আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

নেত্রকোনায় ক্লুলেস ডাকাতির ঘটনায় আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল নেত্রকোনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনা পূর্বধলা উপজেলার হিরণপুর ও জিগাতলা এলাকায় দুইটি বসত বাড়িতে সংঘঠিত দুর্ধর্ষ ক্লুলেস ডাকাতির ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার অপরাধে আন্ত:জেলা ডাকাত দলের দুজন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে নেত্রকোনা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- বগুড়ার শিবগঞ্জ থানাধীন ভাটরা গ্রামের মৃত ছামছদ্দিনের ছেলে মো. কামরুল ইসলাম ওরফে সোহাগ (৩৭)। আরেকজন সাতক্ষীরা জেলার সদর থানাধীন বেরবাড়ী গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. আলমগীর হোসেন (৩৩)।

আন্ত:জেলা ডাকাত দলের গ্রেফতারকৃত দুজনকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি ও মতিঝিল এই দুই থানা এলাকায় থেকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন নেত্রকোনা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (পূর্ব) সায়েদুর রহমান।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপারের মুখপাত্র অতিক্তি পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. লুৎফর রহমান।

তিনি জানান, গত ২১ ডিসেম্বর পূর্বধলা থানাধীন জিগাতলা ও হিরণপুর গ্রামে দুইটি বসত বাড়িতে জানালার গ্রীল কেটে অজ্ঞাতনামা আট-নয় ডাকাত দেশীয় অস্ত্রসহ প্রবেশ করে। বাড়ির সকল সদস্যদের হাত-পা বেধে ওয়্যারড্রপ, আলমিরা, ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ারের ভেতর থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, কয়েকটি মোবইল ফোনসহ আনুমানিক ৫৯ লক্ষ ১৭ হাজার টাকার মালামাল ডাকাতি করে নিয়ে যায় সংঘবদ্ধ ডাকাত দল।

তিনি আরো জানান, ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত দুজন পূর্বধলায় ডাকাতি ঘটনা সংগঠনের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার এবং মামলার তদেন্তে সহায়ক অন্যান্য তথ্যাদি প্রকাশ করেছে। তাদের কথা মতে উভয় ডাকাতি ঘটনার কাজে ব্যবহৃত দুইটি করে এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও কাঠের হাতলযুক্ত দেশীয় দা, একটি করে রিবার কাটার, স্টিল কাটার, পাইপ কাটার, সনি ব্র্যান্ডের ডিজিটাল ক্যামেরা, রাউটার, মাংকী টুপি ও কাঁধ ব্যাগ এবং তিনটি করে বাটন ফোন ও রেঞ্চ উদ্ধার করতে সক্ষম হয় ডিবি’র আভিযানিক দলটি।

ধৃত আসামীদের আদালতে সোপর্দ করা হলে আসামি কামরুল ইসলাম নিজের দোষ স্বীকার করে কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। পূর্বধলা উপজেলায় উভয় ডাকাতির ঘটনায় পলাতক অপর আসামীদের গ্রেফতারসহ লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ