সাংবাদিকদের সম্মানে চট্টগ্রাম মহানগরী শ্রমিক কল্যাণের ইফতার মাহফিল

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাংবাদিকদের সম্মানে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, চট্টগ্রাম মহানগরীর ইফতার মাহফিল। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি এস এম লুৎফুর রহমান। সঞ্চালনা করেন ফেডারেশনের নগর সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী।

সভাপতির বক্তব্যে এস এম লুৎফুর রহমান জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের শহিদদের স্মরণ করেন। দেশ ও জাতিগঠনে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি শ্রমিকদের অধিকারের বিভিন্ন দিক এবং শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সৃজনশীল ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট পতনোত্তর সময়ে একটি সমৃদ্ধ, শ্রমিকবান্ধব ও ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়ার সম্ভাবনার সামনে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ। সেই সম্ভাবনাকে যথাযথভাবে কাজে লাগানোই সময়ের দাবি। কিন্তু বিভিন্ন শ্রম সেক্টরে ঘাপটি মেরে থাকা পতিত স্বৈরাচারের দোসররা সেই সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করার চক্রান্ত করছে। সে সকল চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ ও শ্রমিক নিপীড়করা এখনও বিভিন্ন পদে বসে থাকায় শ্রমিকদের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে। শ্রম অসন্তোষ দূরীকরণে অবিলম্বে এসকল দুর্নীতিবাজ ও শ্রমিকনিপীড়কদের অপসারণ করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দর, ই-ইপিজেড, সি-ইপিজেড, রেলওয়ে, বিপিসি, ওয়াসা, সিটি কর্পোরেশন, শিল্পকারখানা ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান-সহ সকল শ্রমসেক্টর থেকে ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিদায় করতে হবে। মেধা, দক্ষতা ও সততাকে মূল্যায়ন করে শূন্যপদে নিয়োগ দিতে হবে। মেধা, দক্ষতা ও সততার ভিত্তিতেই পদোন্নতি দিতে হবে।

শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ নিরাপদ করার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে, নারী শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করতে হবে।
রমজানের শুরু থেকেই মানুষ ঈদের প্রস্তুতি শুরু করে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য নতুন জামাকাপড় কেনার মাধ্যমে ঈদের আমেজ শুরু হয়। কিন্তু শ্রমিকদের বেতন-বোনাস যথাসময়ে পরিশোধ না করার কারণে শ্রমিক-পরিবার ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়। আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি, সকল সেক্টরের শ্রমিক-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন, চলতি বেতন ও ঈদ বোনাস ২০ রমজানের মধ্যে আদায় করতে হবে।

ইফতার মাহফিলে সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নূরুল আমীন, ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইসহাক, বিশিষ্ট সাংবাদিক মোহাম্মদ উল্লাহ, বিশিষ্ট লেখক ও আলেমে দ্বীন অধ্যাপক লিয়াকত আখতার সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব ও দৈনিক আমার দেশের আবাসিক সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল ও ইন্টারন্যাশনাল প্রেস কাউন্সিলের সদস্য মঈনুদ্দীন কাদের শওকত, প্রেস ক্লাবের অন্তবর্তী কমিটির সাবেক সদস্য সচিব গোলাম মাওলা মুরাদ ও দৈনিক কালের কণ্ঠের ব্যুরো প্রধান মোস্তফা নাঈমসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

শ্রমিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের চট্টগ্রাম জেলা দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা নূর হোসাইন, চট্টগ্রাম জেলা উত্তরের সভাপতি ইউসুফ বিন আবুবকর, মহানগরী সহ-সভাপতি নাজির হোসেন ও মকবুল আহম্মেদ ভূঁইয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শিহাবউল্লাহ ও অধ্যক্ষ এম আসাদ উল্লাহ আদিল, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ হামিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মোঃ নুরুন্নবী, দপ্তর সম্পাদক স. ম. শামীম, প্রচার সম্পাদক আবু সুফিয়ান, ট্রেড ইউনিয়ন সম্পাদক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মজুমদার, প্রকাশনা সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম ও বিশিষ্ট শ্রমিকনেতা ইমরান শিকদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাবেক মেয়র মনজুরের সঙ্গে আমিন ভাণ্ডার দরবার শরীফের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আলহাজ্ব হোসনেরা মনজুর আলম ট্রাস্টের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলমের সঙ্গে আমিন ভাণ্ডার দরবার শরীফের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন। সাক্ষাৎকালে হযরত শাহসুফি মাওলানা সৈয়দ গোলামুর রহমান গাউসুল আজম বাবাভাণ্ডারী (ক.)-এর খলিফা, মাইজভাণ্ডারী গানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতিকার এবং ফটিকছড়ির দক্ষিণ ধর্মপুরের মহান অলি হযরত শাহসূফি সৈয়দ আমিনুল হক ধর্মপুরী মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর আধ্যাত্মিক জীবন, সাধনা ও ধর্মীয় অবদান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ধর্মীয় ঐতিহ্য আধ্যাত্মিক সাধনা ও মাইজভান্ডারী সংগীতের ঐতিহ্য সংরক্ষণে এ মতবিনিময়ীকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এ সময় প্রতিনিধিদল তাঁর আধ্যাত্মিক দর্শন, মাইজভাণ্ডারী সংগীত ও সুফিবাদী ভাবধারার তাৎপর্য তুলে ধরেন। আলোচনা শেষে আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলমকে আমিন ভাণ্ডার দরবার শরীফ পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানানো হয়। প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে তাঁকে আমিন ভাণ্ডার দরবার শরীফের আমন্ত্রণপত্র এবং ‘সৈয়দ আমিনুল হক ধর্মপুরী মাইজভাণ্ডারী গান সমগ্র’ বইটি সৌজন্য উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়। সভায় হযরত শাহসূফি সৈয়দ আমিনুল হক ধর্মপুরী মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর পরিবারের সদস্য শাহজাদী ফাতেমা বেগম (খুশি), শাহজাদী আকলিমা আক্তার (পুতুল) ও শাহজাদী রাজিয়া সুলতানা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক সাংবাদিক আল সিরাজ মাইজভাণ্ডারী, মো. জাভেদ হাসান, রাকিব, পিএস লিটনসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ সহ উপস্তিত ছিলেন।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বড়াল ও গুমানি নদীতে প্রতিমা বিসর্জন; শেষ হল শারদীয় দুর্গোৎসব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার,
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বড়াল ও গুমানি নদীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।
ষষ্ঠী থেকে বিজয় দশমী পর্যন্ত,পাঁচ দিনব্যাপী পূজা-অর্চনা, আনন্দ, উৎসব ও নানা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে বুধবার ২১ অক্টোবর সন্ধ্যার পূর্বলগ্নে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান ভক্তরা।

বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটলেও ভক্তদের মনে রয়ে গেছে বিদায়ের বিষাদ আর আগামী শরতে দেবী কে আবার বরণ করে নেওয়ার প্রত্যাশা।
বুধবার দুপুর ২টা থেকে ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরের পূজামণ্ডপ থেকে ঢাক-ঢোল ও বাদ্যযন্ত্রের তালে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে প্রতিমা নিয়ে নদীর ঘাটের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। পরে নির্ধারিত স্থানে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। এ সময় ভক্তদের মধ্যে একদিকে ছিল প্রিয় দেবীকে বিদায় জানানোর আবেগ, অন্যদিকে ছিল পরিবার, সমাজ ও দেশের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়।

বড়াল নদীতে ভাঙ্গুড়া কেন্দ্রীয় মন্দির, কালীবাড়ি দুর্গা মন্দির, জগাতলা দুর্গা মন্দির, পাথরঘাটা দুর্গা মন্দির ও শরৎনগর বাজার মন্দিরের প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। অন্যদিকে চড়-ভাঙ্গুড়া ঘোষপাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, কৈডাঙ্গা সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, নৌবাড়ীয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, বেতুয়ান সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, দিলপাশার দুর্গা মন্দির ও অষ্টমনিষা দুর্গা মন্দিরে প্রতিমাও বিসর্জন দেওয়া হয়।

প্রতিমা বিসর্জনকে ঘিরে নদীর ঘাটগুলোতে ভক্তদের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিবেশ। ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান তারা। বিসর্জনের সময় ভক্তরা সব অশুভ শক্তির বিনাশ, শুভ শক্তির বিকাশ এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, বিজয়া দশমীর তাৎপর্য শুধু প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের মনের কাম, ক্রোধ, হিংসা ও লালসার মতো আসুরিক প্রবৃত্তি বিসর্জন দেওয়াই এর অন্যতম শিক্ষা। হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে পারস্পরিক ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করার মধ্য দিয়েই সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, প্রতিবছর শরৎকালে দেবী দুর্গা পিতৃগৃহে আগমন করেন। কয়েক দিনের পূজা-অর্চনা ও আনন্দ-উৎসব শেষে বিজয়া দশমীতে তাকে বিদায় জানানো হয়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে, দেবী ফিরে যান কৈলাসে স্বামী মহাদেবের গৃহে। এরপর আবারও শরতের আগমনে দেবীর আগমনের অপেক্ষায় থাকেন ভক্তরা।
প্রতিমা বিসর্জনে অংশ নেওয়া ভক্তরা জানান, বিসর্জনের মধ্য দিয়ে এবারের দুর্গোৎসবের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে। দেবী দুর্গার কাছে তারা পরিবার-পরিজনের সুখ-শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধির পাশাপাশি দেশবাসীর কল্যাণ কামনা করেছেন। আগামী বছর আবারও উৎসবের আনন্দে দেবীকে বরণ করে নেওয়ার প্রত্যাশা তাদের।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি বাবু সংগীত কুমার পাল বলেন, প্রতিমা বিসর্জন নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সূরাইয়া মমতাজের তত্ত্বাবধানে পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি আরও বলেন, অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিকাশের মধ্য দিয়ে একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে উঠুক—এটাই তাদের প্রত্যাশা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতি নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করবে, শারদীয় দুর্গোৎসবের শিক্ষা হোক সেই মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ