আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী চট্টগ্রাম ও পার্বত্য রেঞ্জ কর্তৃক মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৫ যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে উদযাপন করেছে। মহান স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব অনুসারে এ দিবসটি যথাযোগ্যভাবে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী সদরদপ্তরের নির্দেশনা এবং চট্টগ্রাম ও পার্বত্য রেঞ্জেরউপমহাপরিচালক ড. মোঃ সাইফুর রহমান, বিভিএম (বার), পিএএমএস এর সার্বিক তত্বাবধানে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য রেঞ্জাধীন সকল আনসার ব্যাটালিয়ন, জেলা ও জোন কার্যালয় সমূহে আলোকসজ্জা, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসে প্রতীকী ব্ল্যাক-আউট, স্বাধীনতা দিবস, স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পন, স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মউৎসর্গকারী সকল বীর শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

প্রথম পর্বের এ কর্মসূচীতে ২৫ মার্চ/২০২৫ বাদ যোহর মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল শহীদগণের আত্মার শান্তি কামনা এবং বাহিনীর উত্তরোত্তর অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের ব্যবস্থা করা হয়। এতে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী স্বত:ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এ দিন রাত ১০:৩০ টা হতে ১০:৩১ মিনিট পর্যন্ত এক মিনিটের জন্য প্রতীকী ব্ল্যাক-আউট কর্মসূচি পালন করা হয়।
২৬ মার্চ ২০২৫ ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পাহাড়তলী থানার উত্তর কাট্টলীতে মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে জেলা প্রশাসন,চট্টগ্রাম নির্মিত স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পন করে বীর শহিীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। উক্ত কর্মসূচীতে চট্টগ্রাম ও পার্বত্যরেঞ্জের রেঞ্জ কমান্ডার উপমহাপরিচালক ড. মোঃ সাইফুর রহমান, বিভিএম (বার), পিএএমএস পরিচালক জনাব মোঃ জিয়াউর রহমান (অতিঃ দাঃ উত্তর জোন অধিনায়ক (সিএমএ), চট্টগ্রাম আনসার ব্যাটালিয়নের(৩১ এবিএন) পরিচালক জনাব মুনমুন সুলতানা, জেলা কমান্ড্যান্ট, চট্টগ্রাম জনাব মোঃ আবু সোলায়মান,উপপরিচালক জনাব খোন্দকার মাহফুজ (জোরারগঞ্জ আনসার

ব্যাটালিয়ন), সিনিয়র সহকারী পরিচালক জনাব ফরিদা পারভীন সুলতানা (চট্টগ্রাম জেলা), সিনিয়র সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ হুমায়ুন কবির (চট্টগ্রাম ও পার্বত্য রেঞ্জ), সহাকারী পরিচালক জনাব মোঃ শাহীন ভুইয়া, ঘাগড়া আনসারব্যাটালিয়ন এবং জেলা ও জোনের কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসন চট্টগ্রাম কর্তৃক এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে আয়োজিত প্যারেড, বর্ণাঢ্য রেলী ও মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। প্যারেডে অন্যান্য বাহিনীর ন্যায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর আনসারব্যাটালিয়ন, অঙ্গীভূত আনসার এবং গ্রাম প্রতিরক্ষা দলসহ ০৩টি কন্টিনজেন্ট অংশগ্রহণ করে।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার প্রদত্ত বাণী উপস্থিত সকল সদস্যদেরকে ইফতার শেষে সমবেত সকলকে পাঠ করে শোনানো হয়। এর আগে বাদ আসর মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং দেশ ও জাতীর মঙ্গল কামনা করে বাহিনীর উত্তরোত্তর কামনা করে বিশেষ দোয়ার অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন :যোগ জীবনের প্রতিটি দিককে সমৃদ্ধ করে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের উদ্যোগে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন করা হয়েছে। রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় নেভি কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রামের যোগব্যায়াম উৎসাহীদের সাথে এ দিবস উদযাপন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ( চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। অনুষ্ঠানে ৮০০ অধিক জনসমাগম হয়।যেখানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের সুধীজনরা অংশগ্রহণ করেন। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন যোগ অনুশীলন পরিচালনা করেন।

সহকারী হাইকমিশনার শ্রী হারীশ কুমার তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, যোগ একটি প্রাচীন অনুশীলন, যার অর্থ হলো ‘যুক্ত হওয়া’ বা ‘একত্রিত হওয়া’। এটি দেহ, মন এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এবং মানুষের সামগ্রিক সুস্থতা অর্জনে সহায়তা করে।
প্রায় ৫ হাজার বছর আগে ভারতীয় উপমহাদেশে এর উৎপত্তি হলেও যোগ কেবল শারীরিক ব্যায়াম বা বিভিন্ন ভঙ্গির অনুশীলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনধারা, যা শারীরিক প্রাণশক্তি, মানসিক স্বচ্ছতা এবং আধ্যাত্মিক প্রশান্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রতি বছর ২১ জুন বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপিত হয়। ভারতের উদ্যোগে ইউনাইটেড নেশনস ২০১৪ সালে এই দিবসকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগ’, যা বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সুস্বাস্থ্য, নমনীয়তা, মানসিক স্থিতি এবং জীবনীশক্তি বজায় রাখতে যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে। নিয়মিত যোগাভ্যাস মানসিক চাপ কমায়, শরীরকে সক্রিয় রাখে এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করে। তাই একটি সুস্থ, সুখী ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন গঠনে যোগকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, যোগ আমাদের সকলকে সংযুক্ত করে ও একত্রিত করে। যখন যোগ জীবনযাত্রার অংশ হয়ে ওঠে, তখন তা মানব ঐক্যের ভিত্তি স্থাপন করে। যোগ আমাদের ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপনের শিল্প শেখায় এবং মানসিক সুস্থতা থেকে শারীরিক সুস্থতার পথ দেখায়। এটি আমাদের শরীরকে নমনীয় হতে সাহায্য করে এবং আমাদের শক্তির মাত্রা উচ্চ রাখে। শারীরিক সুস্থতা থেকে শুরু করে মনের শান্তি পর্যন্ত, যোগ জীবনের প্রতিটি দিককে সমৃদ্ধ করে।

পূর্বধলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শিক্ষক জাহাঙ্গীর স্যারকে বিদায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক সৈয়দ মেহেদী হাসান (জাহাঙ্গীর) স্যারকে এক বর্ণাঢ্য ও আবেগঘন আয়োজনের মধ্য দিয়ে অবসরোত্তর বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২১ জুন,) সকালে বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত থেকে তার দীর্ঘ ২৭ বছরের কর্মজীবনের স্মৃতি ও অবদানের কথা স্মরণ করেন। স্মৃতিচারণ ও বক্তব্য পর্বে এক হৃদয়স্পর্শী পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

​কর্মময় জীবনের সংক্ষিপ্ত রূপরেখা ​বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সৈয়দ মেহেদী হাসান ১৯৯৯ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গত ৩০ মে ছিল তার শেষ কর্মদিবস এবং ৩১ মে থেকে তিনি অবসরোত্তর ছুটিতে যান। তবে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় আজ ২১ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

​অতিথিবৃন্দের স্মৃতিচারণ ​বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরে আলম ছিদ্দিকী মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রধান শিক্ষক শুধাংশু শেখর তালুকদার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী শিক্ষক মেহেদী হাসান খান সেলিম।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

​সাবেক প্রধান শিক্ষক বাবুল চন্দ্র সরকার ​সাবেক সহকারী শিক্ষক এস এম এনামুল করীম ​সাবেক সহকারী শিক্ষক প্রাণেশ চন্দ্র দাস ​সাবেক সহকারী শিক্ষক শহিদুল ইসলাম ​সাবেক সহকারী শিক্ষিকা জাহানারা বেগম​এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পূর্বধলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ও বিদায়ী শিক্ষকের সহধর্মিণী সুরাইয়া আক্তারসহ বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীরা।

​বক্তারা বলেন: “জাহাঙ্গীর স্যার শুধু একজন শিক্ষকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণার বাতিঘর। তার নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও অসাধারণ নেতৃত্বগুণ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া ও স্কাউটিং কার্যক্রমকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শুধাংশু শেখর তালুকদার বলেন, “খেলোয়াড়ি জীবনে জাহাঙ্গীর স্যার একজন সফল গোলরক্ষক হিসেবে স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত সুনাম অর্জন করেছিলেন। শিক্ষকতা জীবনেও তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলাধুলায় জাতীয় পর্যায়ের সাফল্য এনে দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের স্কাউট দল দেশ-বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে।

​সভাপতির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরে আলম ছিদ্দিকী মামুন বলেন, “তার অবসর আমাদের জন্য এক বিশাল শূন্যতা তৈরি করবে। বিদ্যালয়ের ক্রীড়া ও স্কাউটিংয়ে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
​বিদায়ী শিক্ষকের আবেগঘন বক্তব্য

বিদায়ী বক্তব্যে আবেগাপ্লুত হয়ে সৈয়দ মেহেদী হাসান (জাহাঙ্গীর) স্যার বলেন, “এই বিদ্যালয় শুধু আমার কর্মস্থল নয়, এটি আমার দ্বিতীয় পরিবার। জীবনের ২৭টি বছর এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাটিয়েছি। সবসময় শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছি। অবসরে গেলেও এই বিদ্যালয় ও এর স্মৃতি চিরদিন আমার হৃদয়ে থাকবে।”
​শেষ পর্ব: সম্মাননা ও শ্রদ্ধা

অনুষ্ঠানের শেষাংশে জাহাঙ্গীর স্যারের হাতে বিদ্যালয় পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক ও বিভিন্ন উপহার তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত সবাই তার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং একটি সুখী ও শান্তিময় অবসর জীবনের জন্য আন্তরিক প্রার্থনা ও শুভকামনা জানান।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ