আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ইউনাইটেড কেমিক্যালে দুর্ধর্ষ চুরি আশেপাশে মাদসেবীদের আড্ডা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানার মোহরা ভারি শিল্প এলাকায় পূর্বকোণ গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড কেমিক্যালস এন্ড ফার্মাসিউটিক্যালস কারখানায় দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনার দুইদিন পেরিয়ে গেলেও চোরের দলের কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ নিয়ে ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

গত সোমবার রাতে ইউনাইটেড কেমিক্যালস এন্ড ফার্মাসিউটিক্যালস কারখানার জেনারেটর রুমের শার্টারের তালা কেটে বিদ্যুতের মূল্যবান তার কেটে নিয়ে যায় চোরের দল। যার মূল্য কয়েক লাখ টাকা। এই ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার কারখানার সুপারভাইজার তৌহিদুল আলম বাদী হয়ে চান্দগাঁও থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

তবে চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব আহমেদ জানিয়েছেন, চুরির ঘটনায় জড়িতদের ধরতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। দ্রুত চোরের দলকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি চোরাই বৈদ্যুতিক তার উদ্ধারে থানা পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কারখানার পূর্বদিকে সিটি কর্পোরেশনের জায়গায় নালার উপর সীমানা দেয়াল ঘেঁষে অবৈধভাবে গড়ে তোলা ভাসমান দোকানের ছাদ থেকে চোরেরা দেয়াল ডিঙিয়ে ভেতরে ঢুকেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। টপকানোর সময় তারা দেয়ালের উপর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা (কাঁটা তার) নষ্ট করে ফেলে। এরপর জেনারেটর কক্ষের মূল্যবান তার কেটে নিয়ে যায়।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, সন্ধ্যা হলেই ভাসমান দোকানগুলোতে বসে মাদকের আসর। আনাগোনা বেড়ে যায় মাদকসেবীদের। মাদকের টাকা জোগাড় করতে উঠতি বয়সী তরুণ- যুবকরা চুরি-ছিনতাই করে বেড়ায়। টহল পুলিশ এসব দেখেও রহস্যজনকভাবে নীরব ভূমিকা পালন করছে।

ইউনাইটেড কেমিক্যালস এন্ড ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রকৌশলী কল্যাণ বড়ুয়া তালুকদার জানান, প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে কাজ শেষে কারখানা বন্ধ করে যে- যার মতো চলে যায়। মঙ্গলবার সকালে এসে দেখা যায় জেনারেটর রুমের দরজার গ্রিলের তালা কাটা। ভেতরে জেনারেটরের সাথে থাকা প্রায় ১৭০ ফুট বৈদ্যুতিক তার নেই। চোরেরা কেটে নিয়ে গেছে। জেনারেটরের সাথে থাকা মূল্যবান এ ক্যাবলগুলো দুর্লভ। বাজারেও পাওয়া যায় না।

সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাতের যে কোন সময় ঘটনাটি ঘটেছে উল্লেখ করে প্রকৌশলী কল্যাণ বড়ুয়া তালুকদার বলেন, এর আগেও কয়েকবার এ ধরনের চুরির ঘটনা ঘটেছে। শিল্প এলাকায় চোরের উপদ্রব থাকলেও এগুলো নিয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর মাথাব্যথা আছে বলে মনে হয় না।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ