আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

কুড়িগ্রামে মিলছে না বোতলজাত সয়াবিন, দূর্ভোগে মানুষ।

আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুড়িগ্রামের কোনও দোকানে মিলছে না বোতলজাত সয়াবিন তেল। ফলে অত্যাবশ্যকীয় এই ভোগ্যপণ্যের ভোগান্তি নিয়ে শুরু হলো ভোক্তাদের পবিত্র মাহে রমজানের যাত্রা।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট পরিবেশকদের কাছে তেল চেয়েও পাওয়া যাচ্ছে না। কোনও কোম্পানি বোতলজাত সয়াবিন সরবরাহ করছে না।

শহরের একাধিক বাজারের পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের দোকান ঘুরে বোতলজাত সয়াবিন পাওয়া যায়নি। গ্রাহকরা বাধ্য হয়ে খোলা তেল কিনে চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করছেন। প্রতি লিটার খোলা তেল বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়। তবে খোলা তেলে অতৃপ্তি নিয়ে ঘরে ফিরেছেন ক্রেতারা।

বিক্রেতারা জানান, তারা বারবার তাগিদ দিয়েও ডিলারদের কাছে বোতলজাত সয়াবিনের সরবরাহ পাচ্ছেন না। ক্রেতারা আসলে তাদের খোলা তেল সরবরাহ করতে হচ্ছে। প্রথমে আপত্তি করলেও কয়েক দোকান ঘুরে শেষে খোলা তেল কিনে বাড়ি ফিরছেন ক্রেতারা।

কুড়িগাম শহরের জিয়া বাজারের আমির অ্যান্ড সন্স দোকানের ব্যবসায়ী নওফেল বলেন, ‘কোম্পানিগুলো বোতলজাত সয়াবিন সরবরাহ করছে না। গ্রাহকরা বারবার বোতলজাত সয়াবিন দাবি করলেও আমরা দিতে পারছি না। বাধ্য হয়ে খোলা তেল নিচ্ছেন তারা। এমনকি আমরা নিজেরাও খোলা তেলে রান্না করে খাচ্ছি।’

কোম্পানিগুলো বোতলজাত তেল দিতে নানা শর্ত জুড়ে দিচ্ছে উল্লেখ করে এই ব্যবসায়ী আরও বলেন, ‘এক কার্টন তেল নিতে এক বস্তা প্যাকেট চাল, আটা কিংবা সরিষার তেল নেওয়ার শর্ত জুড়ে দিচ্ছেন কোম্পানির প্রতিনিধিরা। এভাবে ব্যবসা করা অসম্ভব।’

শহরের বেশ কয়েকটি দোকান ঘুরে এই ব্যবসায়ীর কথার সত্যতা পাওয়া যায়। কোনও দোকানে বোতলজাত সয়াবিন মেলেনি। দুই একটি দোকানে ভেজিটেবল অয়েলের বোতল পাওয়া গেলেও তার সংখ্যা সীমিত।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, তীর, রূপচাঁদা, ফ্রেশ এবং পুষ্টি কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিরা (এসআর) বোতলজাত তেলের সঙ্গে চাল, আটা ও সরিষার তেল নেওয়ার শর্তে বোতলজাত সয়াবিন সরবরাহ করতে চাচ্ছেন। রাজি হলে দুই কার্টনের বেশি তেল দিতে চাইছেন না তারা। ফলে গ্রাহকরা বোতলজাত সয়াবিন পাচ্ছেন না।

শহরের মুদি দোকানি আজগর আলী বলেন, ‘অন্য পণ্য নেওয়ার শর্ত ছাড়া বোতলজাত সয়াবিন মিলছে না। কোম্পানিগুলো শর্তের জালে দোকানদারদের জিম্মি করছে। ডিলারদের ফোন দিলে বলছে তেল নাই।’

একই কথা বলেছেন আরেক মুদি দোকানি মানিক ঘোষ। তিনি বলেন, ‘দুই দিন আগে রূপচাঁদা কোম্পানির এসআর এসে এক কার্টন তেলের সঙ্গে এক বস্তা প্যাকেট চাল নেওয়ার শর্ত দিয়ে গেছেন। নিতে পারি নাই। বোতলজাত সয়াবিন না থাকলেও খোলা সয়াবিন সরবরাহ স্বাভাবিক আছে।’

মানিক ঘোষের দোকানে দেখা মেলে আবু মুসা নামে এক গ্রাহকের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘বোতলের সয়াবিন কিনতে আসছি। কোথাও পাচ্ছি না। বাধ্য হয়ে খোলা তেল কিনলাম।’

আরেক গ্রাহক আফরোজা ফেরদৌস বলেন, ‘রমজান মাস আসলেই জনগণের ভোগান্তি বাড়ে। জিনিসের দাম তো বেশি হয়, সঙ্গে সংকটও তৈরি হয়। ইফতারসহ রান্নার কাজে সয়াবিনের ব্যবহার একটু বেশি হয়। সব পরিবারে একই রকম। কিন্তু বোতলের তেল কোথাও নেই। খোলা তেল নিয়ে বাড়ি ফিরছি।’

কুড়িগ্রামে ফ্রেশ সয়াবিন তেলের ডিলার দবির হোসেন। যোগাযোগ করলে তার ম্যানেজার পাপ্পু বলেন, ‘কোম্পানি তেল না দিলে আমরা কী করবো। আমরা বারবার তেল চেয়েও পাচ্ছি না। তারা বলছে, তাদের তেলের সরবরাহ কম। আপনারা কোম্পানির সঙ্গে কথা বলেন।’

রূপচাঁদা কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি সাব্বির বলেন, ‘আমরা তেল পাওয়ামাত্র মার্কেটে ছাড়ছি। সরবরাহ তুলনামূলক কম হলেও আমরা আটকে রাখছি না। গত বৃহস্পতিবারও আমি নিজে জিয়া বাজারে ১০৮ কার্টন (প্রতি কার্টনে ১৬ বোতল) বোতলজাত তেল দিয়েছি। আমার কাছে প্রত্যেকটার বিক্রয় স্লিপ আছে। শনিবার পৌরবাজার ও খলিলগঞ্জ বাজারে চাহিদাপত্র নিয়েছি। রবিবার সরবরাহ করবো।’

দোকানদারদের অভিযোগের বিষয়ে এই বিক্রয় প্রতিনিধি বলেন, ‘বোতলজাত তেলের চেয়ে খোলা বিক্রিতে লাভ বেশি। দোকানিরা বোতলের তেল খুলে বিক্রি করছেন কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা উচিত।’

এদিকে, তেল নিয়ে তেলেসমাতি চললেও ভোক্তাদের ভোগান্তি নিরসনে বন্ধ থাকা সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিক্রি শুরু হয়নি। বোতলজাত সয়াবিনের সঙ্কটের বিষয়টি জেলা প্রশাসন অবগত থাকলেও টিসিবি পণ্য বিক্রির বিষয়ে রমজানের চাঁদরাত পর্যন্ত কোনও উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

এ ব্যাপারে জানতে জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানাকে একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) উত্তম কুমার রায় বলেন, ‘বোতলজাত সয়াবিনের সঙ্কটের বিষয়টি আমাদের জানা আছে। এ নিয়ে পরিবেশকদের সঙ্গে দুই-একদিনের মধ্যে কথা বলবো।’

টিসিবির পণ্য বিক্রির বিষয়ে উত্তম কুমার রায় বলেন, ‘টিসিবি বন্ধ নেই। আমরা পণ্য পেয়েছি। শিগগিরই বিক্রি শুরু হবে।’ তবে টিসিবি ডিলারদের দাবি, কবে থেকে পণ্য বিক্রি করতে হবে, সে ব্যাপারে এখনও সুনির্দিষ্ট তারিখ পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে ডাকাতি কুপিয়ে বৃদ্ধকে আহত দুই জন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে ঘর ডাকাতি করতে গিয়ে এলাকাবাসীর প্রতিরোধে ডাকাতরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। তবে ডাকাতি করতে না পেরে দুইজনকে কুপিয়ে আহত করেছে তারা।বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ২:৪৭ মিনিটে দিকে উপজেলার পোপাদিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড মুছা মেম্বারের বাড়ি সংলগ্ন রাস্তার পাশে নতুন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আব্দুল হাশেম (৬০) ও সিরাজ খাতুন( ৫৪) তারা আহত করেন।

আব্দুল হাশেম বলেন, রাত ২:৪৭ মিনিটের দিকে রাম দা নিয়ে আমার ঘরে ৩/৪ জন ঢুকে আমাদেরকে প্রথমে মারধর করে আহত করেন। পরে আমার স্ত্রী চিৎকার শুনে তারা পালিয়ে যায়। তিনি আরো জানান মই ও পানির পাইপ দিয়ে ছাদ বেয়ে ডাকাত দল ঘরে ঢুকে। যাওয়া সময় ডাকাতরা মইটা ফেরে রেখে যায়। আমার ছেলের বউ আমাদের পুরাতন বাড়িতে সবাইকে ফোন করে বললে তারা তাৎক্ষণিক বাড়িতে আসলে ডাকাতের দল পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন,খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সিসি ফুটেজ দেখে ডাকাতদের শনাক্ত করা হবে।

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ