আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে এক্স ওয়াই শেডে নিয়ে আসা হবে ৩৫৪ পণ্যবাহী কনটেইনার

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে র প্রাথমিক পর্যায়ে প্রস্তুত হওয়া এক্স ওয়াই শেডকে ফেলে না রেখে আপাতত ব্যাকআপ ইয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করবে কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম বন্দরের অভ্যন্তরে বিভিন্ন জায়গায় বহু বছর ধরে পড়ে থাকা ৩৫৪ পণ্যবাহী কনটেইনার সরিয়ে এক্স ওয়াই শেডে নিয়ে আসা হবে। এজন্য গত ২৩ ফেব্রুয়ারি একটি দরপত্র আহ্বান করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

এর আগে চট্টগ্রাম বন্দরের অভ্যন্তরে কনটেইনার খুলে পণ্য ডেলিভারির প্রচলিত প্রথা থেকে সরে আসতে বন্দরের পুরাতন এক্স ওয়াই শেডকে প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে সেই পরিকল্পনাকে আরো বড় করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। শুধু এলসিএল কার্গো ডেলিভারি নয়, এবার এক্স ওয়াই শেডকে পুরোদমে একটি পূর্ণাঙ্গ অফডক হিসেবে ব্যবহারের জন্য পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, এই এক্স ওয়াই শেডকে ওয়ারহাউস হিসেবে ব্যবহারের জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) আবেদন করা হয়। তারই প্রেক্ষিতে এনবিআর গত বছরের (২০২৪) ১৭ মে এই এক্স ওয়াই শেডের ১৫ দশমিক ৪১ একর জায়গাকে ওয়্যারহাউস হিসেবে ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। চট্টগ্রাম বন্দরের চার নম্বর গেট থেকে ২ দশমিক ২ কিলোমিটার দূরত্বে বন্দর স্টেডিয়াম সংলগ্ন পুরাতন ‘এক্স’ এবং ‘ওয়াই’ নামের দুটি শেড রয়েছে পাঁচ একর জমির ওপর। সেই এক্স ও ওয়াই শেড দুটির আয়তন ১৮ হাজার ৯০৬ বর্গমিটার।

আর পুরো জায়গা ১৫ দশমিক ৪১ একর। এক সময়ে বন্দরের এই পরিত্যক্ত শেড দুটি সংস্কার, সড়ক ও ইয়ার্ড নির্মাণসহ পুরো কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বে-কার্গো সেন্টার নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে ২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বন্দর কর্তৃপক্ষ পাঁচ বছরের জন্য চুক্তি করে। চুক্তির পরপরই শেড দুটি সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়।

এই শেডের কার্যক্রম শুরু করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে বন্ড লাইসেন্সের আবেদন করে চট্টগ্রাম বন্দর। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের সাথে ২০২৩ সালের ১৪ জুন বৈঠক করে কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ। সার্বিক বিবেচনায় এনবিআর বন্দরকে অনুমাতিও দেয়। তবে শেষ পর্যন্ত বে কার্গো সেন্টারের সাথে বন্দরের চুক্তি বাতিল হয়ে যায়। এবার সেই জায়গাটি বন্দর কর্তৃপক্ষ অফডক হিসেবে পরিচালনার প্রক্রিয়া গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ