আজঃ মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬

নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাব এর দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত।

মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল নেত্রকোনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উৎসবমুখর পরিবেশে নেত্রকোণা জেলা প্রেস ক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দিনভর ভোট শেষে সন্ধ্যায় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার আমিনুল ইসলাম খান। কমিশনের ফলাফল অনুযায়ী, সহসভাপতি পদে জাহিদ হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ম. কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম

নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া যুগ্ম সম্পাদক পদে নাজমুশ শাহাদাৎ নাজু, তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক পদে মো. আনিসুর রহমান নির্বিাচিত হয়েছেন। সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন- খলিলুর রহমান শেখ ইকবাল, ভজন দাস, আবুল হোসেন তালুকদার ও শ্যামলেন্দু পাল। প্রেস ক্লাবের সংবিধান অনুযায়ী, মোট ১৯ সদস্যের কার্যকরী কমিটিতে জেলা প্রশাসক পদাধিকার বলে সভাপতি হন। সেখানে

সাংবাদিক ও সাংবাদিকতা পেশায় নেই এমন দুই ধরনের ভোটার তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করেন। সাংবাদিকদের মধ্যে কোষাধ্যক্ষ সুজাদুল ইসলাম ফারাস, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক জহিরুল ইসলাম খান কবীর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে হাফিজ উল্লাহ চৌধুরী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। এ ছাড়া সাংবাদিকতা পেশায় নেই এমন ব্যক্তিদের জন্য কমিটিতে ছয়টি পদ নির্ধারিত রয়েছে। তারা সবাই বিনা

প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন- সহসভাপতি নূরুজ্জামান নূরু, যুগ্ম সম্পাদক আ ফ ম রফিকুল ইসলাম খান আপেল, ক্রীড়া সম্পাদক খন্দকার আনিছুর রহমান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ওসমান গণি তালুকাদার এবং সদস্য পদে আব্দুর মান্নান তালুকদার ও আব্দুল ওয়াহেদ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা নাগাদ টানা ভোটগ্রহণ হয়েছে। ৬৫ জন ভোটারের মধ্যে ৬২ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের উখিয়ায় মিয়ানমার সীমান্তের কাছে মাইন বিস্ফোরণে মো. শাকের (২৫) আহত এক যুবককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে আহত অবস্থায় তাকে চমেক হাসপাতালে আনা হয়।মো. শাকের কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার কুতুপালং এলাকার আমির হোসেনের ছেলে।

হাসপাতালে আনয়নকারীর দেওয়া তথ্যমতে, মিয়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় কাজ করার সময় হঠাৎ মাইন বিস্ফোরণ হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক জানান, মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবককে হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ