রাবিতে ৪ হলের নামফলক ভেঙে নতুন নাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি আবাসিক হল ও একটি স্কুলের নামফলক ভেঙে নতুন নামকরণ করেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সব নামফলক, গ্রাফিতি ও দেয়াললিখন মুছে দিতে এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বিজয়-২৪ হল’, নির্মাণাধীন শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান হলের পরিবর্তে ‘শহীদ আলী রায়হান হল’, শেখ হাসিনা হলের পরিবর্তে ‘ফাতিমা আল-ফাহরিয়া হল’ ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের পরিবর্তে ‘নবাব ফয়জুন নেসা চৌধুরানী’ নাম দিয়ে ব্যানার ঝুলিয়ে দেন। এ ছাড়া শেখ রাসেল মডেল স্কুলের নাম পরিবর্তন করে ‘রিয়া গোপ মডেল স্কুল’ নাম দেন তাঁরা।

এর আগে রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা চত্বর থেকে শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এ সময় তাঁরা ‘স্বৈরাচারের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘মুজিববাদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, আগুন জ্বালো একসাথে’ প্রভৃতি স্লোগান দেন।

সরেজমিন দেখা যায়, রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে যান। পরে তাঁরা হলটির নামফলক, উদ্বোধনী ফলকসহ শেখ মুজিবের চিহ্ন–সংবলিত স্থাপনাগুলো রড, হাতুড়ি ও কোদাল দিয়ে ভেঙে দেন। এ সময় তাঁরা হলটির নতুন নাম ‘বিজয় ২৪’ ঘোষণা করে রং দিয়ে দেয়ালে দেয়ালে নাম লিখে দেন। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে নির্মাণাধীন এ এইচ এম কামারুজ্জামান, শেখ হাসিনা হল, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হল ও শেখ রাসেল মডেল স্কুলের নামফলক ভেঙে দেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

এদিকে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের নামফলক পরিবর্তনের সময় হলের ভেতর থেকে ছাত্রীরা ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁরা বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের দিকে স্যান্ডেল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় বাইরে থেকেও কয়েকজন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী হলে অবস্থিত নারী শিক্ষার্থীদের দিকে ঢিল ছুড়ে মারেন। বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সেখানে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে ছাত্রীরা হল ফটকে টাঙানো নতুন নাম ফলকের ব্যানার ছিঁড়ে পুড়িয়ে ফেলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

হলের ভেতর থেকে শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের কয়েকজন আবাসিক শিক্ষার্থী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের হলের নাম পরিবর্তন আমরা করব। বাইরে থেকে অন্য শিক্ষার্থীরা এসে কেন সেটি করবে? যেহেতু আগে থেকে ব্যানার নিয়ে আসা হয়েছে, এর মানে বিষয়টি পূর্বপরিকল্পিত। এ বিষয়ে আমাদের আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি।’

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, সারা দেশের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা হলের নাম পরিবর্তন করেছেন। তবে এ মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে হলের নাম পরিবর্তন নিয়ে কোনো মন্তব্য নেই। যদি নাম পরিবর্তন করা হয়, সেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট ও অংশীজনদের আলোচনার মাধ্যমেই করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভালকান অ্যাসপায়ার লিমিটেড ও ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রামের মধ্যে সমঝোতা স্বাক্ষর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভালকান অ্যাসপায়ার লিমিটেড ও ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রামের মধ্যে সমঝোতা স্বাক্ষর হয়েছে। এ উপলক্ষে ভালকান অ্যাসপায়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান এসএম সাফাত ইশতিয়াক এবং ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির এক্সটার্নাল এনগেজমেন্টের পরিচালক ও সিপিডিসি এর পরিচালক ড. রওনক আফরোজ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই সমঝোতার মাধ্যমে ভালকান অ্যাসপায়ার লিমিটেড ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রাম ক্যাম্পাসের Career Excellence Partner হিসেবে যাত্রা শুরু করল।

চুক্তি অনুযায়ী ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির বর্তমান শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাই ভালকান অ্যাসপায়ার পরিচালিত সকল Corporate Soft Skill Training -এর বেসিক কোর্সসমূহ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করার সুযোগ পাবেন। এছাড়াও প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ভালকান অ্যাসপায়ার শিক্ষার্থীদের জন্য চাকরীর সুযোগ সৃষ্টি, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং এবং পেশাগত উন্নয়নমূলক সেবা প্রদান করবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ভালকান অ্যাসপায়ারের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বে আমরা আনন্দিত। আমাদের লক্ষ্য অভিন্ন এবং আমি আশা করি, তারা তাদের সর্বোচ্চ সামর্থ দিয়ে ইডিইউর শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার উন্নয়নে কাজ করবে।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির এক্সটার্নাল এনগেজমেন্টের পরিচালক ও সিপিডিসি এর পরিচালক ড. রওনক আফরোজ বলেন, আমরা সবসময় আমাদের শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে নতুন নতুন সুযোগ তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ভালকান অ্যাসপায়ারের সে এই অংশীদারিত্ব আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। ভালকান অ্যাসপায়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম সাফাত ইশিতয়াক বলেন, চট্টগ্রাম ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির সন্মানিত কতৃপক্ষের আন্তরিক অভ্যর্থনায় অত্যন্ত আনন্দিত। এই অংশীদারিত্ব এখানকার শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও ক্যারিয়ার উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করবে। আমি আশ্বস্ত করছি, ভালকান অ্যাসপায়ার শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ মানের প্রশিক্ষণ ও সেবা প্রদানে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

চারটি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না করলে কোনো প্রকল্পই অনুমোদন দেওয়া হবে না : অর্থমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সরকারি অর্থের অপচয় মেনে নেওয়া হবে না বলে। তিনি বলেছেন, যেকোনো সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে করদাতার টাকার সঠিক ব্যবহার ও প্রতিদান নিশ্চিত করতে হবে।

চারটি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না করলে কোনো প্রকল্পই অনুমোদন দেওয়া হবে না মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) আয়োজিত ২৪তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সরকারি অর্থে নেওয়া প্রতিটি বিনিয়োগ প্রকল্পে মূল্যমান নিশ্চিত করা, বিনিয়োগের বিপরীতে প্রাপ্তি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশগত প্রভাবকে গুরুত্ব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিতে হলে সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে নিয়মিত বেঞ্চমার্কিং করতে হবে।একই সঙ্গে নিজেদের গবেষণা, ব্যবস্থাপনা ও কার্যক্রমের পিয়ার রিভিউ নিশ্চিত করতে হবে। নিজেদের কাজের মূল্যায়ন নিজেরা করলে চলবে না, অন্যদের মূল্যায়নের মাধ্যমে দুর্বলতা চিহ্নিত করে তা সংশোধন করতে হবে।

গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে নিতে গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিকল্প নেই। শুধু ভালো কাজ করলেই হবে না, সেই কাজকে বিশ্বব্যাপী দৃশ্যমানও করতে হবে।তাছাড়া শুধু ভবন নির্মাণে বিনিয়োগ করলে হবে না। অবকাঠামোর পাশাপাশি দক্ষ জনবল, গবেষণা সুবিধা, ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে ভারসাম্য না থাকলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, সরকারি অর্থে নেওয়া প্রতিটি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মূল্যমান, বিনিয়োগের বিপরীতে প্রাপ্তি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশগত বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে। জনগণের করের টাকা ব্যয় করে নির্মিত অবকাঠামো থেকে কী ফল পাওয়া যাচ্ছে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।

চুয়েটের আইটি ইনকিউবেটর প্রসঙ্গে আমির খসরু আরো বলেন, এটি কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। তিনি ঢাকায় ফিরে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

শিল্পখাতের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের উন্নত প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের কেন্দ্রগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিল্পখাতের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও সহযোগিতা রয়েছে। বাংলাদেশেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা সক্ষমতা শিল্পখাতের প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, দেশের অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো চুয়েটের গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকেও যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও গবেষণায় অর্থের অভাবে সম্ভাবনাময় উদ্যোগ যেন থেমে না যায়, সেদিকেও নজর দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, শুধু লেখাপড়ায় নয়, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, বিতর্ক ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমেও অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুয়েটের সহযোগিতা জোরদার করে নতুন প্রযুক্তি ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এলাকার সন্তান হিসেবে চুয়েটের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সবসময় পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা, শিক্ষকদের দক্ষতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে চুয়েটকে আরও এগিয়ে নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং উন্নয়নে বিদেশি অধ্যাপক নিয়োগ, অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও গবেষণা কার্যক্রম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুয়েটের সংযোগ জোরদার এবং মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে একটি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ