আজঃ মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে দুই প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪০ জন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে দুটি প্যানেলে বিভক্ত হয়ে ২১টি পদের জন্য ৪০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন। উক্ত নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে সমিতির নির্বাচন কমিশন। চূড়ান্ত তালিকায় দুটি প্যানেলের এই ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদিকে দুই প্যানেলের প্রার্থীদের প্রচারণায় আদালত এলাকা সরগরম হয়ে উঠেছে।

সমন্বয় পরিষদ সূত্র জানিয়েছে, সমন্বয় পূর্ণ প্যানেল দিয়েছিল। কিন্তু দুই সদস্যের মনোনয়নপত্রে কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতির কারণে তাদের মনোনয়ন বাতিল হয়। বর্তমানে এই প্যানেলে সম্পাদকীয় ১০টি পদে ও সদস্যপদে নয়জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচন কমিশনার এডভোকেট উত্তম কুমার দত্ত বলেন, বর্তমানে সম্পাদকীয় ১০টি পদে প্রার্থী সংখ্যা ২০ ও নির্বাহী সদস্যপদের ১১ পদে প্রার্থী ২০ জন।
নির্বচন কর্মকর্তা এডভোকেট তারিক আহমেদ বলেন, মনোনয়নপত্রে সমর্থকের নাম ঠিকানা ও সমর্থক আইনজীবীর লিন নম্বর (আইনজীবী পরিচিতি নম্বর) সঠিক না থাকা এবং গঠনতন্ত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিছু ত্রুটির কারণে দুই সদস্যপদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল।

জানা গেছে, বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ও জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল আইনজীবী ঐক্য পরিষদ নামে যৌথ প্যানেল ঘোষণা করে নির্বাচনী প্রচারণায় মেতেছে। প্যানেল ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমেছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদও।
এদিকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী ভাবধারা ও ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী দাবি করা আইনজীবী ঐক্য পরিষদ সম্পাদকীয় ১০টি ও নির্বাহী সদস্যের ১১টির মধ্যে সবকটি পদে প্রার্থী দিয়েছে। অপরদিকে, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি দাবি করা আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ সম্পাদকীয় ও নির্বাহী সদস্যপদের সবকটিতে প্রার্থী ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু কিছু ত্রুটির কারণে নির্বাচন কমিশন নির্বাহী সদস্যপদের দু’জনের প্রার্থিতা বাতিল করে।
দুই প্যানেলসূত্রে জানা গেছে, আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্যানেলের নাম সাত্তার-হাসান-বারী প্যানেল এবং সমন্বয় পরিষদ রশীদ-জাবেদ-মাহতাব নামে প্যানেল ঘোষণা দিয়েছে। আইনজীবী ঐক্য পরিষদ প্যানলের এডভোকেট আব্দুস সাত্তার সভাপতি, মুহাম্মদ হাসান আলী চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক ও ফজলুল বারী সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের এডভোকেট মো. আব্দুর রশীদ সভাপতি, মো. ফখরুদ্দিন জাবেদ সাধারণ সম্পাদক ও মাহতাব উদ্দিন আহমদ চৌধুরী সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ঐক্য পরিষদের অন্য প্রার্থীরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী মোহাম্মদ সিরাজ, সহ-সভাপতি আলমগীর মোহাম্মদ ইউনুছ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলুল বারী, অর্থসম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, পাঠাগার সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফি বিনতে মোতালেব, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুল জব্বার, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মনজুর হোসেন।নির্বাহী সদস্য আছমা খানম, মো. শাহেদ হোসেন, এহছান উল্লাহ মানিক, মোহাম্মদ মোরশেদ, বিবি ফাতেমা, মেজবাহ উল আলম এমিন, মির্জা মো. ইকবাল, হেলাল উদ্দিন, মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী, রাহেলা গুলশান ডালিয়া ও মো. রোবায়তুল করিম।

সমন্বয় পরিষদের অন্য প্রার্থীরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নুরুল আলম, সহ-সভাপতি জামাল হোসেন, অর্থসম্পাদক গোলাম মোহাম্মদ কাদের আলী শাহ আরমান, পাঠাগার সম্পাদক মোহাম্মদ আরিফ উদ্দিন চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফৌজিয়া আফরোজ, ক্রীড়া সম্পাদক এজেএম রাবেত হোসাইন, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক মো. রবিউল আলম। নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল মাওয়া কাজল, পারভীন আক্তার পাপিয়া, মোহাম্মদ শাহ মোয়াজ্জেম, মনির আহমেদ মামুন, কাজী শাহেদ চৌধুরী, মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, মো. বাবুলুর রশীদ, শাহাদাত হোসেন ও মো. ইমরান উদ্দিন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের উখিয়ায় মিয়ানমার সীমান্তের কাছে মাইন বিস্ফোরণে মো. শাকের (২৫) আহত এক যুবককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে আহত অবস্থায় তাকে চমেক হাসপাতালে আনা হয়।মো. শাকের কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার কুতুপালং এলাকার আমির হোসেনের ছেলে।

হাসপাতালে আনয়নকারীর দেওয়া তথ্যমতে, মিয়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় কাজ করার সময় হঠাৎ মাইন বিস্ফোরণ হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক জানান, মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবককে হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।

শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে আসা চট্টগ্রামে ১ কোটি ২১ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট জব্দ, আটক-২

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে প্রায় ১ কোটি ২১ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট, শুঁটকি ও কার্গো বোটসহ ২ জনকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। এসব পণ্যগুলো শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে আসছিল বলে কোস্ট গার্ড জানায়। সোমবার কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানাধীন চায়নাঘাট সংলগ্ন কর্ণফুলী নদী দিয়ে চট্টগ্রামে প্রবেশ করবে বলে গোপন খবরের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি। এমন তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দুপুর ২টায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন সন্দেহজনক ১টি কার্গো বোটে তল্লাশি করে অবৈধভাবে শুল্ক কর ফাঁকি দিয়ে আসা প্রায় ১ কোটি ২১ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্যের ৩০ হাজার ২৭০ প্যাকেট বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশিসিকগারেট, ১ হাজার ৫০ কেজি শুঁটকি ও পাচারকাজে ব্যবহৃত কার্গো বোটসহ ২ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়। জব্দকরা আলামত ও আটক পাচারকারীদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পতেঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। চোরাচালান রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলেও জানান কোস্ট গার্ডের এই কর্মকর্তা।

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ