নাবিল গ্রুপের ৯৮ কোটি টাকা জব্দের আদেশ

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নাবিল গ্রুপের ৭৩ হিসাবের ৯৮ কোটি টাকা জব্দের আদেশ দিয়েছেন মহামান্য আদালত। প্রতারণা ও ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণপূর্বক আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে নাবিল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ৭৩টি ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব ব্যাংক হিসাবে থাকা ৯৮ কোটি ৯৪ লাখ ১৭ হাজার ২৮০ টাকা ছাড়াও বিপুল পরিমাণের জমি জব্দ করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আক্তারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়। দুদকের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান এ আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, অনুসন্ধান পর্যায়ে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্তে তাদের নামে ও প্রতিষ্ঠানের নামে কিছু ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাওয়া গেছে। যেকোনো সময় এসব হিসাব থেকে উত্তোলনপূর্বক হস্তান্তর, রূপান্তর কিংবা স্থানান্তরিত হয়ে বিদেশে পাচার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই মানিলন্ডারিং অপরাধে অনুসন্ধানের শেষ পর্যন্ত এসব অর্থের কোনোরূপ হস্তান্তর, রূপান্তর বা স্থানান্তর বন্ধ করা প্রয়োজন। তাই এসব ব্যাংক হিসাবসমূহ অবিলম্বে জব্দ করা আবশ্যক।

দুদকের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান পৃথক আবেদনে নাবিল গ্রুপের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা বিপুল পরিমাণের জমি জব্দের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত হিসাব জব্দসহ জমি জব্দের আদেশ দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের চন্দগাঁওয়ে সিআইএমসি’র সামনে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের চন্দগাঁও এলাকায় অবস্থিত চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ (সিআইএমসি) ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং প্রবেশমুখের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) চন্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে এ সংক্রান্ত একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আবেদনে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের প্রবেশমুখে রাস্তার পাশে কবরস্থানের সামনে কিছু অবৈধ দোকানপাট ও অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এসব স্থাপনা বর্তমানে কিশোর গ্যাং, মাদকসেবী, বখাটে এবং ছিনতাইকারীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে। এর ফলে মেডিকেল, ডেন্টাল ও নার্সিং কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ নারী রোগী ও তাদের স্বজনরা প্রতিনিয়ত ইভটিজিং বা যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

সিআইএমসি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, রাতের বেলায় এই এলাকায় মাদক সেবন ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব অবৈধ স্থাপনা অপরাধীদের জমায়েত হওয়ার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা ওই এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য হুমকিস্বরূপ।

সিআইএমসি’র অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মুসলিম উদ্দিন (সবুজ) স্বাক্ষরিত এই আবেদনে উল্লেখ করেন, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ ও নার্সিং কলেজ নিয়ে গঠিত এই ক্যাম্পাসে প্রতিদিন প্রায় ১১০০ ছাত্র-ছাত্রী এবং ১০০০ জন শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মকর্তা যাতায়াত করেন

এছাড়া প্রতিদিন গড়ে ১২০০ জন রোগী ও তাদের স্বজন এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন।সকলের জন্য নিরাপদ পরিবেশ এবং নির্বিঘ্নে যাতায়াত নিশ্চিত করতে অবিলম্বে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য চন্দগাঁও থানা পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ভাঙ্গুড়ার খানমরিচ ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত আবুল কালাম আজাদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল-২০২৬ উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত এ কাউন্সিলে সভাপতি পদে সরাসরি ভোটগ্রহণের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্রে নেতাকর্মী ও কাউন্সিলরদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়।

নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, ছাতা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মোঃ আবুল কালাম আজাদ ২৫৫ ভোট পেয়ে সভাপতি পদে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের মোঃ শহিদুল ইসলাম শহিদ পান ১৯২ ভোট।
ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী করা মোঃ আতাউর রহমান খোকন ৩১৪ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাছ প্রতীকের মোঃ আতাউর রহমান আতা পান ১০৮ ভোট।দেওয়াল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী করা মোঃ আবু তাহের ১০৮ ভোট পেয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে বিজয়ী হন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দোয়াত কলম প্রতীকের মোহাম্মদ আলী খাঁন পান ৯৭ ভোট।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৪৫৯ জন ভোটারের মধ্যে ৪৫৩ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। অনুপস্থিত ছিলেন ৬ জন ভোটার এবং বাতিল হয় ৩টি ভোট। ভোট গণনা শেষে সর্বাধিক ভোট পাওয়ায় মোঃ আবুল কালাম আজাদ কে আনুষ্ঠানিকভাবে সভাপতি নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

ফলাফল ঘোষণার পরপরই নব-নির্বাচিত সভাপতি কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে সিক্ত করেন দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক এবং শুভানুধ্যায়ীরা। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

নব-নির্বাচিত সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ সকল কাউন্সিলর, নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, দলকে আরও সুসংগঠিত, ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করতে তিনি সবার সহযোগিতা নিয়ে কাজ করবেন।

নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে খানমরিচ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলের কার্যক্রম নতুন গতি লাভ করবে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ