আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন,গ্রেফতার-১

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে পরকীয়া সন্দেহের জেরে এক বন্ধুর হাতে আরেক বন্ধু খুনের ঘটনা ঘটেছে। ইপিজেড থানার দক্ষিণ হালিশহর এলাকায় এ ঘটনায় জড়িত মো. সিজান (২৫) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক মো. সিজান (২৫) ইপিজেড থানার সিমেন্ট ক্রসিং এলাকার রানী ভবনের গলির টেন্ডলের বাড়ির মৃত আলমগীরের ছেলে। তিনি হোটেলে কারিগর হিসেবে কাজ করলেও সম্প্রতি বেকার ছিলেন। এছাড়া উদ্ধার করা হয়েছে হত্যার কাজে ব্যবহৃত একটি ছুরি। তবে খুনের পরিকল্পনাকারী সাইমন নামে একজন এখনো পলাতক আছে। মঙ্গলবার রাতে নগরের ইপিজেড থানার দক্ষিণ হালিশহর এলাকার সিডিএ বালুর মাঠে এ খুুনের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা তিনজনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ভিকটিম এবং আসামিরা একে অপরের বন্ধু। তাদের কারোরই নির্দিষ্ট কোনো পেশা ছিল না। নিহতের নাম মোহাম্মদ আইয়ুব নবী প্রকাশ সাগর (২৬)। তিনি একই থানাধীন আকমল আলী সড়কে ভাড়া বাসায় স্ত্রীসহ বসবাস করতেন। তার বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়ি গ্রামে।

পুলিশ জানায়, সাইমনের স্ত্রীর সাথে সাগরের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক আছে—দীর্ঘদিন ধরে এমন সন্দেহ করতেন তিনি। এই সন্দেহের বশবর্তী হয়ে সাগরকে খুনের পরিকল্পনা করে সম্প্রতি। পরিকল্পনা মোতাবেক সাগরকে সিডিএ বালুর মাঠ এলাকায় নিয়ে ছুরিকাঘাত করেন আটক সিজানসহ কয়েকজন। পরে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

নগর পুলিশের বন্দর জোনের সহকারী কমিশনার মাহমুদুল হাসান বলেন, এই হত্যাকাণ্ড সম্পূর্ণ ক্লুলেস ছিল। স্থানীয়দের খবর আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারি ভিকটিমকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সোর্স কাজে লাগিয়ে আমরা ভিকটিমের স্ত্রীর কাছে যাই এবং তার পরিচয় নিশ্চিত হই। ঘটনার তিন ঘণ্টার মধ্যেই আমরা সিজানকে আটক করি। ভিকটিমের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চারটি ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আমরা ছুরিটি জব্দ করেছি’

তিনি বলেন, সিজানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি সাইমনের স্ত্রীর সঙ্গে ভিকটিম সাগরের পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে—এমন সন্দেহের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। ভিকটিমের স্ত্রীকেও আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। তবে তিনি দাবি করেছেন, তার স্বামী পরকীয়ায় জড়িত নন। তবুও এটি আমরা তদন্ত করে দেখবো।

এক প্রশ্নের জবাবে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ভিকটিম এবং আসামি—কারোই নির্দিষ্ট পেশা ছিল না। এরা নেশার সাথেও জড়িত এবং এলাকায় আড্ডা দিতো ঘুরে ঘুরে। তবে তাদের সবার স্ত্রী পোশাক কারখানায় কাজ করে। সেই রোজগারেই তাদের সংসার চলতো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ