আজঃ সোমবার ৯ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে ২৬ মার্চ বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অন্তবর্তী কমিটির সদস্য সচিব দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান মোহাম্মদ শাহনওয়াজ।চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অন্তবর্তী কমিটির অন্যতম সদস্য গ্লোবাল টেলিভিষনের ব্যুরো প্রধান গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম

প্রেসক্লাব শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়ক ওয়াল্ড প্রেস কাউন্সিলের সাবেক নির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক গ্রন্থাগার সম্পাদক ও বর্তমানশৃঙ্খলা ও ব্যবস্থপনা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম,দৈনিক আজাদীর সাবেক বার্তা সম্পাদক এ কেএম জহুরুল ইসলাম।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের অন্তবর্তী কমিটির সদস্য সচিব সভাপতির বক্তব্যে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার ইতিহাসকে যতই বিকৃতি করুক নাকেন শহীদ জিয়াকে গণমানুষের হৃদয় থেকে মুছতে পারবে না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার জানাযায় চট্টগ্রাম ও ঢাকায় লক্ষ লক্ষ মানুষের ঢলপ্রমাণ করে জিয়া কত জনপ্রিয় ছিলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়েনের সভাপতি ও বাংলাদেশ সংবাদসংস্থা (বাসস) চট্টগ্রামের ব্যুরো প্রধান মোহাম্মদ শাহনওয়াজ বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সূর্যসন্তান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কে নিয়ে ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকার ইতিহাসের বিকৃতি ঘটিয়ে যে নোংরা খেলায় মেতে উঠেছিল স্বাধীনতা যুদ্ধেরনায়কদের নিয়ে এ ধরনের নোংরামী রনজির পৃথিবীর কোথাও খুঁজে পাওয়াযা বেনা।তাদের এতহীন প্রচেষ্টার পরও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াকে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলতে পারেনি।দেশে যার যেম তাদর্শথাকুকনা কেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অখন্ডতার সাথে কোন আপোষ করা যাবে না।

বীর মুক্তি যোদ্ধা মইনুদ্দিন কাদেরী শওকত বলেন, ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে পেশা জীবিদের মধ্যে সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। সাংবাদিক রাযূগপৎ ভাবে মুক্তি যুদ্ধের সময় সশস্ত্র ও কলম যুদ্ধ করেছেন। রণাঙ্গনে অনেক সাংবাদিক পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছেন। অনেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টিতে আলোক উজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছেন।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, দৈনিক দিনকালের ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, নিউজ গাডেন সম্পাদক কামরুল হুদা, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সদস্য সাংবাদিক ওয়াহিদ জামান, দৈনিক মানবকন্ঠের সাবেক ব্যুরো প্রধান মোহাম্মদ আলী, বিজনেস বাংলাদেশের ব্যুরো প্রধান জাহাঙ্গীর আলম, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এর সিনিয়র রিপোর্টার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ঢাকা ট্রিবিউনের রিপোর্টার নাসিরুদ্দীন রকি, দৈনিক পূর্বদেশের ক্যামেরা পার্সন জাহেদুল তালুকদার।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

চট্টগ্রামে নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের আত্মহত্যা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবকের আত্মহনন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাসাত্মক গল্প ভাইরাল হয়েছে। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে, স্ত্রীকে দামি জুতা কিনে দিতে না পারার হতাশা থেকে ওই যুবক গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে গিয়ে তার স্বজন এবং পুলিশের সঙ্গে কথা জানা গেছে ভিন্ন কথা।

শুক্রবার দুপুরে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ১টার দিকে কামাল উদ্দিন (৪০) নামের এক যুবক নিউমার্কেটের সামনে আনারসের দোকান থেকে ছুরি নিয়ে নিজে গলায় চালিয়ে দেয়।রক্তাক্ত অবস্থায় আমাদের টহলটিম স্থানীদের সহযোগিতা চমেক হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচারে রক্ত প্রয়োজন হলে আমাদের সহকারী পুলিশ সুপার নুরে আলম মাহমুদ স্যার রক্ত প্রদান করেন। কিন্তু রাতেই কামাল মারা যান।নিহত কামাল উদ্দিনের বাড়ি ময়মনসিংহে, তিনি চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।

তিনি বলেন, ওই যুবকের স্ত্রী ইপিজেডে চাকরি করেন। ঘটনার সময় স্ত্রী কামালের সঙ্গেই ছিলেন না। এস এম রিদুয়ান নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রাতে আনারসের দোকান থেকে কামাল যখন ছুরি নিয়ে নিজের গলায় চালান তখন তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পুলিশকে জানানো থেকে শুরু করে কামালের চিকিৎসা পর্যন্ত তিনি সঙ্গে ছিলেন।কামালের সঙ্গে কোনো নারী ছিল না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া গল্পটি মিথ্যা।

কামালের স্ত্রী তসলিমা আক্তার জানান, রাত ৮টার দিকে কামাল তার ভাগিনার কাছ থেকে হাত খরচের কিছু টাকা চায়। ভাগিনা তার মামাকে টাকা দিলে টাকা নিয়ে কামাল উধাও হয়ে যান। তাকে পতেঙ্গা এলাকায় আর দেখা যায়নি।ভোরে ফোন পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে এসে কামালকে মৃত দেখতে পান।
কামালের ভাগিনা সামাদ বলেন, আমার মামা পেশায় রাজমিস্ত্রির হেল্পার হিসেবে কাজ করতেন। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। মামা যখন আমার থেকে টাকা নিয়ে আসেন তখন মামি কারখানায় চাকরিতে ছিলেন। ঘটনার সঙ্গে মামির কোনো সম্পর্ক নেই। মামার চিকিৎসার জন্য আমরা অনেক চেষ্টা করেছি। কিছুদিন ভালো থাকেন, তারপর আবার সমস্যা শুরু হয়।

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ