মৌলভীবাজার জেলা জামায়াতের জামায়াতের ইফতার মাহফিল।

প্রেস রিলিজ

মানুষ হত্যা, জাতির সম্পদ লুটপাট করেও আ.লীগের মধ্যে কোন অনুভূতি নেই- এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, আমাদের সমাজে শিক্ষিত, ইউনিভার্সিটি ডিগ্রীধারী, কোর্ট প্যান্ট টাই পড়া লোকের অভাব নেই। কিন্তু সমাজে তো দুর্নীতি হচ্ছে, নৈরাজ্য হচ্ছে এখনও হচ্ছে, গত ১৫ বছরেও হয়েছে। আওয়ামীলীগের শাসনামলে রাষ্ট্র তার শক্তি নিয়ে জনগণের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। শুধু ফ্যাসিবাদ কায়েম হয় নাই! প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন গাজা বিধ্বস্ত করেছে ইসরায়েল আর শেখ হাসিনা আর তার সরকার আমাদের সকল

প্রতিষ্ঠানগুলোকে তছনছ করে দিয়েছে। মানুষ হিং¯্র হলে কতটুকু হতে পারে? শুধু হিজাব আর টুপি দাঁড়ি, ইসলামের কথা মুখে বলেছে। কিন্তু তাদের সমস্ত কার্যক্রম ছিল আল্লাহ তার রাসূল এবং দ্বীনের বিরুদ্ধে। যারা অসংখ্য আলেমকে শহীদ করেছে, হত্যা করেছে, অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছে, জাতির সম্পদ লুটপাট করেছে। এইগুলো নিয়ে এখনও তাদের মধ্যে সামান্যতম কোন অনুভূতি নেই। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) স্থানীয় একটি

কমিউনিটি সেন্টারে মৌলভীবাজার জেলা জামায়াতের ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
রমজানের তাৎপর্য নিয়ে তিনি বলেন, রমজান মাস শুধু তেলাওয়াতের জন্য নয়, হাফিজদের তেলাওয়াতের জন্য নয়, শুনার জন্য নয়, এটাকে সমাজে মানার জন্য। সমাজে কুরআনের শিক্ষা, আদর্শ, ম্যাসেজ, নির্দেশনা আমরা অনুসরণ করতাম তাহলে আমাদের ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রে কোন ধরণের বৈষম্য থাকতো না। আজকে এই সমাজ খুনী সমাজে পরিণত হতো না। আল্লাহর ভয় ছাড়া কখনোও মানুষ আল্লাহর দেওয়া হক আদায় করতে পারেনা। আমরা চাইলে আল্লাহকে মানতে পারি আবার নাও মানতে পারি। মানুষ আল্লাহর হুকুমের বাইরে চলতে পারে। এই কারণে মানুষ আস্তিক হয়, নাস্তিক হয়। আল্লাহ মানুষকে এই স্বাধীনতা দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, হাজার হাজার মানুষকে পঙ্গু ও ভয়ঙ্কর এবং নিষ্ঠুর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, অবিশ^াস্য হত্যাকাÐ ঘটানো হয়েছে গত সাড়ে ১৫ বছরে। জুলাই বিপ্লবে যেটা হয়েছে সেটা অকল্পণীয়। শত শত মানুষের লাশ, হেলিকপ্টার থেকে গুলি, সাউন্ড গ্রেনেড মারা, ¯œাইপার দিয়ে গুলি করা হয়েছে যা অকল্পনীয় দৃশ্য। এটা কি সম্ভব? দেশের জনগণের ট্যাক্সের টাকা, খাজনার টাকা, আপনার আমার দেওয়া টাকা দিয়ে পোষা বাহিনীকে খুনি বাহিনীতে পরিণত করা হয়েছে। নির্মম নিষ্ঠুরভাবে সেই কাজটি করা হয়েছে। এই বিপ্লবে আহতের সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজারের উপরে।

জেলা জামায়াতের আমীর ইঞ্জিনিয়ার শাহেদ আলীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি ইয়ামীর আলীর পরিচালনায় ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ও মৌলভীবাজার-৩ আসন থেকে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ আব্দুল মান্নান, সাবেক জেলা আমীর দেওয়ান সিরাজুল ইসলাম মতলিব, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও মৌলভীবাজার-১ আসন থেকে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম, সিলেট মহানগর জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি ও মৌলভীবাজার-৪

আসন থেকে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এডভোকেট আব্দুর রব, জেলা আইনজীবি সমিতির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মুজিবুর রহমান মুজিব, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুর রহমান, সহ-সেক্রেটারী মো: আলাউদ্দিন শাহ, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও সদর উপজেলা আমীর মো: ফখরুল ইসলাম, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম মৌলভীবাজারের ও হেফাজতে ইসলামের সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা জামিল আহমদ আনসারী, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সবুর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, সেক্রেটারি ডাঃ এবাদুর রহমান, যুব অধিকার পরিষদের জেলা সেক্রেটারী মো: তামিম হোসেন রুহিন, সহ সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম ও ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ হুসাইন আহমদ।

ইফতার মাহফিলে অর্থসহ কোরআন তেলাওয়াত জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও পৌর জামায়াতের আমীর আমির হাফেজ মাওলানা তাজুল ইসলাম। ইফতার মাহফিলে অর্থসহ কোরআন তেলাওয়াত জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও পৌর জামায়াতের আমীর আমির হাফেজ মাওলানা তাজুল ইসলাম।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক) ভূজপুর ইউনিয়ন সংসদের অভিষেক সম্পন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সত্যনিষ্ঠ আদর্শ মানব জীবন গঠনে গীতা শিক্ষার বিকল্প নেই। আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক)’র গীতা ও নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মন্দির ভিত্তিক বিবাহ, ধর্মান্তরন রোধ, বাল্য বিবাহ, অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের মোবাইল ব্যবহার ও অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পরছে কিনা সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে সকল অভিভাবকের দ্বায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

গত ৩১ জুলাই ২০২৬খ্রি. শুক্রবার ভূজপুর কেন্দ্রীয় সার্বজনীন শ্রীশ্রী হরি, দূর্গা, কালী ও গীতা মন্দিরে বাগীশিক ভূজপুর ইউনিয়ন সংসদের অভিষেক অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ বক্তব্যে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।
সংগঠনের সভাপতি অসিম মহাজন’র সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক রাজিব বনিক’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুভ উদ্ভোধন করেন শ্রী রনজিৎ পাল। মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে আশীর্বাণী প্রদান করেন শ্রীমৎ সিদ্ধ রসিক ব্রহ্মচারী ও শ্রীমৎ উজ্জ্বল ব্রহ্মচারী। প্রধান অতিথি ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক রাজীব বিশ্বাস। প্রধান বক্তা ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক লায়ন বাসু চৌধুরী। মহান অতিথি ছিলেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এইচ এম শাহজাহান চৌধুরী (শিপন) ৪নং ভূজপুর ইউনিয়ন পরিষদ। আলোকিত অতিথি ছিলেন এড. উত্তম কুমার মহাজন, আয়কর উপদেষ্টা টিটু কুমার দে, লিংকন চক্রবর্তী, রাসকিন চৌধুরী, প্রিয়াশীষ চক্রবর্তী।

শপথ বাক্য পাঠ করেন বাগীশিক ফটিকছড়ি উপজেলা সংসদের সভাপতি মাষ্টার মানস চক্রবর্তী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাষ্টার সন্তোষ কুমার শীল, রনজিৎ কুমার শীল, এড. জনি কান্তি দে, আদিত্য দাশ সৈকত, রাসেল দে, আকাশ চৌধুরী নান্টু, বিজয় মজুমদার, সুভাষ দেব, মাষ্টার দেবাশীষ দেব। বক্তব্য রাখেন টিটু মহাজন, প্রবীর আচার্য্য, সুজন কান্তি দে, ছোটন শীল, রুপসী বনিক অন্তরা, মুন্নী দেবী প্রমূখ। এতে আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন সংসদ, ভূজপুর পূজা উদযাপন পরিষদ, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ’র নেতৃবৃন্দ।

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত ফটিকছড়ি খ জোনের সাংগঠনিক সংলাপ অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দীয় পর্ষদ ঘোষিত সাংগঠনিক সংলাপের অংশ হিসাবে ফটিকছড়ি উপজেলা (খ) জোনের আওতাধীন শাখা কমিটি সমূহের সাথে বারৈয়ারহাটস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে গত ৩১ জুলাই ২০২৬খ্রি. শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়। (খ) জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাহাবুবুল আলম সওদাগর এর সভাপতিত্বে মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ’র পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দীয় পর্ষদ এর সভাপতি রেজাউল আলী জসিম চৌধুরী।

এতে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি সৈয়দ ফরিদ উদ্দীন, সাধারন সম্পাদক দিদারুল আলম, কেন্দীয় সদস্য শেখ মজিবুর রহমান, শাহেদ আলী চৌধুরী, সামসুল আলম, কাজী নেজামুল ইসলাম, এস,এম,মোরশেদুল আমিন, জয়নাল আবেদীন জুলু, কাজী হারেছ, আবুল হাসেম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন (খ) জোনের সমন্বয়কারী আহমদ হোসেন। আরো উপস্থিত ছিলেন মাস্টার নাসির উদ্দীন, আখতারুজ্জামান বাবর, মাস্টার আজিম উদ্দীন, আলমগীর আলম, মাস্টার দিদারুল আলম, আলাউদ্দিন, নুরুল হুদা প্রমূখ।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ