আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

রাজশাহীর বেলপুকুরে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার।

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীর বাঘায় দায়ের করা ধর্ষন মামলার একটিতে তুষার হোসেন (২২) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৫। তুষার হোসেন উপজেলার হাবাসপুর গ্রামের মুক্তার হোসেনের ছেলে। বেলপুকুর এলাকা তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পালিয়ে বেড়াচ্ছে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার আসামী জয় হোসেন(১৮)। সে বাঘা পৌরসভার চকছাতারি গ্রামের হানিফ মিস্ত্রির ছেলে।

জানা যায়,গত বুধবার (১৯ মার্চ’২৫) দুপুরে চকছাতারি গ্রামের জয় হোসেন নিজ গ্রামের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে টাকার লোভ দেখিয়ে তার বাবার নির্মাণাধীন ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় শিক্ষার্থীর মা তার নির্মাণাধীন অসমাপ্ত বাড়িতে যাওয়ার পর জয় হোসেন পালিয়ে যায়।

ওইদিন রাতে জয় হোসেনকে আসামী করে বাঘা থানায় মামলা দায়ের করেন শিক্ষীর্থীর মা নার্গিস বেগম। পুলিশ শিক্ষার্থীর শারিরিক পরীক্ষাসহ চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-ষ্টপ ক্রাইসিস সেন্টার-এ (ওসিসি) ভর্তি করে। বর্তমানে আইইিউতে ভর্তির কথা জানিয়েছেন শিক্ষার্থীর পিতা মাজেদুল ইসলাম। তার মা সেখানে রয়েছেন।

সরেজমিন শিক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়ে তার নানিকে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে বাড়িতে আসেন শিক্ষার্থীর পিতা। তিনি জানান, বর্তমানে বসবাস করা জায়গাটি তার নিজস্ব নয়। খুব কষ্ট করে গ্রামেই ১কাঠা জমি কিনে সবেমাত্র থাকার জন্য ঘর শুরু করেছেন। ফাঁকা সেই ঘরে নিয়ে গিয়ে তার শিশু কণ্যাকে ধর্ষণ করেছে। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, কিছুটা ফাঁকা জায়গায় করা ঘরটির উপরে টিন সেট, চারিদিকে টিনের বেড়া। এখানো দরজা লাগানো হয়নি। ঘরের ভেতরে মেঝে করার জন্য মাটি ফেলে রাখা হয়েছে। চারিদিকে ফাঁকা।
কিছুটা দুরে ধর্ষণ মামলার আসামী জয় হোসেনের আধাপাঁকা বাড়ি। সেখানে গিয়ে দেখা যায় ভেতর থেকে গেট লাগানো। জয়ের দাদি ফরিদা জানালেন,মামলার পর থেকে জয় হোসেন বাড়িতে থাকছেনা। একদিন আগে তার মা বাবাও কোথাও যেন গিয়েছে।

এদিকে, গৃহবধুকে ধর্ষনের অভিযোগে আরেকটি মামলা হয়েছে। গৃহবধু বাদি হয়ে ঘটনার দুইদিন পর গত রোববার(১৬ মার্চ’২৫) হাবাসপুর গ্রামের তুষার হোসেনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেছেন। এ মামলায় তুষার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গৃহবধুর স্বামী সুজন আলী জানান, কাজের সুবাদে নিজ জেলার বাইরে শরিয়তপুর ছিলেন। তার মা ছাগল নিয়ে মাঠে ছিলেন। বাড়িতে একা ছিল তার স্ত্রী। এই সুযোগে বাড়িতে প্রবেশ করে ভয় ভীতি দেখায়ে ধর্ষণ করে গ্রামের প্রতিবেশি তুষার হোসেন। শুক্রবার (১৪ মার্চ’২৫) ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে স্ত্রীর কাছ থেকে বিষয়টি জেনেছেন। বর্তমানে তার স্ত্রী বাবার বাড়ি রুপপুর-হরিরামপুর আছে। ৯ মাস আগে বিয়ে করেছেন বলে জানান সুজন আলী।

বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ.ফ.ম আছাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলায় পলাতক আসামী জয় হোসেনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ