গাজীপুর সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

সুরুজ্জামান রাসেল গাজীপুর প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুর সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (১৭ ফেব্রয়ারী) দুপুরে মহানগরীর বাসন থানার তেলিপাড়া এলাকায় সাগর সৈকত কনভেনশন হলে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। আলোচনাসভা, দোয়া মাহফিল ও কেককাটার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে মিলনায়তনে আলোচনা সভায় প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আব্দুল ওহাব রিংকোর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ.ন.ম এহসানুল হক মিলন, প্রধান আলোচক ছিলেন গাজীপুর ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাসান উদ্দিন সরকার, উদ্বোধক হিসেবে ছিলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ড. মোঃ নাজমুল করিম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি মোঃ শওকত হোসেন সরকার ও সাধারণ সম্পাদক এম মঞ্জুরুল করিম রনি। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গাজীপুর জেলা শাখার সভাপতি প্রিন্সিপাল মুফতি মুহাঃ নাসির উদ্দীন এবং বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামি গাজীপুর মহানগর শাখার নায়েবে আমির মুহাম্মদ হোসেন আলী।

বক্তারা বলেন, সমাজের সবচেয়ে চক্ষুশূল পেশাটির নাম সাংবাদিকতা। বেশির ভাগ শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছেই সাংবাদিকরা সমাদৃত নয়। পুলিশের শত্রু সাংবাদিক। কারণ পুলিশের সব অপকর্ম তুলে ধরে সাংবাদিকরা। রাজনীতিবিদরা সাংবাদিকদের তোষামোদ করলেও মাঝে মাঝে সুযোগ পেলেই ক্ষোভ ঝারেন। কারণ তাদের বহুমুখী চরিত্র দৃষ্টিকটুভাবে ফুটিয়ে তোলেন সাংবাদিকরা। চিকিৎসকদের অনেক বড় ‘শত্রু’ সাংবাদিক। কারণ তাদের হঠকারী আচরণ এবং গলাকাটা মুনাফার বিষয়টি সাংবাদিকরাই তুলে ধরেন। সরকারি আমলাদের অনেক দুর্বলতা সাংবাদিকদের জানা। মাঝে মাঝে কিছু তুলেও ধরেন। এজন্য তারাও সুযোগ পেলেই সাংবাদিকদের চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করে ছাড়েন। দুর্নীতি, অসততা, লুটপাট, দেশবিরোধী নানা ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে অবিরাম লড়াইয়ে নিয়োজিত গণমাধ্যম। গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করা; জনগণের তথ্যের অধিকার নিশ্চিত করা; গণমাধ্যমের বিকাশ আরও শাণিত করার নিরন্তন প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে সাংবাদিক সমাজ। সাংবাদিকরা হলো সমাজের দর্পণ তারা জীবনের নিরাপত্তাকে প্রাধান্য না দিয়ে সমাজকে এগিয়ে নিতে কাজ করেন। এসময় প্রেসক্লাবের উজ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন বক্তারা।

আলোচনা সভা শেষে প্রেসক্লাবের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী লেখা সম্বলিত কেক কাটা ও অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়। এছাড়াও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আরো উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, গাজীপুর সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ। এসময় বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সুধীজন এবং রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বর্ধিত বেতন মিলেনি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মীদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন ১ নভেম্বর পরিশোধের নির্দেশনা থাকলেও এখনো পাননি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলাকে বেতন না পাওয়ার জন্য দায়ী করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে ১৬টিতে বর্ধিত বেতন পরিশোধ করা হলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।

শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. হাকিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দেশের অন্যান্য স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত বেতন পেলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা তা পাননি। এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেনের অবহেলার কারণে সময়মতো প্রয়োজনীয় নথিপত্র বেবিচকের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন পাননি তারা। পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জমা না দেওয়ার বিষয়টিও নথি পাঠাতে বিলম্বের কারণ বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কর্মচারী।

অভিযোগের বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেন বলেন, কমচারীদের ৩১৯ ফাইল সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ৩০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, বাকি ১৯টি নথি দুয়েকদিনের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে এবং সবাই একসঙ্গে বেতন পাবেন। বাকি বিমানবন্দরে লোকবল কম। একারণে তারা দ্রুত অনুমোদন নিতে পেরেছেন এবং বেতন পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের এখানে লোকবল বেশি। সবারটা অনুমোদন হয়নি। এ কারণে পরিচালক বলেছেন সবারটা অনুমোদন হলে একসঙ্গে ছাড় করার জন্য।

বর্ধিত বেতন মিলেনি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মীদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন ১ নভেম্বর পরিশোধের নির্দেশনা থাকলেও এখনো পাননি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলাকে বেতন না পাওয়ার জন্য দায়ী করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে ১৬টিতে বর্ধিত বেতন পরিশোধ করা হলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।

শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. হাকিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দেশের অন্যান্য স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত বেতন পেলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা তা পাননি। এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেনের অবহেলার কারণে সময়মতো প্রয়োজনীয় নথিপত্র বেবিচকের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন পাননি তারা। পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জমা না দেওয়ার বিষয়টিও নথি পাঠাতে বিলম্বের কারণ বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কর্মচারী।

অভিযোগের বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেন বলেন, কমচারীদের ৩১৯ ফাইল সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ৩০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, বাকি ১৯টি নথি দুয়েকদিনের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে এবং সবাই একসঙ্গে বেতন পাবেন। বাকি বিমানবন্দরে লোকবল কম। একারণে তারা দ্রুত অনুমোদন নিতে পেরেছেন এবং বেতন পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের এখানে লোকবল বেশি। সবারটা অনুমোদন হয়নি। এ কারণে পরিচালক বলেছেন সবারটা অনুমোদন হলে একসঙ্গে ছাড় করার জন্য।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ