আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবায় ভোগান্তি বন্ধ ও মানউন্নয়নের দাবিতে মানব বন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রামে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ বার্ন হাসপাতাল নির্মাণ, ডায়গুনস্টিক টেস্টে কমিশন বানিজ্য বন্ধ,করুন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চীন সরকারের অনুদানে দেশের শিল্প ও বানিজ্য নগরী চট্টগ্রামে পুর্নাঙ্গ বার্ন হাসপাতাল দ্রুত নির্মান ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবায় ওষুধ, ডায়াগনষ্টিক টেস্টে কমিশন বানিজ্য বন্ধ ও রোগীদের ভোগান্তি নিরসনে সেবান মানউন্নয়নে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব

বাংলাদেশ(চট্টগ্রাম) ও যুব ক্যাব চট্টগ্রাম। ০৪ ফেব্রুয়ারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইনের সভাপতিত্বে ও ক্যাব যুব গ্রুপ আবু হানিফ নোমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, ক্যাব মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক সেলিম জাহাঙ্গীর, ক্যাব চান্দগাও থানা সভাপতি মোহাম্মদ জানে আলম, সদরঘাট থানা সভাপতি মোহাম্মদ শাহীন চৌধুরী, চকবাজার থানা সভাপতি আবদুল আলীম, ক্যাব যুব গ্রুপের রাসেল উদ্দীন, সিদরাতুল মুনতাহা, রায়হান উদ্দীন, নাফিসা নবী, রাইসুল ইসলাম, এমদাদুল ইসলাম, ফয়েজ, ক্যাব মহানগরের সাজ্জাদ উদ্দীন, এডাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়কারী মোহাম্মদ ফোরকান, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ৫ম বর্ষের সাকিব হোসেন, আবরার আল
ফয়সাল সিয়াম, ফজলে সোবহান সাকিব, অধিকার চট্টগ্রামের ওসমান জাহাঙ্গীর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধনে বক্তরা অভিযোগ করে বলেন, বন্দর সুবিধার কারণে গড়ে উঠেছে ইস্পাত কারখানা, সিমেন্ট, জাহাজ ভাঙা শিল্প, পোশাক কারখানা, রাসায়নিক কারখানা, জুতা কারখানা, কনটেইনার ডিপোসহ আমদানি, রপ্তানি ও ট্রেডিং ব্যবসার বহুমাত্রিক হালকা ও ভারী শিল্প কারখানা এবং প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এছাড়াও শুধুমাত্র চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় কোটি মানুষের বসবাস হলেও দেড় দশকেও চট্টগ্রামে পূনাঙ্গ বার্ন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা হয় নাই। যার কারণে অগ্নি ও বিস্ফোরণজনিত দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার কোন সুযোগ-সুবিধা চট্টগ্রামে নাই। আগুনে পোড়া, গরম পানিতে ঝলসানো ও বৈদ্যুতিক শকে দগ্ধ রোগী প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য মাত্র ২৬টি বেড আছে। যেখানে মাসে গড়ে ৯০০ থেকে ১০০০ রোগীকে সেবা
দেওয়া হচ্ছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই অপতুল। চমেক এদাঞ্চলের ৫ কোটির অধিক মানুষের একমাত্র রেফারেন্স/টার্সিয়ারি হাসপাতাল হলেও আগুনে পুড়ে যাওয়া বেশিরভাগ রোগীকে ঢাকায় বার্ন ইউনিটসহ অন্যান্য হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।

বক্তাগন অভিযোগ করে বলেন, চমেক ক্যাম্পাসে ১৫০ শয্যার স্বতন্ত্র বার্ন হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু হলেও হাসপাতাল নির্মানে জায়গা নিয়ে জটিলতা ও নানা কারণে চট্টগ্রামে স্বতন্ত্র একটি বার্ন হাসপাতালটির নির্মান কাজ পুরোদমে শুরু করতে পারে নি। চমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও পরিবেশগত প্রভাব পর্যালোচনা (ইআইএ) ছাড়াই প্রকল্পের কাজ শুরু করা নিয়ে বিভিন্ন সমালোচনার মুখে নির্মান কাজ স্থবির হলে চট্টগ্রামবাসীর স্বার্থ ক্ষুন্ন হবে। দাতা সংস্থাও এই প্রকল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে। তাই যে কোন অজুহাতে চট্টগ্রামে পূর্নাঙ্গ বার্ন হাসপাতাল নির্মানে জটিলতা পরিহার করে দ্রুত হাসপাতাল নির্মানের দাবি জানান।

এর পর ক্যাব নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীনের কাছে ২১ দফা দাবিতে স্মারকলিপি পেশ করেন। দাবিগুলোর মধ্যে আছে; হাসপাতালে সার্বক্ষণিক ভাবে তথ্যকেন্দ্র চালুর পাশাপাশি হাসপাতালের প্রতিটি গেইটে ম্যাপ/মানচিত্র স্থাপন করা, রোগীদের পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রলি/হুইল চেয়ারের জন্য আয়া/ওয়ার্ড বয়দের টাকার পরিমাণ নির্দিষ্ট করা, হাসপাতালে আসা রোগী ও স্বজনসহ লোকজনের জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করা, ওয়ার্ডগুলোতে টয়লেটের সংখ্যা বাড়ানো, টয়লেট গুলো মেরামতের পাশাপাশি নিয়মিত পরিষ্কার করা, ফ্লোর/ওয়ার্ড নিয়মিত পরিষ্কার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আরো শক্তিশালী ও তদারকি জোরদার কর, লিফটগুলোর ক্যাপাসিটি বাড়ানো, চিকিৎসক/নার্স/স্টাফদের জন্য
পৃথক লিফট স্থাপন করা, রোগীদের জন্য শয্যা বাড়ানো, প্রয়োজনে পোর্টেবল বেড়ের ব্যবস্থা করা, হাসপাতালকে দালাল মুক্ত করা, আয়া ও ওয়ার্ডবয়দের চাকরী

স্থায়ীকরণ করা ও তাদের পরিচয় পত্র নিশ্চিত করা, বেশি টাকা দিয়ে বাইরে টেস্ট করানো বন্ধ করা, MRI/CT scan, Echocardiography এর মতো বড় বড় টেস্টগুলোতে সিরিয়াল পাওয়া সহজ করা, দৈনিক টেস্ট এর পরিমাণ বৃদ্ধি করা, এর জন্য পর্যাপ্ত মেশিন ও রুম ব্যবস্থা করা, মেডিকেল কলেজ এলাকার হাসপাতালের ফার্মেসীগুলোতে ওষুধ প্রশাসনের তদারকি বাড়ানো ও নায্য মূল্যের ফার্মেসীর পরিসর বাড়ানো, বিকেলের পর ওয়ার্ডগুলোতে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক/স্টাফ এর সার্বক্ষণিক নিশ্চিত করা, হাসপাতালে সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ করা, পরিচালনা কর্তৃপক্ষের নিয়মিত ও সুষ্ঠু তদারকি করা, দর্শনার্থীদের সময় নির্দিষ্ট করা, যত্রতত্র

ময়লা আবর্জনা ফেলা রোধ করা, হাসপাতাল ও এর চারদিকের এলাকায় মশক নিধন কর্মসূচি জোরদার করা, সেবপেতে ভোগান্তি হলে প্রতিকারের জন্য অভিযোগ জানানোর জন্য হটলাইন/হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার চালু করা, দিনের বেলায়ও মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভদের(এমআর) কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণ করা, আইসিইউর শয্যা বৃদ্ধি অন্যতম।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, যত পরিকল্পনা গ্রহণ করি, এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে দুটি বিষয় কড়াকড়িভাবে নজর দিতে হবে। একটি হলো, মানুষের নিরাপত্তা। যাতে করে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে। অতীতে বিএনপি যখন দেশ পরিচালনা করেছে, আমাদের কেউ অন্যায় করলেও, আমরা ছাড় দিইনি। রোববার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম মহানগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, আগামীতে সরকারে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আরেকটি বিষয়টি হচ্ছে দুর্নীতি। বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে।


অতীতে বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই আগামীতে দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তারেক রহমান বলেন, আগামীতে বিএনপির ওপর আস্থা রাখুন। ধানের শীষে ভোট দিন।
এবার ভোটের আগে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বেন, তারপর কেন্দ্রে যাবেন। সেখানে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। গত ১৫ বছর আপনাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আবার এরকম একটি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই এবার ধানের শীষে ভোট দেন।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।


তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খাল কাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান?। চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে। যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।

ফরিদপুরে স্কুল শিক্ষার্থী সুরাইয়া হ-ত্যা-র বিচার দাবিতে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোছা. সুরাইয়া খাতুন হ-ত্যা-র প্রতিবাদ ও হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের ফাঁ-সি-র দাবিতে বি-ক্ষো-ভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন স্বজন, সহপাঠী ও এলাকাবাসী।
ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার খেলার মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।


এ সময় জন্তিহার গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা, শিক্ষক সাংবাদিক ও সমাজকর্মী এস এম নাহিদ হাসানের ছায়া নির্দেশনায়, মানববন্ধনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কালিয়াকৈর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করে। ব্যানার-ফ্যাস্টুন হাতে ঘণ্টাব্যাপী চলা মানবন্ধনে বক্তারা নি-হ-ত সুরাইয়ার হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারের দাবি জানান। তা না হলে, আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেন বক্তারা।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ