চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৭ কর্মকর্তা পাচ্ছেন পূর্ণাঙ্গ ম্যাজিস্ট্রেসির ক্ষমতা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এর সাত কর্মকর্তা পূর্ণাঙ্গ ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা পাচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে প্রেষণে থাকা এই সাত কর্মকর্তার পূর্ণাঙ্গ ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা চেয়ে চিঠি দিয়েছে চসিক।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে আরো দু’জন ম্যাজিস্ট্রেট চেয়েছে চসিক। চিঠি দেয়ার পর সাত কর্মদিবস পার হলেও এখনো পর্যন্ত সাত কর্মকর্তার ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা বা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে কোন ম্যাজিস্ট্রেট পায়নি চসিক। তবে দু’এক দিনের মধ্যে মন্ত্রণালয় থেকে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

চসিকের সাত কর্মকর্তার বিষয়ে গত ২৩ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবর একটি চিঠিও দেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। যা আমলে নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় গত ২৯ জানুয়ারি সেই অনুমতি দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে চিঠি দেন। যা বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিবেচনাধীন রয়েছে।
চসিকের এই সাত কর্মকর্তারা হলেন- চসিকের সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে কুলসুম, শিক্ষা কর্মকর্তা রাশেদা আক্তার, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা রক্তিম চৌধুরী, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মৌমিতা দাশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিল্লুর রহমান।

চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, প্রেষণে থাকা চসিকের সাত কর্মকর্তাকে পূর্ণাঙ্গ ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিতে আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি। যা বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিবেচনাধীন রয়েছে। এছাড়া, বিভাগীয় কমিশনারের কাছে দু’জন ম্যাজিস্ট্রেট চেয়েছি, সেগুলো আমরা এখনো পাইনি। আমরা আশা করছি কয়েকদিনের মধ্যেই ম্যাজিস্ট্রেট পাবো। তিনি আরো বলেন, এটা অনুমোদন পেলে আমরা প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ক্রাশ প্রোগ্রাম চালাবো। মূলত, যারা খাল-পাহাড় দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা করেছে বা করছে তাদের আইনের আওতায় আনবো। এছাড়াও যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যেখানে সেখানে ময়লা ফেলছে, তাদের আমরা আইনের আওতায় আনবো।

চসিক সূত্রে জানা যায়, চসিকের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও অভিযান চালাতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের বাধা/সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সেসব সমস্যা সমাধানে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনাসহ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুসারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হয়। যা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া সম্ভব নয়। এছাড়া, সিডিএ’র ৩৬ খাল নিয়ে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের বাইরে ২১ খালে উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানোর পরিকল্পনা করছে চসিক। খাল ও পাহাড়ের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চসিকের ওই চিঠিতে বলা হয়েছে- স্থানীয় সরকার কাঠামোর একটি অন্যতম স্তর হলো সিটি কর্পোরেশন। সেখানে স্থানীয় পর্যায়ে সরকারের বিভিন্ন আইন, বিধি, নীতি, বাস্তবায়ন তথা সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পাদন করা হয়ে থাকে। এসব উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও জনস্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন জনহিতকর কাজ বাস্তবায়ন/সম্পাদনের ক্ষেত্রে প্রায়শঃ বিভিন্ন ধরনের বাধা/সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। উক্ত সমস্যাগুলো সমাধানকল্পে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনাসহ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুসারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হয়।

ঢাকা শহরের পর পরই বাণিজ্যিক রাজধানীখ্যাত চট্টগ্রাম শহরের অবস্থান। আর এ কারণে স্বাভাবিকভাবেই এ শহরের জনসংখ্যা, বিভিন্ন মেগা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, সেবা কার্যক্রমও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাছাড়া সমুদ্রের নিকটবর্তী হওয়ায় প্রতিবছরই বর্ষা মৌসুমে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য। প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্যরে ব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব হলে নগরীর জলাবদ্ধতার সমস্যা অনেকাংশে নিরসন করা সম্ভব। এছাড়াও নগরীর অবৈধ উচ্ছেদসহ শহরের শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা প্রয়োজন।

এমতাবস্থায়, বিষয়টি সদয় বিবেচনাপূর্বক অত্র সিটি কর্পোরেশনে প্রেষণে কর্মরত বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের নিম্নোক্ত কর্মকর্তাদের দ্যা কোড ক্রিমিনাল প্রোসেডিউর ১৮৯৮ এর ১০ (৫) ধারা অনুযায়ী- এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণপূর্বক মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ এর ৫ ধারা মোতাবেক মোবাইল কোর্ট পরিচালনার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা অর্পণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিধারিত ভাড়া না মানলে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবস্থা: ইউএনও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট না থাকলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব সিএনজি অটোরিকশায় দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বোয়ালখালী উপজেলা অডিটোরিয়ামে সিএনজির ভাড়া, যাত্রীসেবা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

সভায় যাত্রীদের স্বার্থ, চালক ও মালিকদের ন্যায্যতা এবং সিএনজি পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিএনজিতে যাত্রী উঠানামার ভাড়া ৫ টাকা এবং ইউএনও কার্যালয় থেকে ফুলতল পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত কিংবা বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট লাগানো নিশ্চিত করতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ভাড়ার চার্ট না থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় না করা এবং যাত্রীদের সঙ্গে শালীন, ভদ্র ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বোয়ালখালীর পাঁচটি স্টেশনে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে ৫ টাকা করে বৃদ্ধি করা হবে। অন্য স্টেশনগুলোর ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।

সভায় বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি অধীর বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, এস এম মোদাচ্ছের, বোয়ালখালী সিএনজি অটোরিকশা টেম্পু শ্রমিক ও মালিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রহমান, শ্রমিকনেতা আবদুল সাত্তার এবং কালুরঘাট-ফুলতল, শাকপুরা, সিও অফিস, জোটপুকুর, কানুনগোপাড়া, দাশেরদীঘি, বেংগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালক ও সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

ইঞ্জিন দ্রুত মেরামতে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের নির্দেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ), লোকোসেড, সিজিপিওয়াই, কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) ও পদ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এসব স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনকালে রেলওয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (সিই), চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (সিওপিএস), চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম), চট্টগ্রামের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) এবং পাহাড়তলীর ডিএসডব্লিউসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় তিনি একাডেমির একাডেমিক ভবন, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ কক্ষ, ডরমেটরি ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।এরপর তিনি সিজিপিওয়াই, টার্ন টেবিল, ট্রায়াঙ্গেল লাইন, ইয়ার্ড লাইন ও লোকোসেড পরিদর্শন করেন। লোকোসেড পরিদর্শনকালে ইঞ্জিন দ্রুত মেরামত ও সচল রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন।

পরে সিজিপিওয়াই এলাকায় কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় সিসিবিএলের সঙ্গে রেলওয়ের বিভিন্ন চুক্তি, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া দ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ