আজঃ সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

রাজশাহীতে চাল মিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ।

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীতে ৯১৩ চালের মিল মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেছেন খাদ্য বিভাগ। আঞ্চলিক খাদ্য বিভাগ থেকে চাল সংগ্রহ শেষে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে এ সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। রাজশাহী খাদ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী উপ-পরিচালক ওমর ফারুক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

খাদ্য অফিসের তথ্যমতে, রাজশাহী বিভাগে আমন সংগ্রহ ২০২৪-২০২৫ মৌসুমে সিদ্ধ চালের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক লাখ ১১ হাজার ২৬৩ মেট্রিক টন। তবে সংগ্রহ হয়েছে ৯৪ হাজার ৭০৭ দশমিক শূন্য ৯০ মেট্রিক টন। আতপ চালের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২১ হাজার ৮৯১ মেট্রিক টন। সংগ্রহ হয়েছে ১৯ হাজার ৫২৯ মেট্রিক টন।

খাদ্য বিভাগের সুপারিশ দেখা গেছে, বিভাগে চাল না দেওয়া ও চাল সংগ্রহে চুক্তি না করায় ৯১৩ মিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হয়েছে। এদের মধ্যে চুক্তি যোগ্য ছিল কিন্তু চুক্তি করেনি এমন মিলের সংখ্যা ৭৫১টি। এরমধ্যে আটো রাইসমিল ৪৫ ও হাস্কিং মিল ৭০৬টি। এছাড়াও চুক্তি করে চালা দেয়নি এমন মিলের সংখ্যা ১৬২টি। এদের মধ্যে ৮০ ভাগ চাল দিয়েছে এমন মিলের সংখ্যা ৩০টি। ৫০ ভাগ চাল দিয়েছে এমন মিলের সংখ্যা ৭১টি। চুক্তিবদ্ধ হয়েও কোনো চাল দেয়নি এমন মিলের সংখ্যা ৬১টি।

৬১ মিল কোনো চালই প্রদান করেনি। এমন মিল রাজশাহী জেলায় একটি একটি, নওগাঁয় আটটি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ তিনটি, পাবনায় ১১টি, বগুড়ায় ৩৪টি ও জয়পুরহাটে তিনটি। আর আতপ চালে দেয়নি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার একটি মিল।

খাদ্য অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ে সহকারী উপ-পরিচালক ওমর ফারুক বলেন, বিভাগের যেসব মিল চাল দেয়নি বা চুক্তিযোগ্য ছিল কিন্তু চুক্তি করেনি এমন মিল সংখ্যার একটি তালিকা আমরা করেছি। রাজশাহী বিভাগের ৯১৩টি মিলে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ আমরা মন্ত্রণালয়ে করেছি। তাদের বিরুদ্ধে এখন মন্ত্রণালয় কী ব্যবস্থা নিবেন সেটি তারা ঠিক করবেন।

তিনি আরও বলেন, এবার যারা ৫০ শতাংশ চাল দিয়েছে ও ৮০ শতাংশ চাল দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে জামানত করা অর্থের টাকা থেকে টাকা জরিমানা করার সুপারিশ করেছি। পাশাপাশি যারা কোনো ধরনের চালই দেননি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছি। এখন মন্ত্রণালয় তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিবে সেটি দেখার বিষয়। তবে যে ব্যবস্থা নিবেন আমরা সেটি বাস্তবায়ন করবো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভোট চুরি করতে আসলে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে হবে সারজিস আলম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এবার যে ভোট চুরি করতে আসবে, তাকে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন বলে মন্তব্য করেছেন পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের এনসিপি দলের প্রার্থী সারজিস আলম। পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী শেষ জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন-রক্ত দিয়ে দিবেন, জীবন দিয়ে দিবেন, একটা ভোট চুরি করতে দিবেন না। যে ভোট চুরি করার আশায় আসবে তার একমাত্র ঠিকানা হবে হাসপাতাল। তাকে বাড়ি থেকে শেষ বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন। আমরা স্পষ্ট করে নির্বাচন কমিশনসহ সবাইকে বলতে চাই, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা বিন্দুমাত্র কোনো ধরনের নীল নকশা কেউ যদি বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে, সর্বশেষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিণতি যেন তারা মনে রাখে। তার গলায় জুতার মালা ছিল, আপনার গলায় কোন মালা থাকবে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। ১২ তারিখের লড়াই আমাদের মুক্তির লড়াই। ১২ তারিখের লড়াই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াই। আমরা জীবন দিয়ে, রক্ত দিয়ে এ লড়াইয়ে বিজয়ী হবো।

পাবনা-০৩ আসনে জামায়াতের এমপি পদপ্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে পাবনা-০৩ (চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া,ফরিদপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা আলী আছগার তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মাওলানা মহি উদ্দিন সাহেব আমীরে জামায়াতে ইসলামী ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখা।

“চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ” শিরোনামে ঘোষিত এ ইশতেহারে-শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, নারী ও শিশু কল্যাণ, সামাজিক নিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইশতেহারে বলা হয়, নির্বাচিত হলে চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া,ফরিদপুর এই তিন উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। শিক্ষা খাতে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো আধুনিকায়ন, চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়।
কৃষি খাতে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণ, সার-বীজ সহজলভ্য করা এবং সরকারি উদ্যোগে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি নদীভাঙন রোধ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ইশতেহারে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় পর্যায়ে শিল্প স্থাপন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।

এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা আলী আছগার বলেন, ৭০,পাবনা-০৩ এলাকায় “আমি নির্বাচিত হলে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে তিন এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করব ইনশাল্লাহ।একটি ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতেই আমার এই অঙ্গীকার।”তিনি উন্নয়ন ও সুশাসন বাস্তবায়নে এলাকাবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করেন।

আলোচিত খবর

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় যান।এ সময় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে জামায়াত আমিরের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসায় পৌঁছান তিনি। এ সময় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।বাসায় জামায়াতের নায়েবে আমির ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উপস্থিত রয়েছেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ