্রবর্তী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাষ্টার সন্তোষ কুমার শীল, রনজিৎ কুমার শীল, এড. জনি কান্তি দে, আদিত্য দাশ সৈকত, রাসেল দে, আকাশ চৌধুরী নান্টু, বিজয় মজুমদার, সুভাষ দেব, মাষ্টার দেবাশীষ দেব। বক্তব্য রাখেন টিটু মহাজন, প্রবীর আচার্য্য, সুজন কান্তি দে, ছোটন শীল, রুপসী বনিক অন্তরা, মুন্নী দেবী প্রমূখ। এতে আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন সংসদ, ভূজপুর পূজা উদযাপন পরিষদ, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ’র নেতৃবৃন্দ।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ