আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

চট্টগ্রামে ঈদ পোশাক পেল সুবিধাবঞ্চিত দুইশত শিশু

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে আশ্রয় পাওয়া সমাজের এক সময়কার সুবিধাবঞ্চিত, বিপন্ন, ঝুঁকিতে থাকা, পথ শিশুদের নিয়ে কেন্দ্রের উদ্যোগে ঈদ উৎসবের পোশাক ও প্রসাধনী সামগ্রী বিতরণ, দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। বাদ আসর কেন্দ্র মিলনায়তনে উৎসবমুখর পরিবেশে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো.ফরিদুল আলম এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. জসীম উদ্দিন, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলমগীর, ব্যবসায়ী মো. আইয়ুব, ফরহাদাবাদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ সরোয়ার উদ্দীন ও নাজিরহাট জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মাওলানা আজিজুর রহমান।
কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতারের সভাপতিত্বে এবং ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর গমন কান্তি দে এর সঞ্চালনায় শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করে কেন্দ্রের বালক নিবাসী শিশু মো. ইমাম। অতঃপর কেন্দ্রের নিবাসী মো.তামিম উদ্দিন জিসান ও মালেসিয়াম বম এর কণ্ঠে ধ্বনিত হয় ইসলামী সংগীত। এছাড়াও নিবাসী শিশু উর্মি আক্তার ও তার দলের পরিবেশনায় ইসলামী নাশিদ এবং চট্টগ্রাম সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের বালক ও বালিকা নিবাসী শিশুদের যৌথ পরিবেশনায় ইসলামী নাটিকা ‘রাইকার অপহরণ’ পরিবেশিত হয়।
এরপরেই পবিত্র মাহে রমজান মাসের গুরুত্ব এবং আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের তাৎপর্য সম্পর্কে আলোচনা করেন প্রধান অতিথিসহ বক্তাবৃন্দ। অতঃপর কেরাত ও হামদ/নাত/ইসলাম সংগীত প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। এছাড়াও কেন্দ্রের শিশুদের মাঝে পবিত্র ঈদুল ফিতর উৎসবের উপহার হিসেবে
সুবিধাবঞ্চিত দুইশত শিশুকে নতুন পোশাক, প্রসাধনী সামগ্রী, মেহেদী, আতর ও টুপি বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষভাগে সহকারী শিক্ষক মাওলানা আজিজুর রহমানের পরিচালনায় দোয়া মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও নিবাসী শিশুদের মাঝে উন্নতমানের নৈশভোজ পরিবেশন করা হয়। কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতার বলেন, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে কেন্দ্রে আশ্রয় পাওয়া সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে এক ঝলক হাসির বিচ্ছুরণ ঘটাতেই আমাদের এই ছোট্ট প্রয়াস। তিনি বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত সমন্বিত পুনর্বাসন কেন্দ্রে আশ্রয় পাওয়া সমাজের সুবিধাবঞ্চিত, ঝুঁকিতে থাকা, বিপন্ন, পথ শিশুদের মূল স্রোতধারায় ফিরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে সমন্বিত সেবা কার্যক্রম এর মাধ্যমে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে কেন্দ্রটি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুষ্টিয়ায় রাসেল ভাইপারের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার চরে রাসেল ভাইপার সাপের কামড়ে রবিউল ইসলাম (৩৬) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।বুধবার রাতে পদ্মার চর থেকে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। নিহত রবিউল ইসলাম দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ মন্ডলপাড়া গ্রামের জামাল মালিথার ছেলে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ১০ টার দিকে রবিউল ইসলাম পদ্মার চরে নিজ ক্ষেতে কাজে যায়।এ সময় একটি বিষাক্ত সাপ তাকে কামড় দিলে ঘটনাস্থলেই কৃষক রবিউল ইসলামের মৃত্যু হয়। দিন শেষে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

পরে রাত ৯টার দিকে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা পদ্মার চরের নিজ ক্ষেতে কৃষক রবিউল ইসলামকে পড়ে থাকতে দেখে তাকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রবিউল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহতের মুখের লালা ও শরীরের অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছিল রাসেল ভাইপার সাপের কামড়েই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে সাপটি রাসেল ভাইপার কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল ইসলাম তুহিন জানান, বুধবার রাত ৯টার দিকে রবিউল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়।
প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় সাপের কামড়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে দেরিতে হাসপাতালে আনার কারণে এটি রাসেল ভাইপারের কামড় ছিল কিনা তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে দক্ষিণ ফিলিপনগর মন্ডলপাড়া নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে কৃষক রবিউলের দাফন সম্পন্ন করা হয়।

দুবাইয়ে বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতা প্রকৌশলী আবু জাফর চৌধুরীর ইন্তেকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


বাংলাদেশ সমিতি আবুধাবির সাবেক সভাপতি, আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক, চট্টগ্রাম বাঁশখালী উপজেলাধীন এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন প্রকৌশলী আবু জাফর চৌধুরী (৭৫) আর নেই। রোববার সন্ধ্যা ৮টার দিকে শারজাহ্ একটি বেসরকারি হাসপাতালে (মেডকেয়ার) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।প্রকৌশলী আবু জাফর চৌধুরী দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তার নেতৃত্বগুণ, আন্তরিকতা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি কমিউনিটির সব স্তরের মানুষের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও প্রিয় ছিলেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার বড় ছেলে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত এবং ছোট ছেলে শারজাহ্ তে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। গতকাল ১৫ ০৪ ২০২৬ ইং বুধবার মরহুম প্রকৌশলী ইন্জিনিয়ার আবু জাফর চৌধুরী সি আই পি জায়নাজার নামাজ স্থান সময় বাদে আসর নামাজের পরপরই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ রোড সংলগ্ন এডনক পেট্রল স্টেশনের পাশের মসজিদ।

তার মৃত্যুতে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও কমিউনিটির সদস্যরা শোক প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।
মরহুমের জন্য দোয়া করা হচ্ছে- মহান আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করা জন্য সবাই দোয়া করেন।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ