আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

করদাতাদের জন্য স্বস্তিদায়ক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথা জানালেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, চট্টগ্রামকে গ্রিন ও ক্লিন সিটিতে রূপান্তর করতে নিয়মিত কর পরিশোধ করুন। জনগণকে করের অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দিতে চাই না। বরং করদাতাদের জন্য স্বস্তিদায়ক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চাই।

রোববার মহানগরের ওয়াসা মোড়ে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিচ তলায় চসিকের উদ্যোগে ‘কর মেলা ২০২৫’ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চসিক মেয়র এসব কথা বলেন। জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে শাহাদাত হোসেন বলেন, আপনারা যাতে সময়মত ট্যাক্সগুলো দিয়ে দেন। কারণ হোল্ডিং ট্যাক্স যদি আমরা ঠিকমত পেয়ে থাকি; তাহলে আমরা শহরকে সুন্দর করতে পারবো।

শহরের অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণে পর্যাপ্ত অর্থনৈতিক সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, চসিককে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্নভাবে আমরা কর আদায় বাড়ানোর চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যেই বন্দরকে আমরা চিঠি লিখেছি। আমাদের যে ন্যায্য কর তা যাতে আমাদের দেওয়া হয়। সড়কে বন্দরে পণ্য পরিবহনকারী ৭০-৮০ টনের যান চলাচল করায় রাস্তা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

অথচ, শহরের অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত অর্থনৈতিক সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের রাস্তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তার বিপরীতে তাদের কাছ থেকে যথাযথ কর আদায় করা সময়ের দাবি। এছাড়া বিভিন্ন সংস্থা এখনো যারা কর দিচ্ছে না আমরা তাদেরকেও আহ্বান জানাচ্ছি। বিভিন্ন জায়গায় সরকারি অনেক কর বাকি আছে তাদেরকে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি সময়মত কর প্রদান করে সহযোগিতা করুন। আমরা আপনাদেরকে ডিসকাউন্ট করার চেষ্টা করছি।

নিষ্পত্তি হয়ে গেছে সেগুলো আর কিছু করার থাকবে না উল্লেখ করে মেয়র বলেন, জনগণের সহায়ক হিসেবে কাজ করতে চাই। জনগণের ওপর কোন করের বোঝা আমরা চাপিয়ে দিতে চাই না। করদাতা ভাইয়েরা যাতে স্বস্তিদায়ক অবস্থায় করগুলো দিতে পারে সে ব্যবস্থা আমরা করে দিব। তবে এরমধ্যে যাদেরগুলো নিষ্পত্তি হয়ে গেছে; সেগুলো আর কিছু করার থাকবে না। যেহেতু এটা মিউচুয়াল আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। সেগুলো আমাদের কিছু করার নাই।তিনি আরো বলেন, নিষ্পত্তি যেগুলো এখনো হয়নি; সেগুলো স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আপনাদের ওপর করের বোঝা না চাপিয়ে যাতে করগুলো সহজভাবে দিতে পারেন সেভাবে ব্যবস্থা করা হবে।

চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ মেলায় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, রাজস্ব কর্মকর্তা মো. সাব্বির রহমান সানিসহ রাজস্ব বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
চসিক মেয়র আরো বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শহরকে আরও সুন্দর ও উন্নত করে তুলতে। বর্তমানে আমরা শহরের শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়নের জন্য ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের করগুলো সময়মত প্রদান করলে ভবিষ্যতে এই খাতগুলোতে আরো বেশি পরিমাণে বাজেট প্রদান সম্ভব হবে। পাশাপাশি শহরের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্যও পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ করা হবে। যাতে জনগণের জীবনযাত্রা আরো সুগম এবং উন্নত হয়। এই কর আপনাদের কাজের জন্যই দিন; শহরকে সুন্দর করুন। শহরকে আরো সুন্দর ও আধুনিক করতে ট্রেড-লাইসেন্স অটোমেশনের আওতায় অনেকটা এসে গেছে। শিগগিরই হোল্ডিং ট্যাক্স অনলাইনে পরিশোধের সুবিধা চালু করা হবে। যাতে নাগরিকরা হয়রানিমুক্তভাবে কর প্রদান করতে পারেন।

কোন কর্মকর্তা ঝামেলা করতে মেয়রকে অবগত করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এখনো যদি কোন কর্মকর্তা অতিরিক্ত কিছু করতে চায় আমাদের জানাবেন। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে কোন ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা একটা সুন্দর সংস্কৃতি চালু করতে চাই। দুর্নীতিবিহীন সুন্দর একটি সমাজ শহর আমরা বিনির্মাণ করতে চাই।
কর মেলায় হোল্ডিং কর, ই-ট্রেড লাইসেন্স’র শতভাগ সারচার্জ মওকুফ, আপিল শুনানি এবং বিভিন্ন তথ্য প্রদানের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। জনগণ যাতে সহজে কর পরিশোধ করতে পারে, সে জন্য দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

মেলায় চসিকের রাজস্ব সার্কেল-১ ও রাজস্ব সার্কেল-৫ এর আওতাধীন এলাকাবাসীর করদাতারা ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন, হোল্ডিং কর পরিশোধসহ বিভিন্ন সেবার সুবিধা গ্রহণ করেন। সার্কেল-১ এর আওতাধীন ওয়ার্ডসমূহ ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী, ২ নম্বর জালালাবাদ, ৩ নম্বর পাঁচলাইশ, ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর, ৮ নম্বর শুলকবহর। এছাড়া, রাজস্ব সার্কেল-৫ এর আওতাধীন ওয়ার্ডসমূহ হল ১৪ নম্বর লালখান বাজার, ১৫ নম্বর বাগমনিরাম, ২১ নম্বর জামালখান, ২২ নম্বর এনায়েত বাজার, ২৩ নম্বর উত্তর পাঠানটুলী এবং ২৮ নম্বর পাঠানটুলী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও জীবনমান নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন, মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হলে মে দিবসের প্রকৃত তাৎপর্য বিলীন হয়ে যাবে।শিকাগো শহরে শ্রমিকরা তাদের রক্তের বিনিময়ে যে আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন, সেই চেতনা আজও আমাদের সামনে প্রাসঙ্গিক। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এখনো আমরা সব শ্রমিকের ন্যায্য দাবি পূরণ করতে পারিনি।

তিনি শুক্রবার (১ মে) দুপুরে নগরীর টাইগার পাস মোড়ে মহান মে দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম হালকা মোটরযান চালক শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, প্রতিটি সেক্টরেই শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য। রাস্তা নির্মাণ থেকে শুরু করে ভবন, নালা-নর্দমা পরিষ্কার, নগরকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ রাখার প্রতিটি কাজে শ্রমিকদের নিরলস পরিশ্রম রয়েছে। আজ আমরা যে উন্নত অবকাঠামো ও নগরজীবন উপভোগ করছি, তা শ্রমিকদের ঘাম ও শ্রমের ফল।

তিনি আরও বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবেও জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করেন। নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে আমরা দিন-রাত কাজ করছি। কোথাও পানি জমলে বা কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সেখানে ছুটে যাই, যাতে মানুষের কষ্ট কমানো যায়।

রুট লেভেলের শ্রমিকদের গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, তাদের ন্যায্য মজুরি ও জীবনমান নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না। গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বকেয়া থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করে তিনি বলেন, শ্রমিকরা অনেক সময় বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নামে, যা আমাদের জন্য দুঃখজনক।


চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে প্রায় ১২০০ অস্থায়ী শ্রমিককে স্থায়ী করার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এটি ছিল তাদের দীর্ঘদিনের দাবি। ঝুঁকি নিয়েই আমরা এটি বাস্তবায়ন করেছি, কারণ তারা দীর্ঘদিন অসহায় অবস্থায় ছিলেন।

এ সময় তিনি শ্রমিকবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। মেয়র বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য পাঁচটি আবাসন নির্মাণে ৩০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ এবং সিটি কর্পোরেশনের জন্য ৬০ কোটি টাকার সরকারি অনুদান শ্রমিকদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে শ্রমিকদের ৫ হাজার টাকা করে বোনাস প্রদানকেও তিনি প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

বক্তব্যের শেষে মেয়র একটি হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার মজুরি পরিশোধ করতে হবে। তিনি বলেন, এই নীতিকে বাস্তবে প্রয়োগ করা গেলে শ্রমিকদের জীবনমান উন্নত হবে এবং তারা দেশের উন্নয়ন ও একটি সুন্দর চট্টগ্রাম গড়তে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

চট্টগ্রাম হালকা মোটরযান চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাজী মোহাম্মদ আবু ফয়েজের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আমির হোসেনের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর চৌধুরী, রাজনীতিবিদ তোফাজ্জল হোসেন, মিল্টন ডেকোরেটারসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজেদুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ মানবাধিকার ও পরিবেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এস এম সামশুল হক। বক্তব্য রাখেন মে দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক শামসুল ইসলাম আরজু, সদস্য সচিব মো. সোলাইমান সুমন, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শাহ আলম ফিরোজী, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সংগঠনের নেতা কে এম শহীদুল্লাহ, কাজল ইসলাম, মাঈন উদ্দিন তাপস, সাইফুল ইসলাম শাহীন, মো. হাসান, মিজানুর রহমান, জসিম উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, রাসেল হাওলাদার, ইয়াছিন মিয়াজি, মনির হোসেন, মো. সোহাগ, আবদুস সালাম, মো. শফি, জসিম উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, কাজী গোলাম মোস্তফা, এম এ হাকিম, এস এম ফজলুল হক, ওয়াজেদ আলী ওমর, ইমাম হোসেন মাসুদ প্রমুখ।

শিক্ষা বিভাগে আগুনের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত? দেখা যাক তদন্তে কি বেড়িয়ে আসছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিক্ষা বিভাগে আগুনের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত? দেখা যাক তদন্তে কি বেড়িয়ে আসছে।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ